রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

হতাশার ম‌ধ্যে আশা জা‌গায় বঙ্গকন্যা

প্রকাশিত : ০৫:০৮ পূর্বাহ্ণ, ৯ অক্টোবর ২০১৯ বুধবার ৩৭ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :
alokitosakal

শ‌রিফুল আলম

মাননীয় নেত্রী, এবার ছাত্রলীগের সাধারণ নেতা কর্মীদের পকেটে একটি অভিযান চালাবেন দয়া করে। তাদের তথ্যগুলো দয়া করে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে নিবেন, যারা দিনের পর দিন মাঠের মধ্যেই কাটিয়ে দেয়। যারা রাজনীতি বলতে রাজপথ, প্রোগ্রাম, মিটিং-মিছিলকেই বোঝে। যাদের কোনো ঘাট নেই। যারা সারা দিন মাঠে থাকার পর ঘাটে যাবার সময়, শক্তি কোনোটাই পায় না। যারা একটা পৃষ্টপোষক কিভাবে বের করবে সেই রাস্তাটা খুঁজে বের করার রাস্তা খুঁজে পায় না।

সব গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে খবর নিবেন যে কেনো হাজারো নেতা-কর্মী দুপুরের ভাত খাবার আগে চিন্তা করতে হয় রাতে কিভাবে খাবে। দয়া করে খবর নিবেন কিভাবে একটা কর্মী সর্বসাকুল্যে ১০০ টাকা থেকেও তার সহকর্মীকে ৫০ টাকা ধার দেবার মানসিক জোর পায়। কিভাবে তারা নাস্তার বিল ৩/৪ জন ভাগাভাগি করে দেয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ভর্তি হয় তাদের ৯৫% শিক্ষার্থী গরীব ও নিম্নবিত্ত পরিবারের। আর এরাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকে। পরিবারের সব ধরনের সাপোর্ট নিয়ে এদের পক্ষে রাজনীতি করা হয়ে উঠে না। একটা পর্যায়ে শুধু মাত্র সংগঠনের প্রতি মায়া লাগা থেকেই রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থেকে যায়। কিভাবে চলে এদের জীবন; কী তাদের জীবিকা; কোথা থেকে আসে এই আর্থিক সহায়তা তার খবর কয়জন রাখে সেটা আপনি খবর নেন। আপনি সংগঠনকে টাকা-পয়সা কিভাবে দেন জানিনা; কতো টাকা তাও জানিনা। টাকা আসে কোথায়, যায় কোথায়, তাও জানিনা। জানতে চাওয়ার সাহস ও করি নাই।

শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি, এরকম হাজারো নেতা-কর্মীর ভরসা, সহায়তার মাধ্যম এ নেতা-কর্মী নিজেরাই পরস্পর পরস্পরের সহায়ক।

আপনার দলের উচ্চ পদস্থ নেতা,মন্ত্রী ও এমপিরা দলের নেতা কর্মী বলতে খুব সম্ভবত সভাপতি সাধারণ সম্পাদককেই বুঝেন। তা না হলে হয়তো অন্যদের দিকেও তাদের নজর পড়তো।

মাননীয় নেত্রী, সংগঠনের গঠনতন্ত্রে বলা আছে চাকরি করা যাবেনা, ব্যবসা করা যাবেনা। মাননীয় নেত্রী- যারা প্রকৃত অর্থে সংগঠন করে তাদের এইগুলো করার সময়ও থাকে না। কিন্তু কি হবে তাদের চলার উৎস তা বলা নাই গঠনতন্ত্রে। তাই জোর দাবি আপনার কাছে, আপনি একটি চিরুনি অভিযান চালাবেন এ সকল নেতাকর্মীদের উপর। আমার বিশ্বাস আপনার কলিজা নাড়া দিবে এই ভেবে যে কী করুন দশা আপনার হাজারো লাখো নেতা কর্মীদের।

দিনশেষে হতাশার মধ্যে একটা আশার বাতি জ্বালায় নিজের মধ্যে এই ভেবে যে কিছু একটা হবে আজ বা কাল। আর এই আশা বাঁধে শুধু মাত্র বঙ্গকন্যা আপনার জন্যই।

‌লেখক: উপ-সা‌হিত্য সম্পাদক, বাংলা‌দেশ ছাত্রলীগ

লেখকের ফেসবুক থেকে নেওয়া

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT