রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ২৬ জুন ২০২২, ১২ই আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ নাটোর ইয়ুথ ব্লাড ডোনার গ্রুপের হয়ে কুড়িগ্রামে বন্যার্তদের পাশে বাংলার মিঃ বিন ◈ নোয়াখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ কালিহাতীতে আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ ◈ রাজারহাটে আওয়ামী লীগের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ◈ রৌমারীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে স্প্রে মেশিন বিতরণ। ◈ বেদে সম্প্রদায়সহ বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে,মধ্যনগর থানা পুলিশ ◈ পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ডামুড্যায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। ◈ স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কালিহাতী থানা পুলিশের আতশবাজি প্রদর্শনী ◈ হাইওয়ে পুলিশের উদ্যোগে শেরপুরে বন্যার্তদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ◈ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি উপভোগ করেণ দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন

হাকিমপুরে গ্রামের নাম দুগ্ধ ভিলেজ

প্রকাশিত : 02:58 AM, 15 August 2019 Thursday 568 বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

 

দুগ্ধ ভিলেজ নামে খ্যাত বিশাপাড়া। দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ২ নং বোয়ালদাড় ইউনিয়নে অবস্থিত গ্রামটি। এই গ্রামে গড়ে উঠেছে দেশী ও বিদেশী প্রাজাতির গাভী নিয়ে ছোট-বড় ৬৫টি খামার। খামারগুলিতে রয়েছে ৬ থেকে ১৫ দগ্ধ উৎপাদনকারী গাভী। প্রতিটি গাভীর বাজার মূল্য ৪০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত। খামারের মালিকরা হয়েছেন স্ববলম্বী।
উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দক্ষিনে বিশাপাড়া নামক দুগ্ধ ভিলেজ গ্রামটি অবস্থিত।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্ত সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামে ছোট-বড় মিলে ৬৫ জন খামারী রয়েছে। মোট গাভীর সংখ্যা ২৪৫টি। এদের মধ্য ৭৫টি বকনা এবং শংকর জাতের ৬৫ টি, দেশী জাতের ১০৫টি গাভী রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৮০ টি গাভী থেকে মোট ৪০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। উপজেলা প্রাণীনম্পদ কার্যালয় ২০১৭ সালে ১লা জানুয়ারী গ্রামটিতে দুগ্ধ ভিলেজ ঘোষণা করে।
সরেজমিনে দিয়ে দেখা যায়, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মো. মাসুদুর রহমান প্রায় ৪ বছর আগে বসতবাড়িতে ১টি ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী কিনেন। এখন তার ৬টি গাভী রয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ টাকা।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, দুধ বেচার জায়গা নেই। এখন খামার ছেড়ে দিতে মন চায়। দুধের বাজার একেবারেই কম। দুধ নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে গেলে ৩০-৩২ টাকায় প্রতি লিটার দুধ বিক্রি করতে হয়। তাই খামরে প্রতিদিন ৫০ লিটার উৎপাদিত
দুধ একই গ্রামের ঘোষ শ্রী উজ্জ্বল চন্দ্রের কাছে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি করেন।

ঘোষ উজ্জ্বল চন্দ্র রায় জানান, তিনি দই, মিষ্টি তৈরী করে বাংলা হিলি বাজারে সরবরাহ করে থাকেন এতে প্রতিদিন ১০০ লিটার
দুধের প্রয়োজন হয়। গ্রামেই খামার থাকায় আমাকে দুধ কিনতে কোথাও যেতে হয় না। গ্রামের খামারীদের কাছ
থেকেই দুধ কিনে থাকি।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুস সামাদ জানান, অধুনিক পদ্ধতিতে যাতে খামারীরা গাভী লালন-পালন ও পরিচর্যা করতে পারে সে লক্ষে ওই খামারীদের নিয়ে নিয়মিত উঠার বৈঠক করা হয়। এছাড়াও যখন কোন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে মেডিকেল টিম গঠন করে চিকিৎসা ও সেবা দেয়া হয়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT