রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০১:৩২ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ঘাটাইল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে ওসির মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ◈ শরীয়তপুরে সাংবাদিক নেতা পারভেজ এর উপর হামলা,নিন্দা জানিয়েছে ডামুড্যা প্রেসক্লাব ◈ কালিহাতীতে যাত্রীবাহি বাস নিয়ন্ত্রণ হা‌রিয়ে খা‌দে! নিহত এক ◈ করিমগঞ্জ থানার (ওসি) মমিনুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ (ওসি) নির্বাচিত ◈ ভূঞাপুরে চার মোটরসাইকেল চালককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ◈ কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নার্সদের অবহেলায় ২ শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ ◈ চিরিরবন্দরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ ◈ শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের বেসিনে নেই সাবান-পানি, এক বছরেই ব্যবহার অনুপযোগী ◈ ফুলবাড়ীয়ায় হাত ভাঙা বৃদ্ধা ও হাসপাতাল শয্যায় অসহায় রোগীকে অর্থ সহায়তা প্রদান ◈ আড়িয়াল বিলে অস্থায়ী হাঁসের খামার

৬ বছর পর বিস্তীর্ণ পদ্মায় জেগে উঠেছে চর

কৃষকের চোখে সোনালী স্বপ্ন

প্রকাশিত : ০৭:১১ PM, ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ বুধবার ১৫৫ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

রাজশাহী প্রতিনিধি :

প্রয়াত শিল্পী আব্দুল আলিম গেয়েছেন, ‘নদীর একুল ভাগে-ওকুল গড়ে এইতো নদীর খেলা’। শিল্পীর এ গানের প্রতিফল ঘটেছে এবার রাজশাহীর বাঘা উপজেলার দুর্গম পদ্মায়।

দীর্ঘ ৬ বছর পর নদীতে পানি কমে যাওয়া মাত্র এ বছর বিস্তীর্ণ পদ্মায় চর জেগে উঠেছে। সেই সাথে পড়েছে পলি মাটি।

এর ফলে সীমান্ত ঘেষা চরাঞ্চলের কৃষকরা এবার নতুন করে ফসল ফলানোর সোনালী স্বপ্ন দেখছেন। তবে নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তলনকারিরা যদি বেপরোয়া হয়ে বালি উত্তলোন করে তাহলে আগামী জোয়ার মৌসুমের পর এসব জেগে উঠা চর আবার ও নদী গর্ভে বিলিন হবে বলেও আশংকা করছেন অনেকে।

স্থানীয় লোকজন জানান, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মূল পদ্মা নদীতে এখন আর পানি জমে থাকেনা। প্রায় ২০-২৫ বছর থেকে পদ্মায় পড়েছে ফারাককার প্রভাব। ফলে মরু করণ শুরু হয়েছে কয়েক বৎসর যাবৎ।

এ উপজেলার প্লাবিত পদ্মা এখন মুল নদী থেকে অনেকটা দক্ষিণ দিকদিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে প্রতি বছর জোয়ার মৌসুমে পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পেলে সেই পানি পূর্বের মুল নদীতে চলে আসে।

ধারাবাহিকতায় এ বছর শত শত মাইল জুড়ে যেসব এলাকায় ধু-ধু চর আর বালি পড়ে ছিলো এবার বন্যার পর সেসব স্থানে পড়েছে পর্যাপ্ত পলি মাটি। সেই সাথে নতুন করে জেগে উঠেছে চর। এতে করে ওই সমস্ত এলাকার কৃষকরা ফসল ফলানোর সোনালী স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।

বাঘার পদ্মা নদী এলাকার কৃষক আবু বক্কর ও ফজলু শিকদার জানান, এ বছর জোয়ার মৌসুমে পদ্মায় ব্যাপক হারে পানি বৃদ্ধি পাই এবং নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়। তবে পানি নেমে যাওয়ার পর যে সব এলাকায় পলি বেষ্টিত চর জেগে উঠে তার মধ্যে কিশোরপুর, গোকুলপুর এবং চকরাজাপুর বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য।

তাদের মতে, জেগে উঠা চরে এবার সকল কৃষক ফসল ফলাবেন। তবে নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তলনকারিরা যদি বেপরোয়া হয়ে বালি তুলে তাহলে আগামী জোয়ার মৌসুমের পর এসব জেগে উঠা চর আবার ও নদী গর্ভে বিলিন হবে এবং কৃষকের স্বপ্ন ভেস্তে যাবে।

চরবাসীরা জানান, বন্যা অথবা পানির অভাবে কোন কোন বছর তারা ফসল ঘরে তুলতে পারে না।

এদিক থেকে এবার বন্য পরবর্তী সময়ে সবাই সোনালী ফসল ফলানোর চেষ্টা করছেন। যদি আবহাওয়া ভাল থাকে তাহলে শীতকালিন সকল সবজি আবাদে তারা আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন।

বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লা সুলতান বলেন, চরের মাটি সবজি চাষাবাদের জন্য এ বছর অত্যান্ত উপযোগী।

আমার জানা মতে, উপজেলার ২ পৌরসভা এবং ৬ ইউনিয়নে যে পরিমান ফসল উৎপাদন হয় তার সমপরিমান ফসল ফলে বাঘার পদ্মা বিধৌত চকরাজাপুর ইউনিয়নের বিস্তৃর্ণ চরাঞ্চলে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT