রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ০১ নভেম্বর ২০২০, ১৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ মুরাদ নূরের সুরে কাজী শুভর ‘ইচ্ছে’ ◈ রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির আয়োজনে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ◈ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে পালিত হচ্ছে প্রবারণা পূর্ণিমা ◈ ফ্রান্সে বিশ্বনবীকে নিয়ে কটুত্তির প্রতিবাদে ভূঞাপুরে বিক্ষোভ মিছিল ◈ রায়পু‌রে ক‌মিউ‌নি‌টি পু‌লি‌শিং ডে-২০২০ উদযা‌পিত ◈ কাপাসিয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ◈ কটিয়াদীতে ট্রিপল মার্ডার : মা ভাইবোন সহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের ◈ হরিরামপুরে চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে জখম ◈ কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২০ উপলক্ষে মধ্যনগর থানায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ◈ রাসুলকে (সাঃ)’র অপমানের প্রতিবাদে কাপাসিয়া কওমী পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ

স্থাপত্যের নিদর্শন সুরা মসজিদ

প্রকাশিত : ০৪:৫৯ AM, ৯ অক্টোবর ২০১৯ Wednesday ১২৮ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

দিনাজপুর জেলার স্থাপত্য ঐহিত্যের অপরূপ নিদর্শন সুরা মসজিদ। মসজিদটি ঘোড়াঘাট থেকে প্রায় পাঁচ মাইল পশ্চিমে এবং হিলি থেকে প্রায় ১২ মাইল পূর্বে হিলি-ঘোড়াঘাট সড়কের চোরগছা মৌজায় অবস্থিত। মসজিদটি সুরা নামক স্থানে নির্মিত বলে এটি সুরা মসজিদ নামে পরিচিত। কেউ কেউ এটিকে সুজা মসজিদ নামেও অভিহিত করেন।

এখানে রাস্তার উত্তর পার্শ্বে একটি প্রাচীন দিঘি রয়েছে। দক্ষিণ পাড়ের মধ্যভাগে একটি প্রশস্ত ঘাট রয়েছে। কারও মতে ঘাটটি প্রায় ৫০ ফুট প্রশস্ত ছিল। দীঘির ঘাট থেকে প্রায় ১০০ ফুট দক্ষিণ-পশ্চিমে দীঘির দক্ষিণ পাড়ের পশ্চিমাংশের দক্ষিণ দিকে এবং সদর সড়কের উত্তর দিকে প্রায় চার ফুট উঁচু একটি সমতল প্লাটফর্ম রয়েছে। এর পশ্চিম ভাগেই সুলতানী বাংলার অনন্য স্থাপত্য সুরা মসজিদ অবস্থিত।

মসজিদটির একটি বর্গাকার এক গম্বুজ বিশিষ্ট নামাজ কক্ষ এবং পূর্ব ভাগে ছোট তিন গম্বুজ বিশিষ্ট একটি বারান্দা রয়েছে। এরূপ নকশার মসজিদ উত্তর বাংলায় পঞ্চদশ শতকের শেষ দিকে এবং ষোড়শ শতকে খুবই জনপ্রিয় ছিল। মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণে বাহির দেওয়ালে ব্যবহৃত ইটের সুক্ষ্ণ রিলিফ নকশার সাদৃশ্য পাওয়া যায় ১৫২৩ সালে নির্মিত রাজশাহীর বাঘা জামে মসজিদের সাথে।

মসজিদটি নির্মাণে প্রধানত ইট ব্যবহৃত হলেও মসজিদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ স্থান জুড়ে পাথরের ব্যবহার দেখা যায়। মসজিদের প্রত্যেক প্রবেশ পথে ব্যবহৃত চৌকাঠ পাথরের তৈরি। সিঁড়িতে ব্যবহৃত পাথরগুলোতে মূর্তি উৎকীর্ণ ছিল, যা এখন প্রায় নিশ্চিহ্ণ। এতে মুসলিম স্থাপত্যের হিন্দু স্থাপত্য উপকরণ ব্যবহারের দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।

এর গঠন প্রণালী ও স্থাপত্য কৌশল দেখে একটিকে সুলতানী আমলের মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মসজিদের সংযুক্ত ছয়টি টাওয়ারে ব্যবহৃত পাথরের আবরণ এবং মিহরাবে বক্রবার পাথরের ব্যবহার কুসুম্বা মসজিদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT