ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

এফবিসিসিআই: ২৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরি পুনর্বহাল আদেশ স্থগিত

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এর ২৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিতে পুনর্বহাল ও বকেয়া পরিশোধের আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ে আপিল বিভাগে শুনানির জন্য আগামী ৭ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন চেম্বার আদালত।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। অপরদিকে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট বি এম ইলিয়াস কচি।

এর গত ২৮ আগস্ট এফবিসিসিআই থেকে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া ২৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিতে পুনর্বহাল ও তাদের বকেয়া পাওনাদি পরিশোধের জন্য নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বাণিজ্য সচিব, মহাপরিচালক ও এফবিসিসিআই সভাপতিকে তিন মাসের মধ্যে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। পরে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল করে এফবিসিসিআই।

এর আগে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব-সদস্যপদ ও আইনবিষয়ক) মো. রফিকুল ইসলামসহ ২৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল ও বেতন-ভাতাদি পরিশোধের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করেন। ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২০২১ সালের ২০ জুন প্রথম এবং সর্বশেষ ২১ আগস্ট বিবাদীদের কাছে প্রতিকার প্রার্থনা করে লিখিত আবেদন করেন।

তবে তাদের আবেদনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও মহাপরিচালক, বাণিজ্য সংগঠনগুলো (ডিজি) এবং এফবিসিসিআই সভাপতি কর্ণপাত করেননি। তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল এবং প্রাপ্য বেতন-ভাতাদি পরিশোধের কোনো নেওয়া হয়নি।

রিট আবেদন থেকে জানা যায়, চাকরিতে পুনর্বহাল ও বকেয়া পাওনাদির দাবিতে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে (এফবিসিসিআই) উকিল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন সংগঠনটির সাবেক ২৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর এফবিসিসিআই থেকে ৬২ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একসঙ্গে পদত্যাগ করানো হয়। তাদের দাবি তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের চাপে তারা পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন।

Tag :

পুলিশের হাতে কামড় দিয়ে হ্যান্ডকাপসহ পালালো আসামি

এফবিসিসিআই: ২৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরি পুনর্বহাল আদেশ স্থগিত

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এর ২৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিতে পুনর্বহাল ও বকেয়া পরিশোধের আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ে আপিল বিভাগে শুনানির জন্য আগামী ৭ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন চেম্বার আদালত।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। অপরদিকে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট বি এম ইলিয়াস কচি।

এর গত ২৮ আগস্ট এফবিসিসিআই থেকে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া ২৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিতে পুনর্বহাল ও তাদের বকেয়া পাওনাদি পরিশোধের জন্য নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বাণিজ্য সচিব, মহাপরিচালক ও এফবিসিসিআই সভাপতিকে তিন মাসের মধ্যে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। পরে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল করে এফবিসিসিআই।

এর আগে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব-সদস্যপদ ও আইনবিষয়ক) মো. রফিকুল ইসলামসহ ২৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল ও বেতন-ভাতাদি পরিশোধের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করেন। ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২০২১ সালের ২০ জুন প্রথম এবং সর্বশেষ ২১ আগস্ট বিবাদীদের কাছে প্রতিকার প্রার্থনা করে লিখিত আবেদন করেন।

তবে তাদের আবেদনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও মহাপরিচালক, বাণিজ্য সংগঠনগুলো (ডিজি) এবং এফবিসিসিআই সভাপতি কর্ণপাত করেননি। তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল এবং প্রাপ্য বেতন-ভাতাদি পরিশোধের কোনো নেওয়া হয়নি।

রিট আবেদন থেকে জানা যায়, চাকরিতে পুনর্বহাল ও বকেয়া পাওনাদির দাবিতে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে (এফবিসিসিআই) উকিল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন সংগঠনটির সাবেক ২৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর এফবিসিসিআই থেকে ৬২ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একসঙ্গে পদত্যাগ করানো হয়। তাদের দাবি তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের চাপে তারা পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন।