রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ২২ জানুয়ারি ২০২২, ৯ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০২:৫৬ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ আ’লীগ নেতা সৈয়দ মাসুদুল হক টুকুর পিতার ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ ঘাটাইল আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ◈ শীতার্তদের মুখে হাসি ফোটালেন সিদ্ধিরগঞ্জ মানব কল্যাণ সংস্থা ◈ হরিরামপুরে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে বন্ধে স্ত্রীর অনশন ◈ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরীব-দুঃখীদের পাশে রয়েছেন সাবেক সিনিয়র সচিব সাজ্জাদুল হাসান… ◈ কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর করোনা এক্সপার্ট টিমের কম্বল বিতরণ ◈ পেইড পিয়ার ভলান্টিয়ারদের চাকরী স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন ◈ ফুলবাড়ীতে শীতার্তাদের মাঝে ডিয়ার এক্স টিমের শীতবস্ত্র বিতরণ ◈ রানীরবন্দর রুপালী ব্যাংক লিঃ ব্যবস্থাপকের বিদায় ও বরণ ◈ শার্শায় বাইক ছিনতাই করে চালককে হত্যায় জড়িত ৩ আসামী আটক
ঢাকা নগর পরিবহন

স্বস্তির সঙ্গে রয়েছে ভোগান্তিও

প্রকাশিত : ০২:২৯ PM, ৪ জানুয়ারী ২০২২ মঙ্গলবার ২৪ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

রাজধানীতে গণপরিবহনে বিশৃঙ্খলা দূর করতে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি নিরসনে বাস রুট রেশনালাইজেশনের অংশ হিসেবে কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত ৫০টি বাস নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ঢাকা নগর পরিবহন। যাত্রা শুরুর পর যাত্রীদের স্বস্তির পাশাপাশি মিলছে অভিযোগ ও ভোগান্তি।

সরেজমিনে ওই পরিবহনের যাত্রীদের স্বস্তির পাশাপাশি কিছু অভিযোগের কথাও জানা যায়। কাউন্টারে থাকা বিক্রয় প্রতিনিধি ও যাত্রীদের অভিযোগ, কাউন্টারের সামনে এসে বাস ও রিকশার জটলা হওয়ায় বাসগুলো থামানো, যাত্রীদের ওঠানামায় সমস্যা হচ্ছে। যাত্রীরা বলছে, কাউন্টারে বাস আসার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই, কাউন্টার থেকে যাত্রী ওঠার আগেই দ্রুত বাস ছেড়ে দেয়ায় বাসে উঠতেও সমস্যা হচ্ছে। নগর পরিবহনে গাড়ির সংখ্যা আরো বাড়ানোর কথা থাকলেও এখনো সেটা হয়নি। বাসের সংখ্যাও অনেক কম থাকায় দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে যাত্রীদের।

বিভিন্ন কাউন্টার ঘুরে দেখা যায়, একটা বাস ছেড়ে যাওয়ার পর কাউন্টারে আসার ব্যাবধান ১৮ থেকে ২০ মিনিট। তবে রিকশা ও অন্যান্য গণপরিবহনগুলো কাউন্টারের সামনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় বাস দাঁড়াতে ও যাত্রীদের ওঠানামা করতে সমস্যা হচ্ছে। অন্যদিকে বাসস্টপজে আসার পর এক মিনিটের কম সময়েই ছেড়ে যাচ্ছে। এত বৃদ্ব বা নারীদের পড়তে হয় ভোগান্তিতে। তবে এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। এছাড়া কাউন্টার ছাড়া যাত্রী না তোলায় অনেকটা ফাঁকাই থাকছে বাসগুলো।

জিগাতলা ঢাকা নগর পরিবহন কাউন্টারে এক যাত্রীকে বাগবিণ্ডা করতে দেখা যায় সেখানকার কাউন্টার ইনচার্জের। বিতর্কের কারণ জানতে চাইলে ওই যাত্রী বলেন, বাস আসার আগেই টিকিট চেয়েছি। বাস আসার পর টিকিট দিতে থাকে। তখন যাত্রীদের না নিয়েই বাস চলে যায়। টিকিট বিক্রেতার সিগন্যাল ছাড়া কিভাবে যাত্রীদের না নিয়ে চলে যায়। এমন সার্ভিস হলে যাত্রীরা এই পরিবহনের প্রতি আগ্রহ হারাবে।

গণমাধ্যমকর্মী প্রীতি আক্তার। দিনি ঢাকা নগর পরিবহন চালুর পর থেকেই বসিলার র্যাব ক্যাম্প কাউন্টার থেকে শাহবাগ পর্যন্ত প্রতিদিন যাতায়াত করেন। তিনি বলেন, প্রথম কদিন শৃঙ্খলভাবেই যাত্রী তুলতো। তবে এখন আর আগের মতো নেই। যাত্রীরা যেভাবে পারে আগে ওঠার টেষ্টা করে। এতে নারীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়। তাহলে অন্য বাসগুলোর সঙ্গে এই বাসের পার্থক্য কোথায়, প্রশ্ন করেন তিনি।

এবিষয়ে বসিলার র্যাব ক্যাম্প কাউন্টার ইনচার্জ বলেন, অফিসের সময়ে তুলনামূলক যাত্রী বেশি থাকে। তবে সবাই লাইনে দাঁড়িয়েই ওঠে। কিছু সময় হয়তো কেউ কেউ আগে উঠতে চায়।

গত ২৬ ডিসেম্বর পরীক্ষামূলকভাবে কাঁচপুর থেকে সাইনবোর্ড, মেডিকেল, রায়েরবাগ, শনির আখড়া, যাত্রাবাড়ী, মতিঝিল, পল্টন, প্রেসক্লাব, শাহবাগ, সাইন্সল্যাব হয়ে কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর পর্যন্ত চালু হয় নগর পরিবহন। ২১ কিলোমিটারের এ রুটে ঢাকা নগর পরিবহনের ১০০ বাস দিয়ে শুরু করার কথা থাকলেও ৫০টি বাস নিয়ে রেশনালাইজেশনের কার্যক্রম শুরু হয়। এর মধ্যে বিআরটিসির ৩০টি ডাবল ডেকার ও ট্রান্স সিলভা পরিবহনের ২০টি বাস রয়েছে। এই রুট রেশনালাইজেশন হলে ২০১৯ এবং এর পরে ২০২১ সালের মডেলের বাস চালাতে হবে। ভাড়া নেয়া হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। আর নতুন বাস দিয়ে শুরু করার কথা থাকলেও পুরনো রঙ করা বাস দিয়েই শুরু করা হয়েছে। বাসের শতভাগ ফিটনেস থাকার কথা থাকলেও সেটা মানা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এবিষয়ে রেশনালাইজেশন কমিটির সদস্য পরিবহন বিশেষজ্ঞ এবং বুয়েটের অধ্যাপক ড. এস এম সালেহ উদ্দিন বলেন, আমরা এই পরীক্ষামূলক রুট দিয়ে ত্রুটি বিচ্যুতি বোঝার চেষ্টা করবো। তারপর পুরো কাজ শুরু করব। এতদিনে আমরা আমাদের পুরো পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছি। এখন বাস্তবায়ন করার পালা। যাতে পরিবহন মালিকেরা নতুন বাস নামাতে পারেন সেজন্য আমরা শতকরা পাঁচ ভাগ সূদে ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করেছি।

এদিকে ৫০টি বাস চালু হলেও প্রতিদিন সড়কে চলছে না এর সবগুলো। এতে বাস সংকটে পড়তে হয় যাত্রীদের।

জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর ঘাটারচর গোলচক্কর কাউন্টারের ইনচার্জ গোলাম রসুল বলেন, প্রথমে যাত্রী কিছুটা কম ছিলো। তবে এখন যাত্রী বাড়ছে। বাসের সংখ্যা বাড়লে যাত্রী আরও বেড়ে যাবে। ৫০টি বাসের মধ্যে ট্রান্সসিলভার এক তলা বাস একটি বন্ধ আছে। আর বিআরটিসির ডাবল ডেকার দুইটা বাস বন্ধ আছে। তবে বাকি সবগুলো বাস সড়কে নিয়মিত চলছে। কেন বন্ধ আছে জানতে চাইলে তিনি আর কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

জানতে চাইলে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানার ধ্রুব আলম বলেন, প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল কোনো একটি রুটে যতগুলো কোম্পানি বাস-মিনিবাস চালায় তাদের সবাইকে একসঙ্গে একটি কোম্পানিতে রূপান্তর করে একটি যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানি করা হবে। কিন্তু বাস মালিকরা তাতে সাড়া দেয়নি। বাকি বাসগুলো কবে চালু হবে জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ১০০ টা বাসের মধ্যে ৫০টা চালু হয়েছে। বাকি বাসগুলো জানুয়ারির শেষে চালু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তবে ভিন্ন প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে অন্য যাত্রীদের মাঝে। নতুন এই বাস সার্ভিসে যাতায়াতের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে শিক্ষার্থী নীরব বলেন, আগে মিডলাইনে যাতায়াত করতাম। এখন ঢাকা নগর পরিবহনের বাসে করে আসি। সেবার মান অন্য বাসগুলোর তুলনায় ভালো। তবে এর কিছু খারাপ দিকও আছে। বাসটি অনেক ঘুরে যায়। এর জন্য অনেক সময় লাগে। হানিফ ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে যাওয়ায় যানজটে অনেক সময় লেগে যায়। ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে কয়েকটা বাস চালু করা গেলে ভালো হতো।

বাসের জন্য সিটি কলেজের কাউন্টারে অপেক্ষা করা শিক্ষার্থী নিলীমা জাহান বলেন, প্রথম কয়েক দিন ভালো ছিল। এখন দেখি মেয়েদের জন্য সিটিগুলো ফাঁকা থাকে না। সেখানে পুরুষরা বসে থাকে। কাউন্টার ছাড়া যাত্রী না নামানোয় আমাদের ভোগন্তিতে পড়তে হয়। অনেকদূর গিয়ে নেমে আবার হেঁটে আসতে হয়। মেয়েদের জন্য তো এটা কষ্টকর।

বিধান বিশ্বাস নামে এক যাত্রী নগর পরিবহনের একটি দ্বিতল বাসে কাঁচপুর থেকে জিগাতলার উদ্দেশ্য বাসে ওঠেন।

তিনি বললেন, আগে রজনীগন্ধায় যাতায়াত করতাম। ওরা বাস ভাড়া বেশি নিতো। তারপরও সিট পাওয়া যেত না। এখন মাঝেমধ্যে ঢাকা নগর পরিবহনে উঠে যাই। তবে ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে যাওয়ায় সময় একটু বেশি লাগে।

ঢাকা নগর পরিবহনের বাসচালক আব্দুল্লাহ বলেন, ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে যাওয়ায় যাত্রী ও কম হয়। সময় বেশি লাগায় যাত্রীরা উঠতে চায় না। অনেক বেশি ঘুরে যাওয়ায় টিপ ও কম হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঠিকভাবে প্রচার না হওয়ায় ঢাকা নগর পরিবহন সম্পর্কে এখনো সব যাত্রীরা অবগত নন। তাই সেবার মান ভালো হওয়ার পরও যাত্রীর সংখ্যা এখনো কম। এ ছাড়া যাত্রীদের মানসিকতা এবং সঠিক জায়গায় কাউন্টার না বসানোর কারণেও যাত্রী কম হচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে।

ঢাকা নগর পরিবহনের বিভিন্ন স্টপজে ঘুরে দেখা যায়, অনেক যাত্রী স্টপেজ ছাড়া হাত ইশারা করেন বাসে ওঠার জন্য। তবে কাউন্টার ছাড়া বাস থামানোর নিয়ম না থাকায় তাতে সাড়া দেন না বাসের সহকারী ও চালক। কিন্তু কাউন্টারের সামনে গিয়ে দেখা যায় যাত্রী খুবই কম।

বাস রুট রেশনালাইজেশনের অধীনে রাজধানীর ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর রুটে ২৬ ডিসেম্বর থেকে চলছে ঢাকা নগর পরিবহনের বাস। এই রুটে ৩১ ডিসেম্বরের পর অন্য বাসগুলো বন্ধ করার নির্দেশনা ছিল। ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে অন্তত তিনটি ভিন্ন পরিবহনের বাস চলতে দেখা গেছে। সেগুলো হচ্ছে, রজনীগন্ধা, মালঞ্চ ও মিডলাইন। রজনীগন্ধা কিছু গাড়ির নাম পাল্টিয়ে নতুন নাম দিয়েছে টি- থ্রি পরিবহন। সেগুলো চলে ঘাটারচর থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত। আর কিছু গাড়ির নাম সময় ট্রান্সপোর্ট দিয়ে চালানো হচ্ছে গুলিস্তান থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত।

ঢাকা নগর পরিবহনের বাসচালক নাসিম বলেন, অন্য পরিবহনের বাসগুলো আমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। অনেক সময় সামনে বাস থামিয়ে রাস্তা আটকিয়ে দেয়। তারা চায় না ঢাকা নগর পরিবহনে যাত্রী উঠুক। তারা যেখানে সেখানে দাড়িয়ে যাত্রী তোলে, যাত্রী নামায়। এতে আমাদের বাস স্টপেজে যাত্রী কম থাকে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর থেকে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর পর্যন্ত রজনীগন্ধা ও সিটি লিংক পরিবহনের ১৬১টি যাত্রীবাহী বাস চলাচল করতো। এই পথে ঢাকা নগর পরিবহনের ৫০টি বাস চালু হয়েছে। তাই রজনীগন্ধা বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটি। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরিবহন মালিকরা।

নগর পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকা নগর পরিবহনের যাত্রীরা উঠুক এটা চায় না অন্য বাসগুলো। কিন্তু স্বার্থান্বেষী মহল ও ক্ষমতাধর পরিবহন মালিকরা চায় ঢাকা নগর পরিবহনের বাসগুলো যেন যাত্রী না পেয়ে বন্ধ হয়ে যায়।

বাস রুট রেশনালাইজেশনে বাস মালিকদের বিরোধিতার বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্লাহ বলেন, এই অভিযোগ সঠিক নয়। আমরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।

নগর পরিবহন নিয়ে যাত্রীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, সড়কে ভোগান্তি কমানো ও সিটিং সার্ভিস বাস মালিকদের জিম্মি থেকে রেহাই দিতে সরকার বিআরটিসির বাস সার্ভিস চালু করেছে। কিন্তু বিআরটিসির বাসগুলোর সার্ভিসে অসন্তোষ আছে। পাশাপাশি বছরের পর বছর লোকসানে বিআরটিসির বাসগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন করে নগর পরিবহন চালু হয়েছে। এই পরিবহনের সার্ভিস নিয়ে যাত্রীরা সন্তুষ্ট। কিন্তু পরে কিছু লোকের কারণে বিআরটিসির মতো যেন নগর পরিবহন মুখ থুবড়ে না পড়ে।

ডিটিসিএর ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানার ধ্রুব আলম বলেন, আপাতত কিছুদিন এ রুটে অন্য কোম্পানির বাসও চলবে, কিন্তু ৩১ জানুয়ারির পর অন্য বাস থাকবে না। তবে সব বাস বন্ধ করে দেয়া হবে সেটা বলা হয়নি। যেই বাসগুলোর রুট পারমিট আছে সেগুলো চলবে।

তিনি বলেন, রুট পারমিটবিহিন ও অন্য রুটের বাস এই রুটে চললে সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। প্রয়োজনে অভিযান চালানো হবে। সমন্বয় করে ৩১ তারিখের পর সবগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। এখন যে বাসগুলো চলছে সেগুলো অন্যরুটে চলে যাবে। আর যারা নাম পরিবর্তন করে চলছে এর জন্য পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্বে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানতে চাইলে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতার বলেন, যাত্রীদের যেন ভোগান্তি না হয় তার জন্য সব রকম ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাত্রীর সংখ্যা বাড়াতেও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT