রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ০৬ জুলাই ২০২০, ২২শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০২:৩৫ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ভালুকায় মামার হাতে ৫ বছরের শিশু ভাগ্নী খুন ◈ শাহজাদপুরে সাংবাদিকদের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম বিতরণ ◈ গংগাচড়ায় মসজিদ ও মন্দির পরিচালনা কমিটির মাঝে এমপির চেক বিতরণ ◈ এমপি মহিব-এর পক্ষ থেকে শিশুদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ◈ পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেনু সাময়িক বরখাস্ত ◈ মাদক বিক্রিতে অস্বীকার করায় স্ত্রীর চোখে স্বামীর কাঁচির আঘাত ◈ কালিহাতীতে হঠাৎ যমুনায় ভাঙ্গন! ৩০ বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন ◈ শ্রীনগরে নৌকা বিকিকিনিতে করোনার প্রভাব ◈ বেনাপোলে ১০৫ দিন পরে রপ্তানি বানিজ্য সচল ◈ আনোয়ারায় টেন্ডারে সুপারিশ না করাই শ্রমিক নেতার উপর যুবদল নেতার সন্ত্রাসী হামলা

স্বাধীনতা-বিরোধীদের নামে থাকা ফলক বদলের নির্দেশ

প্রকাশিত : ০৬:৫৪ PM, ১৪ নভেম্বর ২০১৯ Thursday ৭২ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব স্থাপনা ও সড়ক থেকে যুদ্ধাপরাধীদের নাম মুছে ফেলে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নতুন করে নামকরণে আবারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এমনকি এই আদেশ বাস্তবায়নে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন আদালত। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারির এর সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে একটি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। স্থানীয় সরকার সচিব ও শিক্ষাসচিবের প্রতি এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২৫ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী আদেশের জন্য বিষয়টি আদালতের কার্যতালিকায় আসবে।

যুদ্ধাপরাধীদের নামে স্থাপনা, সড়ক, অবকাঠামোর নামকরণ স্থগিত চেয়ে ২০১২ সালে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন, সাংবাদিক, গবেষক শাহরিয়ার কবীর। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ১৪ মে রুলসহ খান-এ সবুর ও শাহ আজিজুর রহমানের নাম ব্যবহার স্থগিতের আদেশ দেন হাইকোর্ট।

রুলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের নামে থাকা সড়ক, স্থাপনা ও অবকাঠামোর নাম পরিবর্তনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, পরিবর্তনের পর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সেসবের নামকরণ কেন করা হবে না এবং যারা ওই নামকরণের জন্য দায়ী তাদের কেন বিচারের আওতায় আনা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়।

পরে স্থাপনাগুলোর নাম পরিবর্তন করে প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব ও খুলনার মেয়রকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছিল। বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আদেশের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও কোনও স্থাপনা থেকে স্বাধীনতাবিরোধীদের নাম না সরানোর কারণে এ বিষয়ে পুনরায় শুনানি নিয়ে আদালত প্রশাসনকে শেষবারের মতো সময় বেঁধে দিলেন।

এ কে রাশেদুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে স্বাধীনতা-বিরোধীদের নামে ৩০টি স্থাপনা, সড়ক ও নামফলক আছে। এর মধ্যে ২২ টির নামকরণ পরিবর্তন করা হয়েছে। ৮টি এখনে পরিবর্তন করা হয়নি। সরকারি-বেসরকারি-ব্যক্তিগত কোনো স্থাপনা স্বাধীনতা-বিরোধীদের নামে নামকরণ করা যাবেন না বলে বলেছেন আদালত। তাঁদের নামে কিছু থাকলে তা ৯০ দিনের মধ্যে পরিবর্তন করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নামকরণ করতে হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT