ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বিচারপতি আমিরুল ইসলাম ছিলেন সাহসী বিচারক: প্রধান বিচারপতি

‘বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম অত্যন্ত সাহসী ও ভালো বিচারক ছিলেন। তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন তখনই হবে যখন আমরা তাকে অনুসরণ করতে পারব। আমার কাছে মনে হয় তিনি যে জাজমেন্টগুলো দিয়েছেন, সেগুলো আমাদের আলোকিত করবে।’

সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলামের জানাজায় বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) অংশ নিয়ে এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ‌

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম প্রগতিশীল চেতনার মানুষ ছিলেন। তিনি যা বিশ্বাস করতেন, তা করে দেখাতেন। অসংখ্য আলোচিত রায়ের মাধ্যমে তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন।’

এদিন দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলামের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন সুপ্রিম কোর্ট বার মসজিদের খতিব মুফতি আবু জাফর।

জানাজায় আরও অংশ নেন সাবেক প্রধান বিচারপতি মো. রুহুল আমিন, সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হক, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকির, সম্পাদক আব্দুন নূর দুলালসহ আরও অনেকে।

জানাজা শেষে বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলামের লাশ প্রধান বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেলসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে তার লাশ দাফনের উদ্দেশ্যে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

গতকাল (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে মারা যান বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম। তিনি ১৯৪০ সালের ১৩ জানুয়ারি কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব ল ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি পরে ১৯৬৫ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৭২ সালে সৈয়দ আমিরুল ইসলাম লন্ডনের ‘লিং কনস ইন’ থেকে বার অ্যাট ল ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৯৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের পদ থেকে অবসরে যান ২০০৭ সালের ১২ জানুয়ারি।

Tag :

জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের ঘটনা বিদ্যুৎ খাতসহ সরকারের সার্বিক ব্যর্থতা: মির্জা ফখরুল।

বিচারপতি আমিরুল ইসলাম ছিলেন সাহসী বিচারক: প্রধান বিচারপতি

প্রকাশের সময় : ০৮:৫০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

‘বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম অত্যন্ত সাহসী ও ভালো বিচারক ছিলেন। তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন তখনই হবে যখন আমরা তাকে অনুসরণ করতে পারব। আমার কাছে মনে হয় তিনি যে জাজমেন্টগুলো দিয়েছেন, সেগুলো আমাদের আলোকিত করবে।’

সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলামের জানাজায় বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) অংশ নিয়ে এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ‌

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম প্রগতিশীল চেতনার মানুষ ছিলেন। তিনি যা বিশ্বাস করতেন, তা করে দেখাতেন। অসংখ্য আলোচিত রায়ের মাধ্যমে তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন।’

এদিন দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলামের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন সুপ্রিম কোর্ট বার মসজিদের খতিব মুফতি আবু জাফর।

জানাজায় আরও অংশ নেন সাবেক প্রধান বিচারপতি মো. রুহুল আমিন, সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হক, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকির, সম্পাদক আব্দুন নূর দুলালসহ আরও অনেকে।

জানাজা শেষে বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলামের লাশ প্রধান বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেলসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে তার লাশ দাফনের উদ্দেশ্যে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

গতকাল (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে মারা যান বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম। তিনি ১৯৪০ সালের ১৩ জানুয়ারি কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব ল ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি পরে ১৯৬৫ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৭২ সালে সৈয়দ আমিরুল ইসলাম লন্ডনের ‘লিং কনস ইন’ থেকে বার অ্যাট ল ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৯৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের পদ থেকে অবসরে যান ২০০৭ সালের ১২ জানুয়ারি।