রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

মঙ্গলবার ১৬ আগস্ট ২০২২, ১লা ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

০৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ নারীদের‘প্যানিক রুমে’আটকে নির্যাতন করতেন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার ◈ ৭৫ বছর পর ভারত-পাকিস্তানের ২ ভাইয়ের দেখা ◈ পাবনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন ◈ শোক দিবসে কাঙালি ভোজের আয়োজনে আওয়ামীলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০ ◈ বাংলাদেশ এশিয়া কাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে না ◈ পাপ থেকে বাঁচার উপায় জানালেন প্রভা ◈ শিশুটি চোখের সামনে বেঁচে ছিল, উদ্ধার করতে পারলাম না : রড মিস্ত্রী ইমরান  ◈ ডামুড্যা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন । ◈ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ পাবনার দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত ◈ বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতীয় মানের নেতা, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

১৬ গ্রামের মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো

প্রকাশিত : 04:07 AM, 22 September 2019 Sunday 538 বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

আমতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়ার খাল, রামনাবাদের শাখা খাল ও রামজীর খালে সেতু না থাকায় ২০ বছর ধরে ওই এলাকার ১৬ গ্রামের মানুষ তিনটি বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে চলাচল করছে। ভোগান্তি দূর করতে তিনটি সেতু তৈরির দাবি এখানকার ২৫ হাজার মানুষের।

পচাকোড়ালিয়া খালের ওপর প্রায় ২০ বছর আগে স্থানীয়রা তাদের চলাচলের জন্য বাঁশ দিয়ে একটি সাঁকো নির্মাণ করে। এই খাল আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন এবং তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের সীমান্ত দিয়ে দুই উপজেলাকে ভাগ করে প্রবাহিত হয়ে পায়রা নদীতে সংযুক্ত হয়েছে। এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে এবং স্কুল-কলেজগামী শিশুশিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে। এ ছাড়া এ এলাকার আশপাশের প্রায় ১৬ হাজার মানুষের হাট-বাজার এবং দাপ্তরিক কাজের জন্য আমতলী সদর, তালতলী সদর ও বরগুনা জেলা শহরে যেতে হয় এই সাঁকো পার হয়ে। এতে তাদের ভোগান্তি আর বিড়ম্বনার শেষ থাকে না। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী এখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও তা উপেক্ষিতই রয়েছে।

অন্যদিকে, আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের রামজীর খালেও সাঁকো পার হয়ে চলাচল করছে গুরুদল, হলদিয়া, চিলা ও নাচনাপাড়ার প্রায় চার হাজার মানুষ। সাঁকোর কারণে অনেক সময় অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের এবং মুমূর্ষু রোগীদের চিকিৎসার জন্য গ্রামের বাইরে নেওয়া যায় না। ফলে তাদের চিকিৎসায় এখনও ওঁঝা বা কবিরাজই একমাত্র ভরসা। চিলা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব নারী আম্বিয়া খাতুন বলেন, ‘বাবাগো বাঁশের এই হাক্কা পারাইতে গেলে পরানডা উইলডা যায়। মোগো দয়া হইর‌্যা এই হানে একখান ব্রিজ বানাইয়া দ্যান।’

হলদিয়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন জানান, এ এলাকার মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে এখানে জরুরিভিত্তিতে একটি সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।’

এদিকে আমতলীর হলদিয়া ইউনিয়নের মাছুয়াখালী এবং টেপুরা গ্রামকে ভাগ করেছে রামনাবাদ নদীর শাখা খাল। এই শাখা খাল পেরোতেও দুই গ্রামের ৫ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো। মাছুয়াখালী গ্রামের শিক্ষার্থী আরিফ বিল্লাহ জানায়, বর্ষার সময় সাঁকো থেকে পানিতে পড়ে যায়। ভয়ে এখন আর স্কুলে যায় না সে। মধ্য টেপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলম মল্লিক বলেন, বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুদের কথা বিবেচনা করে রামনাবাদ শাখা খালের ওপর জরুরিভিত্তিতে একটি সেতু নির্মাণ প্রয়োজন।

আমতলী উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করে উল্লেখিত খাল তিনটিতে শিগগিরই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT