রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০১:০৯ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ডামুড্যায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।। ◈ চিরিরবন্দরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্দ্যোগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ◈ কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে ২ বন্ধুর মৃত্যু ◈ বাংলাদেশ একদিন ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে,ভোলায় এমপি শাওন ◈ টাঙ্গুয়ার হাওরে নিষিদ্ধ কোনাজাল আটকের পর আগুনে পুড়ে ধ্বংস ◈ কালিহাতীতে মানবতার দেয়াল উদ্বোধন ◈ কুড়িগ্রামে ৪ বছর ধরে দুর্ভোগে লাখো মানুষ, উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পরও সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ ◈ ঘাটাইলে উচ্চ ফলনশীল বোরো ধানের বীজ ও সার বিতরণ ◈ ফুলপুরে পৌর কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা ◈ তাহিরপুরে নারী নির্যাতন বন্ধে,বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা

স্মৃতিচারণ : আশার প্রদীপ

মোঃ সাইফুল ইসলাম

প্রকাশিত : ১০:৩৬ AM, ২৬ মে ২০২১ বুধবার ১৬৭ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

আশার প্রদীপ
মোঃ সাইফুল ইসলাম

ঘড়িতে বিকেল ৪ টা। ঢং-ঢং-ঢং ছুটির ঘন্টা বাজছে। সবাই ভুঁ দৌড়ে বাড়ি ফেরার প্রতিযোগিতায় ব্যাকুল। সারা দিনের ক্লান্তির মাঝেও বাড়ি ফেরার কোনো তাড়া নেই। ধীরেধীরে ক্লাস থেকে বের হচ্ছে সাইফ। মনমরা ভাব, যেন দুশ্চিন্তায় ডুবে আছে। ক্লাসে স্যার বলেছে আগামীকাল নাকি তাদের প্রথম সাময়িক পরীক্ষার রেজাল্ট দিবে। তাই সাইফের মনে নিদারুণ সংকোচ ও জড়তা বিরাজ করছে।
সাইফ, ভবেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বদলি হয়ে বি,কে পাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ ও সহপাঠিদের সাথে এখনো দৃঢ় বন্ধন জন্মায় নি। দেহের গড়ন ছিমছাম। শ্যামলা বর্ণের, ডাগর-ডাগর চোখ, চুলগুলো বেশ ছোট-ছোট। কোথাও বের হলে মাথায় টুপি পরা থাকে। স্কুলে আসলেও মাথায় টুপি থাকে। ক্লাসের অনেক বন্ধুরা তাকে ক্বারীসাব বলে সম্বোধন করে। এতে সাইফের মন খারাপ হয় না। কথা বলা, চালচালন অনেকটাই সাধারণ। গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে উঠা। তাই আধুনিকতার ছোঁয়ার বাইরে ছিল বললেই চলে। এই সাদামাটা ছেলেটার মুখভরা হাসি ও চেহারার সৌন্দর্য সহসায় মানুষের মন কাড়ে! আর স্কুল কামাই করার কথাতো প্রশ্নই ওঠে না।

সকালবেলা সাইকেল চেপে স্কুলে পৌঁছালো। মেঝো ভাইয়ার কাছ থেকে গিফট পাওয়া বাইসাইকেলটাই তার যাতায়াতের নিত্যসঙ্গী। ক্লাসের শেষ বেঞ্চে চুপচাপ বসে আছে, সেই সাথে “আসসালামু আলাইকুম” সম্ভোধনে স্যারে আগমন। হাতে ইয়া বড় খাতার বান্ডেল। তা দেখে সাইফের নাভী মোচড় খেলো! কেমন জানি ভয়-ভয় অনুভূতি কাজ করছে। কেমন রেজাল্ট করলো সেই দুশ্চিন্তায় অস্থির। পিনপতন নীরবতা। স্যার একে একে সবার প্রাপ্ত নম্বর বলে যাচ্ছে। অপেক্ষার প্রহর যেন ঘনিয়ে এলো, সেই সাথে শোনতে পেল রোল নং একাশি। পেয়েছে ছিয়ানব্বই। অপ্রত্যাশিত নম্বর শোনে ক্লাসের সবাই বিস্ময়ে তার দিকে তাকিয়ে রইল। সকল ভয়, অস্থিরতার অবসান ঘটিয়ে শুষ্ক ওষ্ঠযুগলে মৃদু হাসি ফোটলো। এ যেন মেঘের আড়াল থেকে সূয্যি মামার উঁকি! এটাই ছিল ক্লাসের সর্বোচ্চ নম্বর। সেই থেকে স্যাররা তাকে নজরে রাখে। ক্লাসে বন্ধুবান্ধবের আর অভাব থাকলো না। অনেকটা ভালো পজিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সাইফ। এভাবে চলতে থাকে তার অদম্য সাধনা। বার্ষিক পরীক্ষা হলো। প্রথম স্থান অধিকার করে অষ্টম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হলো। নতুনত্বের সাথে শারীরিক, মানসিক গঠনেও পরিবর্তন ঘটতে লাগলো। বয়সের সাথে তাল মিলিয়ে ভালো লাগা কী জিনিস তা প্রকৃতিগতভাবেই চলে আসে। সেই সুবাদে তার মনস্পটে আদিকা কে ভালো লাগতে থাকে। আদিকা তার এক ব্যাচ জুনিয়র। যেমন সুন্দরী তেমনি মেধাবী। নজর কাড়া মায়াবি চেহারা। উজ্জ্বল ফর্সা চেহারার হাসিতে যেন মুক্তা ঝড়ে পড়ে, যেন চাঁদের হাসিকে হার মানাবে! সেও ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল।

সে বছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে স্কুলের বারান্দায় অন্যদিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সাইফ। চোখের সামনে দিয়ে কে যেন যাচ্ছে। দৃষ্টি ফেরাতেই আদিকার চোখে চোখ পড়ে যায়! আদিকার কোমল চোখের চাহনিতে সাইফ ভেসে গেলে কল্পনার রাজ্যে। আদিকা যেন তার কল্পনার রাজকন্যা!
এভাবে কিছুদিন কাটতে লাগলো, যতই দিন যাচ্ছে ততই আদিকার প্রতি দুর্বলতা বাড়ছে। শয়নে-স্বপনে আদিকাই যেন সর্বত্র বিরাজ করছে। প্রায় সময় আদিকার স্কুলের যাবার রাস্তায় অপলক দৃষ্টিতে থাকিয়ে থাকতো প্রিয় মানুষটির সেই নয়নাভিরাম মুখখানা দেখার জন্য। যেদিনই দেখা মিলতো স্রষ্টার দরবারে শুকরিয়া করে কুল পেত না। এতোটা ভালো লাগা, ভালোবাসার পরও মুখফোটে বলার সাহস পায়নি ভালো লাগার কথাটা। আদিকার বাবা প্রাইমারি স্কুলের হেড স্যার। পড়াশোনার দিক দিয়ে সাইফের পরিবার থেকে অনেকটা উঁচু। সাইফের প্রস্তাব যদি ফিরিয়ে দেয়, সে যদি স্কুলের স্যারদের কাছে নালিশ করে সেই ভয় ও সংকোচ সর্বদা সাইফকে কুঁড়ে কুঁড়ে খেত। শত বেড়াজালের মাঝে কষ্টটা বুকে চাপা দিয়ে রাখে। প্রায় সময় মোনাজাতে স্রষ্টার কাছে আদিকাকে জীবন সঙ্গীনি হিসেবে চাইত। দক্ষিণা হাওয়াকে বলতো, এই হাওয়া যা না আদিকা কে জানিয়ে দাও, আমি তাকে ভালোবাসি।

সময়ও যেন সাইফের কষ্ট বুঝল না। এসএসসি পরীক্ষার মাধ্যমে আদিকাকে চোখের আড়ালে ফেলে দিতে চাইল। সাইফের মন কাঁদে, ছেড়ে যাওয়ার চিন্তা মাথায় নিলেই যেন শরীর ঝিম খেয়ে আসে। নিজকে প্রশ্ন করতে থাকে এই আড়াল চির আড়াল নয়তো? একবার যদি আদিকাকে ভালো লাগার কথাটা জানানো যেত তবেই যেন তার আত্মা শান্তি পেত। সাইফের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল তার প্রস্তাবে আদিকা না করবে না। কারণ, আদিকার চোখের চাহনি, কথাবার্তা, বিভিন্ন কার্যকলাপে সাইফ বুঝতে পারে তার প্রতিও আদিকার দুর্বলতা আছে। দুর্ভাগ্যবশত দুজনেই অন্তরের কথা অন্তরেই রেখে দিল। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ছিল আদিকাকে শেষ দেখার পালা। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্যেশে আদিকা মানপত্র পাঠ করছে। সেই সুযোগে সাইফ প্রিয় মানুষটার মুখখানা ক্যামেরা বন্ধি করে রাখলো। শত বেদনার মধ্য দিয়ে বিদায়ক্ষণ পার করলো। যত্নসহকারে রেখে দিল ছবিখানা। যখনি আদিকার কথা মনে পড়তো তখনি নয়নভরে দেখতো।
উচ্চতর পড়াশোনার জন্য সাইফ শহরে পাড়ি জমালো। সেখানে ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হলো। ভালোই পড়াশোনা চালাচ্ছে, তবে যখনি প্রিয়তমার কথা মনে পড়ে তখনি মন কাঁদে। হোস্টেলে সাইফের মনমরা ভাব থেকে তার রুমমেট আরিফ আর নাদির প্রায়ই তার কারণ জানতে চাইতো। তবে সাইফ তার কোনো প্রতি উত্তর দিত না। আরিফ, নাদির, সাইফ তিন জন একই রুমে থাকতো। সম্পর্কটা রক্তের নয়, তবে তা যেন একই মায়ের গর্ভের তিন ভাই। তাদের বন্ধুত্বের বাঁধনে ছিল অদম্য ভালোবাসা। একদিন রাতে রুমে আড্ডা চলছে। এক এক করে সবাই তার ভালোবাসা, ভালোলাগার মানুষটার কথা বলে যাচ্ছে। এখন সাইফের পালা। বন্ধুদের চাপে পড়ে তাকেও আদিকাকে ভালোলাগার কথা জানাতে হলো। সাইফের স্টোরি শোনে আরিফ, নাদির বললো-
– চিন্তা করিস না বন্ধু, আমরা ব্যবস্থা নিতেছি। আদিকাকে তোর মনের কথা জানানোর কৌশল বের করতেছি।”
– তোর কাছে আদিকার ফোন নাম্বর আছে?
– শুনেছি ফোন চালায়, তবে আমার কাছে নম্বর নাই।
– ওর নাম্বারটাও নিতে পারলি না! আদিকার পরিচিত এমন কাউকে চিনিস?”
– হ্যাঁ, চিনি তো। সুমা আর হামিয়া আমার ক্লাসমেট। হামিয়া আমার মামাতো বোন আর সুমা আদিকার খালাতো বোন। তারা দুজনে আমাকে আপন ভাইয়ের মতো দেখে।
– বাহ্, ভালোই তো। চিন্তা করিস না কাজ হয়ে গেছে।
সেই রাতেই আরিফ সুমার নাম্বারে কল দিল। সাইফের পরিচয় দিয়ে আদিকার ব্যাপারে বিস্তারিত জানালো। সুমা আর হামিয়া একই কলেজে পড়ে। দুজনে আবার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। একই রুমে থাকে। আরিফের ফোনালাপ শোনে হামিয়া এগিয়ে এলো..
– এই শুনছিস? তোর ভাই নাকি আদিকার প্রেমে পড়েছে! দেখ হামি, সাইফ অনেক ভালো ছেলে তাকে বলে দিস এইসবে না জড়াতে। শুনলাম, সেই ক্লাস এইট থেকে নাকি ভালো লাগা। এতো দিনে আদিকা হয়তো অন্য কারো হয়ে গেছে। আদিকা তো আর ছোট নয়, সে এখন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে। ওর যে ফ্যামিলি মনে হয় না মেনে নিবে।
– কি আর বলবো, ভালোলাগা বলে কথা। সাইফ ভাইয়া আমাকে এ বিষয়ে বলেছিল। আমিও বা কি করবো? তবে ভাইয়ার জন্য অনেক খারাপ লাগছে। চল একটা কাজ করি, তুই বরং আদিকার ফোন নাম্বারটা আমাকে দে। আমি ভাইয়াকে দিয়ে দেই। সে নিজেই না হয় সবকিছু খুলে বলুক।

তারপরের দিনই হামিয়া, আদিকার নাম্বার মেসেজ করে পাঠায়। আদিকার নাম্বার পেয়ে সাইফ আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেল! আবার ভয়- ভয়ও লাগছে সেই স্কুল লাইফের কথা তার মাঝে ২ বছর গত হয়ে গেল, এখন ফোন দিলে আদিকা চিনবে তো? কিছু মনে করবে নাতো? এই ভাবনায় রাত পোহালো। সকালবেলা সাত পাঁচ না ভেবেই আদিকাকে কল দিয়ে ফেললো..
– হ্যালো, আসসালামু আলাইকুম। কে বলছেন?
– ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আদিকা আমি সাইফ। বি,কে পাড়া স্কুলের ফার্স্ট বয় ছিলাম।
– ভা..ই..য়া, আপনি! কেমন আছেন? এতো দিন পর! কেমন চলতেছে আপনার পড়াশোনা?
– আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভালোই আছি। এই তো পড়াশোনা ভালোই চলতেছে…
দশ কিংবা বারো মিনিট কথার পর ফোন রেখে দিলো। সেদিন সাইফের খুশি কে দেখে? মনে হচ্ছে হাজার বছরের তৃষ্ণার্ত আত্মা পানির সন্ধান পেল!
কিছুদিন পর আবার কল দিল, রিসিভ করলো না। তার কিছুদিন পর আবার কল, বাট নো আন্স্যার। দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়লো সাইফ। কোনো উপায় না পেয়ে হামিয়াকে জানালো। অনেক রিকুয়েস্ট করে সাইফের ভালো লাগার কথা আদিকাকে জানানোর জন্য বললো। ভাইয়ের অনুরোধ, কাকুতিতে হামিয়া না করতে পারলো না। আল্লাহর ভরসা নিয়ে আদিকাকে কল দিল..
– হ্যালো, আদিকা। আমি হামিয়া, সাইফের মামাতো বোন।
– ও আচ্ছা। কিছু বলবেন আপু?
– তোমার সাথে কিছু কথা বলা দরকার। কিছু মনে করো না।
– জ্বী, আপু বলুন..
– তুমি তো জানো, সাইফ অনেক ভালো ছেলে। দেখতে, শুনতে, পড়াশোনায় সব দিকেই ভালো। স্কুল লাইফ থেকেই সাইফ তোমাকে অনেক পছন্দ করে। সে ভয়ে, সংশয়ে মুখ ফোটে বলতে পারে নি।
– দেখেন আপু, আমাকে নিয়ে আমার বাবার অনেক বড় স্বপ্ন। আমি পরিবারের ছোট মেয়ে। আমি চাই না এইসবে জড়াতে। তাছাড়া আমার পরিবার এখনো এইসব মেনে নিবে না। ওনাকে বলেন পড়াশুনা করতে, পরেরটা পরে দেখা যাবে। ভাগ্যে থাকলে ভবিষ্যতে পেতেও পারে।
এই বলে ফোন কেটে দিল। তারপরক্ষণে হামিয়া, সাইফকে আদিকার মনোভাব জানালো। ব্যর্থতা নাকি পরাজয় কিছু বুঝে ওঠতে পারলো না। উপায়ান্তর না পেয়ে, তার শেষ মনোভবটুকু জানানোর জন্য ফের আদিকাকে কল দিল, কে যেন রিসিভ করে বলে উঠলো …
– কাকে চাচ্ছেন?
– এটা আদিকার নাম্বার না? আমি আদিকাকে চাচ্ছি।
– সরি, রং নাম্বার। এখানে আদিকা নামের কেউ নেই।
ফোন কেটে গেল। কুলহারা বেদনা যেন সাইফের আষ্টেপৃষ্ঠে ঘিরে ধরেছে। ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে চুপটি মেরে চেয়ে আছে আকাশ পানে। চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে, না বলা কথাগুলো। প্রকৃতি থেকে খুঁজতে থাকে সান্ত্বনার বাণী। তখনি দক্ষিণা হাওয়া ফিসফিস করে বাতলে দিল বেঁচে থাকার মন্ত্রমালা, আদিকার শেষ কথাটুকু-“ভাগ্যে থাকলে ভবিষ্যতে পেতেও পারে।”
এই কথাটুকুই যেন সাইফের জীবনে আশার প্রদীপ। আপন গতিতে চলতে থাকে গতিপথ। ক্ষণে ক্ষণে চোখ ফেলে শূন্য কুঁটিরের আশার প্রদীপে। সত্যি কি প্রদীপ জ্বলবে? সেই উত্তর খোঁজে বলতে থাকে…
“অব্যক্ত হৃদকথন তোমার অগোচরে,
ইচ্ছে হলে কড়া নেড়ো মোর শূন্য কুঁড়েঘরে।”

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT