রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

১১:২৭ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ নয় বছর পর বাবা মায়ের কোলে ফিরল রানু খাতুন ◈ গুনাগরী এ গনি প্লাজায় হলিউড ফ্যাশন’র ইউনিট ২ ও ৩ এর উদ্বোধন ◈ অপপ্রচারের প্রতিবাদে,ডামুড্যায় সতন্ত্র ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন। ◈ কুড়িগ্রামে ওয়ারেন্টভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী আতা মাস্টার গ্রেফতার ◈ তিতাস ইয়াং ফ্রেন্ডস ক্লাব এর উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরণ ◈ জামায়াত-বিএনপি সরকার দেশে লুটপাট করেছে: এমপি শাওন ◈ ফুলবাড়ীয়ায় মসজিদে নগদ অর্থ ও অসহায়দের শীতবস্ত্র প্রদান করেছে প্রবাসী পরিবার মানবিক সংগঠন ◈ সিঙ্গাইরে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা ◈ কালিহাতীতে ট্রাক চাপায় স্কুল ছাত্রী নিহত ◈ মুক্তাগাছায় ভাইয়ের রাস্তা বন্ধ করল ভাই

সেতু আছে সড়ক নেই

প্রকাশিত : ০৫:০৫ AM, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সোমবার ৩৯৬ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

প্রায় ১৫ বছর আগে জনস্বার্থে গ্রামীণ মাটির সড়কে নির্মাণ করা হয়েছিলো একটি সেতু। কিন্তু তারপর থেকেই ওই সড়কটি যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ফলে একটি গ্রামের মানুষকে এখন প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউপির বুজরুক পাকুরিয়া দেখা মেলে সেতুটির। নির্মাণের পর সেতুর সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট না করায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, সাদুল্যাপুর উপজেলার বুজরুক পাকুরিয়া গ্রাম থেকে সাদুল্যাপুর-ঠুটিয়াপকুর পাকা সড়কে উঠার সংযোগ সড়কটি হলো ওই গ্রামের বেলাল হোসেনের বাড়ি থেকে এছাহাক আলীর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এই মাটির সড়ক। এই সড়ক দিয়েই পাকুরিয়া গ্রামের মানুষ চলাচল করতেন।

জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে আশপাশের কৃষি জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য কাঁচা সড়কে এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এতে ব্যয় হয় প্রায় ছয় লাখ টাকা। ‘এসডিএফ’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থা এই সেতু নির্মাণ করে। কিন্তু সেতু নির্মাণের ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও সংযোগ সড়কের মাটি ভরাট করা হয়নি। ফলে এটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।

বুজরুক পাকুরিয়া গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আবুল হোসেন বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে কয়েকবার অবগত করলেও এই সংযোগ সড়কের সেতুটিতে মাটি ভরাট করা হচ্ছে না। ফলে এই গ্রামের মানুষ প্রায় তিন কিলোমিটার পথ ঘুরে সাদুল্যাপুর উপজেলা শহরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
একই গ্রামের কৃষক আছির উদ্দিন বলেন, সেতুর সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট না করায় এ পথে চলাচল করতে পারছি না। এলাকার শত শত মানুষকে বিকল্প সড়ক ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে। ফলে আমরা নানা ধরণের দুর্ভোগে পড়েছি। সড়কে মাটি ভরাট করা হলে মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে। এসডিএফ-এর তৎকালীন গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কমিটির সহ-সভাপতি আবেদ আলী বলেন, সেতুটি নির্মাণের পর মাটি ভরাটের জন্য কোন বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তাই এখনো মাটি ভরাট করা যায়নি। ফলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

খোর্দ্দকোমরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম চৌধুরী শামীম বলেন, সেতু নির্মাণের আগে থেকেই সড়কটি দিয়ে মানুষজনের চলাচল ছিল না। পাশের পাকা সড়ক দিয়েই চলাচল করেন এলাকাবাসী। তারপরও এখানে সেতু নির্মাণ করা হয় কেন? জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, সেটা আমার জানা নেই।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT