রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ২৬ জুন ২০২২, ১২ই আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

০৯:০৫ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ নোয়াখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ কালিহাতীতে আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ ◈ রাজারহাটে আওয়ামী লীগের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ◈ রৌমারীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে স্প্রে মেশিন বিতরণ। ◈ বেদে সম্প্রদায়সহ বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে,মধ্যনগর থানা পুলিশ ◈ পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ডামুড্যায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। ◈ স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কালিহাতী থানা পুলিশের আতশবাজি প্রদর্শনী ◈ হাইওয়ে পুলিশের উদ্যোগে শেরপুরে বন্যার্তদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ◈ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি উপভোগ করেণ দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন ◈ দুর্গাপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিনামূল্যে ঔষধ ও ত্রাণ বিতরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

২০ বছর ধরে যে নারীদের খুঁজছেন রোনালদো

প্রকাশিত : 07:41 AM, 20 September 2019 Friday 507 বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

একটা তারকা ফুটবলারের সাফল্যের পেছনে ঠিক কতটা কষ্টের খতিয়ান থাকে? কত যন্ত্রণা, কতটা ত্যাগ-তিতিক্ষার প্রহর অতিবাহিত করলে একজন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো হওয়া যায়?

সেসব কষ্টের আখ্যানের পুরোটা কেউ জানে না। জানলে হয়তো পৃথিবীতে একজন নয়, একের বেশি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো থাকত। সব ফুটবলারই সাফল্যের শিখরে উঠতে পারত। কিছুদিন আগে রোনালদো নিজেই কষ্টের দিনগুলোর কিছু কাহিনি বলেছেন এক সাক্ষাৎকারে।

ব্রিটিশ টিভি তারকা পিয়ার্স মরগানকে কিছুদিন আগেই একটা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন রোনালদো। আইটিভিতে প্রচারিত সেই সাক্ষাৎকারটিতে উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রসঙ্গ। উঠে এসেছে রোনালদোর উঠে আসার দিনগুলোর গল্প। বাবার সঙ্গে আদর্শ সম্পর্ক না থাকার হতাশা, ব্যক্তিগত জীবন, ফুটবলার হিসেবে চাওয়া পাওয়ার গলগুলো। এর মাঝে অনন্য হয়ে আছেন তিন নারী যারা রোনালদোকে আজকের রোনালদো হিসেবে গড়ে তোলায় কিছুটা হলেও ভূমিকা রেখেছেন।

নিজের উঠে আসার সময়ে কত আত্মত্যাগ করতে হয়েছিল সেটা জানাচ্ছিলেন রোনালদো, ‘আমি যখন ১১ বা ১২ বছরের ছিলাম, তখন আমাদের কাছে কোনো অর্থ ছিল না। আমরা লিসবনের ওই অংশে থাকতাম যেখানে বাকি সব কিশোর ফুটবলাররা থাকত। আমার পরিবার ছিল মাদেইরাতে, ওদের সঙ্গে তিন মাস পর পর দেখা হতো। এটা ছিল খুব কঠিন। পরিবার ছাড়া এভাবে থাকা খুব কঠিন।’

এ কঠিন সময়ে রোনালদোর মতো অন্য কিশোর ফুটবলারদের দিনটা উজ্জ্বল হয়ে উঠত তিন অসাধারণ মানুষের জন্য। খুব সাধারণ মানুষ তারা, খেটে খাওয়া মানুষ সবাই। তারা কাজ করতেন বিশ্বখ্যাত ফাস্ট ফুড চেইন ম্যাকডোনাল্ডসে। রোনালদোর এখনো মনে আছে সে দিনগুলোর কথা, ‘রাত একটু গভীর হলে, ধরেন সারে দশটা বা এগারোটা বাজলে ক্ষুধা লাগত। যে স্টেডিয়ামের পাশে আমরা থাকতাম সেখানেই একটা ম্যাকডোনাল্ডস ছিল। প্রায়ই আমরা পেছনের দরজায় গিয়ে নক করতাম আর বলতাম, কোনো বার্গার আছে? এডনা ও বাকি মেয়ে দুজনের মমতা ছিল অবিশ্বাস্য।’

রোনালদোর জীবন এখন বদলে গেছে। ১৮ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবলে পা রাখার পর থেকে আর অর্থের অভাব হয়নি তাঁর। তবে কখনো এডনাদের কথা ভোলেননি। মরগানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এডনাদের খুঁজে পাওয়ার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন, ‘আমি তাঁদের আর খুঁজে পাইনি। আমি পর্তুগালে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি, খোঁজার চেষ্টা করেছি তারা কোথায় কারণ আমি তাদের হদিস পাচ্ছি না। ওরা সেই ম্যাকডোনাল্ডটা বন্ধ করে দিয়েছে। আশা করছি এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে আমি তাদের খুঁজে পাব। আমি তাহলে খুব খুশি হব। কারণ আমি এডনাকে তুরিন বা লিসবনে দাওয়াত দিতে চাই। আমার বাসায় এসে আমার সঙ্গে ডিনার করুক সেটা চাই। ওদের খুঁজে পেতে চাই কারণ আমি ওই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ করতে চাই। আমি কখনো এটা ভুলব না।’

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT