রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১০:২৬ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ধামইরহাটে সোনার বাংলা সংগীত নিকেতনের বার্ষিক বনভোজন ◈ ধামইরহাটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ◈ পত্নীতলায় করোনা সচেতনতায় নারীদের পাশে তথ্য আপা ◈ ফুলবাড়ীয়া ২ টাকার খাবার ও মাস্ক বিতরণ ◈ কাতারে ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ফোরামের দোয়া মাহফিল ◈ হাসিবুর রহমান স্বপন এমপির রোগ মুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত ◈ দৈনিক আলোকিত সকালের ষ্টাফ রিপোর্টার আশাহীদ আলী আশার ৪৩তম জন্মদিন পালিত ◈ সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও ফুটবলার রফিকুল ইসলাম স্মরণে দোয়া ও মিলাদ আজ ◈ লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ও‌সির পুরস্কার পে‌লেন ও‌সি আবদুল জ‌লিল ◈ কাতার সেনাবাহিনীর বিপক্ষে বাংলাদেশের পরাজয়

স্কুলে যাওয়ার রাস্তা নেই দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত : ০৯:০৫ AM, ১ অক্টোবর ২০১৯ Tuesday ১৬৫ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে ঝাউকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পরেও শিক্ষার্থীসহ শিক্ষকদের ভাগ্যে জোটেনি সংযোগ সড়ক। জাতীয়করণের চার বছর অতিবাহিত হলেও গড়ে ওঠেনি পাকা ভবন। বর্তমানে ঐ বিদ্যালয়টিতে তিন জন শিক্ষক দিয়ে মোট ১৬১ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে।

জানা গেছে, চরাঞ্চলের বারোমাসিয়া ও ধরলা নদী বেষ্টিত একমাত্র বিদ্যালয়টিতে আবাদি জমির চিকন আইল দিয়ে যেতে হয়। এবং বারোমাসিয়া নদীর ওপর ঝুঁকিপূর্ণ একটি সাঁকো দিয়ে পার হতে হয়। এতে শিশু শিক্ষার্থীরা পা পিচলে কাঁদামাটিতে পড়ে যায়। বই খাতা ও পরনের কাপড় ভিজে নষ্ট হয়। অপর দিকে জমির মালিকদের বিধিনিষেধ তো রয়েছেই। এর ফলে স্কুলের শিক্ষকসহ শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

শিক্ষার্থী এনামুল হক, দরদী খাতুন, শরীফা খাতুন ও লাল চাঁন বাদশা বলে, ‘বিদ্যালয়ে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। মানুষের আবাদি জমির আইল দিয়ে স্কুলে যাই। অনেক সময় আইল দিয়ে যাতায়াতের সময় পা পিছলে মাটিতে পইড়া যাই, তখন আমাদের বই খাতাসহ গায়ের পোশাকগুলো নষ্ট হয়ে যায়।’

তারা আরো জানায়, শ্রেণি কক্ষ না থাকায় খোলা আকাশের নিচে পাঠদান করতে হয়। বর্ষা মৌসুমে বারোমাসিয়া ও ধরলা নদীসহ জমির আইল পানিতে ডুবে যাওয়ায় আমাদের স্কুলে যাওয়া বিঘ্ন ঘটে।

সহকারী শিক্ষিকা পারুল খাতুন বলেন, বিদ্যালয়ে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। তাই অনেক কষ্ট করে বারোমাসিয়া নদীর ওপর ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হয়ে এবং মানুষের আবাদি জমির আইল দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফুল হক জানান, আমাদের বিদ্যালয়ে সংযোগ সড়ক স্থাপন করা খুবই জরুরি। আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্ট করে মানুষের জমির চিকন আইল দিয়ে বিদ্যালয়ে আসেন। বিদ্যালয়টিতে মাত্র তিনজন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান করা খুবই কষ্টকর।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার হূদয় কৃষ্ণ বর্মণ জানান, ঐ বিদ্যালয়টি খুবই অবহেলিত এলাকায় অবস্থিত। শিক্ষক শিক্ষার্থীরা কষ্ট করে বিদ্যালয়ে আসে। বিদ্যালয়ের সংযোগ সড়কের জন্য উপজেলা পরিষদ ও স্থানীয় ইউপি কার্যালয়ে বিষয়টি জানিয়েছি। তাদের বরাদ্দ না থাকায় এতোদিনে সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়ায় ঐ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট দেখা দিয়েছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT