রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৫:১৭ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ধামইরহাটে সোনার বাংলা সংগীত নিকেতনের বার্ষিক বনভোজন ◈ ধামইরহাটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ◈ পত্নীতলায় করোনা সচেতনতায় নারীদের পাশে তথ্য আপা ◈ ফুলবাড়ীয়া ২ টাকার খাবার ও মাস্ক বিতরণ ◈ কাতারে ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ফোরামের দোয়া মাহফিল ◈ হাসিবুর রহমান স্বপন এমপির রোগ মুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত ◈ দৈনিক আলোকিত সকালের ষ্টাফ রিপোর্টার আশাহীদ আলী আশার ৪৩তম জন্মদিন পালিত ◈ সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও ফুটবলার রফিকুল ইসলাম স্মরণে দোয়া ও মিলাদ আজ ◈ লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ও‌সির পুরস্কার পে‌লেন ও‌সি আবদুল জ‌লিল ◈ কাতার সেনাবাহিনীর বিপক্ষে বাংলাদেশের পরাজয়

সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঁঙ্গন অব্যাহত দিশেহারা চরাঞ্চলের মানুষ

প্রকাশিত : ০৭:০১ PM, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ Thursday ১৮৮ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঁঙ্গন অব্যাহত থাকায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন চরাঞ্চলের মানুষ। কোনো ভাবে ভাঁঙ্গন মোকাবেলা করতে না পাড়ায় তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। গত একমাসের ভাঁঙ্গনে সহস্রাধিক বসত বাড়িসহ হাজার হাজার হেক্টর জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঁঙ্গনের মুখে পড়েছে আরও হাজার হাজার বসতবাড়ি, আবাদি জমি, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপুর্ণ স্থাপনা। ভয়াবহ বন্যার ধকল সেরে উঠতে না উঠতেই উপজেলার হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, কঞ্চিবাড়ি ও বেলকা ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার লাগামহীন ভাঁঙ্গন চরবাসীকে নাকাল করে তুলেছে। প্রতিবছর নদী ভাঁঙ্গনে উপজেলার আবাদীজমি কমে যাওয়ায় অসংখ্য মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। আতঙ্কিত করে তুলেছে তিস্তার দুই পাড়ের মানুষকে। ভাঁঙ্গনের কারণে প্রতিনিয়ত ঘরবাড়ি সরিয়ে অন্যত্র সরে যাওয়া যেন চরবাসীর জন্য অসহনীয় কষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শ্রীপুর ইউনিয়নের পুঠিমারী গ্রামের রমজান আলী জানান, ৫০ বছর বয়সে তিনি ১০ বার নদী ভাঁঙ্গনের শিকার হয়েছেন। চলতি বছরেও তিনি একবার নদী ভাঁঙ্গনের শিকার হন। পরিবার পরিজন নিয়ে তিনি আর নদী ভাঁঙ্গন মোকাবেলা করতে পারছেন না। কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, জন্মগত ভাবে নদী পাড়ের মানুষ আমি নিজেও। আমি জানি নদী ভাঁঙ্গনের কী কষ্ট ও জ্বালা যন্ত্রণা। নদী ভাঁঙ্গন রোধে নদী ড্রেজিংসহ সরকারের বড় পদক্ষেপ ছাড়া আমাদের পক্ষে কোন কিছু করা সম্ভব নয়। হরিপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চলের বাসিন্দা সাজু মিয়া জানান, নদীর বন্যায় বার বার ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছি। সেটাও সহ্য হয়। কিন্তু নদীর ভাঁঙ্গনে সব কিছু হারাতে হয়।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মজিবর রহমান জানান, নদী ভাঁঙ্গন রোধ, সংস্কার, সংরক্ষণ আসলে বৃহৎ প্রকল্পের প্রয়োজন। এ কাজটি করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ দরকার। তবে এর মধ্যে ৪০৬ কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সোলেমান আলী জানান, ইতিমধ্যে আমরা ভাঁঙ্গন রোধে কিছু জিও ব্যাগ ফেলেছি বিভিন্ন এলাকায়। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী জানান, গত ১১ সেপ্টেম্বর জনস্বার্থে মহান সংসদে নদী ভাঁঙ্গন বিষয়ের উপর জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ উপস্থাপন করা হয়। জবাবে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুন্দরগঞ্জের নদী ভাঁঙ্গন রোধ প্রকল্পের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, নদী ভাঁঙ্গন রোধ, বাঁধ সংস্কার ও সংরক্ষণ বাবদ ৪০৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে পাশ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটি পাশ হলে অল্প সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT