রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বুধবার ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০২:১৯ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ রাজশাহীতে রাটা’র প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ◈ মোড়ক উম্মোচন হলো উন্মেষ সাহিত্য সাময়িকীর ‘বিজয় সংখ্যা ২০২০’ ◈ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ◈ শাহজাদপুর পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ ও কাউন্সিলর ৬০ জন প্রার্থী ◈ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার প্রতিবাদে সোনারগাঁয়ে বিক্ষোভ ◈ মধ্যনগরে বসবাসরত পঙ্গু গোপেন্দ্র দাস খাস ভূমি বন্দোবস্ত চায় ◈ সরকারের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করা হবে: এমপি শাওন ◈ বিশ্ব এইডস দিবস : ভয়াবহ মরণব্যাধি এইডস ◈ ভিবিডি গোপালগঞ্জ জেলা কর্তৃক আয়োজিত “আনন্দ আহার” ◈ সম্প্রীতির হবিগঞ্জ সংগঠনের জেলা শাখার সিনিয়র সদস্য নির্বাচিত হলেন শুভ আহমেদ

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের ঐতিহ্যবাহী কুপি বাতি

প্রকাশিত : ০৭:২২ PM, ২২ অক্টোবর ২০২০ Thursday ৯৭ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

কোরবান আলী তালুকদার, ভূঞাপুর প্রতিনিধি :

আধুনিকতার সংস্পর্শে এবং বৈদ্যুতিক যুগে বতর্মানে আহবহমান গ্রামবাংলার এক সময়ের জনপ্রিয় কুপি বাতি কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে। এই কুপি বাতি শুধুই এখন স্মৃতি। গ্রামীণ জীবনে অন্ধকার দূর করার একমাত্র অবলম্বন ছিল কুপি বাতি। কুপি বাতি জ্বালিয়ে রাতে গৃহস্থালির কাজ করত গৃহিণীরা, রাস্তায় চলাচলসহ উঠানে কিংবা বারান্দায় অথবা ঘরে পড়াশোনা করত ছেলেমেয়েরা।

কুপি বাতির কেরোসিন তেল আনার জন্য প্রতিটি বাড়িতেই ছিল বিশেষ ধরনের কাচের ও প্লাস্টিকের বোতল। সেই বোতলের গলায় রশি লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হতো বাঁশের খুটিতে। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে আবহমান গ্রামবাংলার কুপি বাতি যেন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলা থেকে। এক সময় আবহমান গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে এই কুপি বাতি আলো দিত। গ্রামবাংলার সেই চিরচেনা প্রয়োজনীয় কুপি বাতি আজ বিলীন হয়ে গেছে বললেই চলে। এ দৃশ্য এখন আর গ্রামীণ সমাজে চোখে পড়ে না। কালের বির্বতনে বর্তমানে কুপি বাতির পরিবর্তে স্থান করে নিয়েছে বৈদ্যুতিক বাল্ব, সোলার প্লান্ট, চার্জার লাইট, চার্জার, চার্জার ল্যাম্পসহ আরো অনেক কিছুই।

এই কুপি বাতিগুলো ছিল বিভিন্ন ডিজাইনের ও বিভিন্ন রঙের। এগুলো তৈরি হত কাঁচ, মাটি, লোহা আর পিতল দিয়ে। গ্রামবাংলার মানুষ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী কুপি বাতি ব্যবহার করতেন। বাজারে সাধারনত দুই ধরনের কুপি পাওয়া যেত। বেশি আলোর প্রযোজনে কুপি বাতিগুলো কাঠ এবং মাটির তৈরী গাছা অথবা স্টান্ডের উপর রাখা হত। এই গাছা অথবা স্টান্ডগুলো ছিল বিভিন্ন ডিজাইনের।

বর্তমানে গ্রামে বিদ্যুতের ছোঁয়ায় কুপি বাতির কদর যেন হারিয়ে গেছে। গ্রামীণ সমাজের সন্ধ্যা বাতি ‘কুপি বাতি’ এখন সোনালী অতীত স্মৃতিতে পরিণত হয়ে গেছে। কিন্তু এখন বিদ্যুৎ না থাকলেও গ্রামবাংলার মানুষ ব্যবহার করছে সৌর বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন রকমের চার্জার। গ্রাম বাংলার আপামর লোকের কাছে কুপি বাতির কদর কমে গেলেও এখনও অনেকে আকড়ে ধরে আছেন কুপি বাতির স্মৃতি।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার চরাঞ্চলের অনেক বাড়িতেই কুপি বাতি ব্যবহার করতে দেখা যায়। তাদের বাড়িতে কুপি বাতির আলো ঘরকে আলোকিত করে। তারা জানান, আমরা গরিব মানুষ টাকা পয়সা নাই তাই। সোলার বা সৌর-বিদ্যুৎ নেওয়ার মত সামর্থ আমাদের নেই। তাই বিদ্যুৎ ও সৌর-বিদ্যুৎ এর যুগে আমরা এখনও এই কুপি বাতি ব্যবহার করছি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT