রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২০, ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৫:৪৪ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইভাই নিহত ◈ রাজশাহী মহিলা পলিটেকনিক এর অধ্যক্ষের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করলেন কারিগরি শিক্ষার ফেরিওয়ালা তৌহিদ ◈ নাটোরে সুগার মিল শ্রমিকদের কাফনের কাপড় বেঁধে অবস্থান ◈ নওগাঁয় সাংবাদিক পাভেলের পিতার রুহের মাগফেরাতে দোয়া মাহফিল ◈ ধামইরহাটে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারকে পূনর্বাসন করলেন ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ◈ নাটোরে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আটক ১ জন জেল হাজতে ◈ পরিসংখ্যানের প্রয়োগ অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করবে: রাষ্ট্রপতি ◈ করোনায় প্রধানমন্ত্রী সকল সেক্টরকেই সহায়তা করছেন: তোফায়েল ◈ দেশে করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু ◈ রোহিঙ্গা নৃশংসতার বিচার নিশ্চিত করতে নেদারল্যান্ডস দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: স্টেফ ব্লক

সাহস বাড়লো বিএনপির

প্রকাশিত : ০৫:৩৯ AM, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ Sunday ২০১ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

অনিয়ম-দুর্নীতিতে আলোচিত বর্তমান সময়। আর এই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে বিএনপি। ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে পদ হারানোর পর এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের নিয়মিত আড্ডা! হামলা এলে মোকাবিলার সক্ষমতাও তৈরি। ক্যাসিনো পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজিতে অভিযুক্ত হয়ে যখন আওয়ামী লীগ, যুবলীগের শীর্ষ নেতারা আটক হচ্ছেন কিংবা অন্যরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, ঠিক সেই সময়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি নিয়ে রাজপথে সরব বিএনপি।

একদিকে দলের বড় অংশ সিলেট ও ময়মনসিংহে বিভাগীয় সমাবেশ করছে আরেকটি অংশ ঢাকাতে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিক্ষোভে ফুরফুরে মেজাজে। ক্ষমতাসীন দলের এই দুঃসময়কে কাজে লাগাতে ভালোভাবে মাঠে নেমেছে দলটি। সরকারের সব দুর্নীতি নিয়ে মাঠে-রাজপথে, টকশোতে সমান তালে কথা বলছেন। সরকারের বর্তমান কর্মকাণ্ডে ও খালেদা জিয়ার মুক্তি ইস্যু নিয়ে দেশের বাইরের সরব দলটি।

এছাড়াও দীর্ঘ সময় দলটির যেসব নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে পলাতক ছিলেন তারাও এখন বেরিয়ে আসছেন। বিশেষ করে পল্টন, মতিঝিল, ফকিরাপুল, টিকাটুলি, মগবাজার, কমলাপুর, শাহজাহানপুর এলাকার নেতাকর্মীরা কেউ আর আত্মগোপনে নেই। সবাই খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি যে কর্মসূচির ডাক দিচ্ছেন তাতে অংশগ্রহণ করছেন।

সমপ্রতি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ হ্যাট্টিক সময়ে কঠিন দুঃসময়ে পড়ে। দলের নেতাকর্মীরা, প্রশাসনের ব্যক্তিরা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভিসিরা সবাই অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে। ভাবমূর্তি সঙ্কটে পড়ে দলটি। কোটি টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড় বাধ্য হয়। তার রেশ না কাটতেই ক্যাসিনো পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি করে শত শত কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া যাদের নাম আসছে তারা সবাই যুবলীগ-আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক সাঈদ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, সমবায় সম্পাদক জি কে শামীম, কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ (কালা ফিরোজ) এবং মোহামেডান ক্লাবের লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, হুইপ সামশুল হক চৌধুরী সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী ব্যক্তি।

এছাড়া প্রশাসনের বালিশ কেলেঙ্কারি, পর্দা কেলেঙ্কারি, বই কেলেঙ্কারি এবং সোনা, কয়লা, পাথর হাওয়া হয়ে যাওয়া ক্যালেঙ্কারির সঙ্গে অফিস কক্ষে জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীর আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস হওয়ার ঘটনা এবং সব শেষ কতকাল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ওএসডি হওয়ার ঘটনাতেও সুযোগ নিচ্ছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কেলেঙ্কারি নিয়ে মুখ খুলছেন।

এদিকে দুর্নীতি থেকে বাদ পড়েনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরাও। দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালতের ভিসি ড. ফারজানা ইসলাম, গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আবদুস সোবহান, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর এম অহিদুজ্জামান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এস এম ইমামুল, টাঙ্গাইলের মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আলাউদ্দিন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর মো. আবদুস সাত্তার, ময়মনসিংহের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানসহ শীর্ষ অনেক বিজ্ঞ ব্যক্তি দুর্নীতিতে, অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন।

বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সামপ্রতিক ঘটনাগুলোতে বিএনপির সাহস বাড়লো। খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন, নতুন নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে কথা বলতে সরকারের দুর্নীতিগুলো বোনাস পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে। হামলা- মামলার আতঙ্কে বিএনপির যেসব নেতা দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন, তারাও এখন বেরিয়ে আসছেন। প্রশাসনের বাধা, সরকারি নেতাকর্মীদের বাধা মোকাবিলা করার সক্ষমতা তৈরিতে হয়েছে।

গত মঙ্গলবার সিলেটে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সিলেটে মহাসমাবেশ বাস্তবায়নে প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের দ্বারা কয়েকবার বাধার সম্মুখীন হয়। অতিথিদের জন্য ৫০ ফুটের মঞ্চ তৈরি করা হলে পুলিশ সেটি সন্ধ্যায় ২০ ফুটে নিয়ে আসতে বাধ্য করে। সমাবেশ ঘিরে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় বহু নেতাকর্মীকে। রাত গভীর হলে ভেঙে ফেলা হয় তৈরি করা মঞ্চ। বেলা ১১টা পর্যন্ত ছিলো সমাবেশের নিষেধাজ্ঞা। স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঘোষণা দেন, অনুমতি না দিলেও বিএনপি বাধা উপেক্ষা করে সমাবেশ বাস্তবায়ন করবে। অবশেষে দুপুরের দিকে সমাবেশের অনুমতি পায় দলটি। মুহূর্তেই জড়ো হন লক্ষাধিকা নেতাকর্মী।

এছাড়া গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহে ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভাগীয় মহাসমাবেশ করে দলটি। এদিকে ঢাকাতেও রাখা হয়েছে চলমান কর্মসূচি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের হামলা, বাধার প্রেক্ষিতেও ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সভাপতি ফজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামলের নেতৃত্বে এখন ঢাবিতে ছাত্রদলের মহড়া, মধুর ক্যান্টিনে নিয়মিত আড্ডা চলে। মহাসমাবেশ থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদা জিয়ার মুক্তি নিশ্চিত করতে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার জন্য নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান। তিনি বলেছেন, ‘ভোট চুরি করে জেতা এই সরকার এখন আর জনগণের সরকার নেই। দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে মেঘা প্রকল্পের নামে সব লুটে নিচ্ছে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের লোকজন। খুন, ধর্ষণ বাড়ছে। সরকার গ্যাস বিদ্যুৎ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়াচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগ আসছে না। সব খাতেই বিরাজ করছে বিশৃঙ্খলা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা এখন প্রতিটি ঘরকে ক্যাসিনোর আসরে পরিণত করেছে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির সমাবেশ আর অনুমতি নিয়ে হবে না। নেতাকর্মীরা রাজপথে নামুন, আঘাত এলে পাল্টা আঘাত হবে। এটা সাংবিধানিক অধিকার। মনে রাখবেন খালেদা জিয়ার মুক্তি মানেই গণতন্ত্রের মুক্তি।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, ‘আজকে ছাত্রলীগের রাব্বানী-শোভন সভাপতি-সেক্রেটারি হয়ে যে দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়েছিলেন তা শুধু শোভন-রাব্বানী নয়, এই দলের মধ্যে এমন অনেক শোভন-রাব্বানী রয়েছে। একজন ছাত্রনেতা ৮৬ কোটি টাকা দুর্নীতি করতে পারে এটা আমি কল্পনাও করতে পারি না। ছাত্রনেতা এত টাকা চাঁদাবাজি করবে এটা তো কল্পনার বাইরে।’

তিনি আরো মন্তব্য করেন, ‘এই সরকারের নিয়ন্ত্রণ এখন আর নেই। সেটার প্রমাণ আমরা গত দুই সপ্তাহে পেয়েছি। শামীম, খালেদ আর সম্রাট— এরা মাত্র তিনটি নাম, আরও শত শত নাম আছে এবং শত শত মানুষ আছে যুবলীগ করে, যারা চাঁদাবাজি করে ক্যাসিনো চালায় এবং জুয়ার আসর বসায়। এরা কারা? তারা তো এই নিয়ন্ত্রণহীন দলেরই নেতৃবৃন্দ।’

তিনি আরো বলেন, ‘আজ দুর্নীতি বাংলাদেশের সর্বত্র ছড়িয়ে গেছে। নিজেদের দলের মধ্যে তো আছেই, এমন কি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন উপাচার্য দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত। ১১টি পাবলিক ইউনিভার্সিটির মধ্যে তিনজন উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়েছে। উপাচার্য একজন সম্মানিত ব্যক্তি কিন্তু তারাও আজ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছেন। একই সঙ্গে আদালতেও সর্বত্র দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে।’

সরকারবিরোধী হয়ে উঠছে বিএনপি
সরকারের বর্তমান কর্মকাণ্ডে ও খালেদা জিয়ার মুক্তি ইস্যু নিয়ে বিএনপিকে সরকার বিরোধী মনোভাবে দেখা যাচ্ছে। গতকাল শনিবার তিনটি কর্মসূচিতে বিএনপিকে এ দৃশ্যে দেখা গেছে। নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের সময় বিএনপি বাইরে অবস্থান নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কটূক্তিমূলক স্লোগান দিয়েছে, অন্যদিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বর্তমান সরকারের সাবেক ও বর্তমান সব মন্ত্রী-এমপিদের সম্পদের হিসাব প্রকাশের দাবি জানান। ছাত্রলীগের শোভন-রাব্বানী আর যুবলীগের শামীম-সম্রাটদের পেছনে যে মন্ত্রী-এমপিরা আছে তাদের শনাক্ত করতেও দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য এখন আন্দোলন দরকার। আন্দোলন করেই তাকে মুক্ত করতে হবে।

এছাড়া জাতীয় প্রেস ক্লাবে ব্রি.জে. (অব.) আ স ম হান্নান শাহ স্মৃতি সংসদ আয়োজিত এক স্মরণ সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, যুবলীগের সভাপতি বলেছেন, ৬০টি থানায় ক্যাসিনো ও জুয়া চলেছে, পুলিশ ও র্যাব কি করেছে? তারা কি আঙ্গুল চুষছে। আমরা যুবলীগের নেতার ভাষায় বলতে চাই, প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এ ধরনের অনৈতিক কাজ চলতে পারে না। সুতরাং আমরাও দাবি করছি, প্রশাসনের যেসব ব্যক্তি সহযোগিতা করেছেন- তাদের চিহ্নিত করুন।

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, আজকে আ.লীগের টোকাইদের পকেটে কত টাকা? আর এখন চোররা ধরা পড়ছে, তাই একেক দিন একেক জনের নাম বলে। আর পুলিশ ও র্যাব তাদের না ধরলেও জনগণ তাদের ধরবে। সেই সময় আর বেশি দূরে নেই, যে দিন জনগণই তাদের বিচার করবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT