রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ০৬ জুলাই ২০২০, ২২শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০২:৪৬ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ভালুকায় মামার হাতে ৫ বছরের শিশু ভাগ্নী খুন ◈ শাহজাদপুরে সাংবাদিকদের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম বিতরণ ◈ গংগাচড়ায় মসজিদ ও মন্দির পরিচালনা কমিটির মাঝে এমপির চেক বিতরণ ◈ এমপি মহিব-এর পক্ষ থেকে শিশুদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ◈ পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেনু সাময়িক বরখাস্ত ◈ মাদক বিক্রিতে অস্বীকার করায় স্ত্রীর চোখে স্বামীর কাঁচির আঘাত ◈ কালিহাতীতে হঠাৎ যমুনায় ভাঙ্গন! ৩০ বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন ◈ শ্রীনগরে নৌকা বিকিকিনিতে করোনার প্রভাব ◈ বেনাপোলে ১০৫ দিন পরে রপ্তানি বানিজ্য সচল ◈ আনোয়ারায় টেন্ডারে সুপারিশ না করাই শ্রমিক নেতার উপর যুবদল নেতার সন্ত্রাসী হামলা

সাগর-রুনি খুন: তদন্তের হাল জানাতে হাই কোর্টের নির্দেশ

প্রকাশিত : ০৬:৫৫ PM, ১৪ নভেম্বর ২০১৯ Thursday ১৫৬ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

আলোচিত এই মামলায় নিম্ন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে র‌্যাবের ৬৯তম বারের মতো ব্যর্থতার দিন বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতের এই আদেশ এল।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।

একই সঙ্গে নিজের ক্ষেত্রে মামলা বাতিল চেয়ে আবেদনকারী আসামি মো. তানভীর রহমানের সম্পৃক্ততার বিষয়েও প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে।

৪ মার্চ এই প্রতিবেদনও দিতে হবে। ওই দিনই এই মামলা নিয়ে পরবর্তী আদেশ দেবে হাই কোর্ট।

মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে তাদের ভাড়া বাসায় খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

থানা পুলিশ ও ডিবির হাত ঘুরে ঘটনার দুই মাস পর র‌্যাব তদন্তের দায়িত্ব পায়। এরপর দফায় দফায় সময় নিলেও এখনও প্রতিবেদন দিতে পারেনি তারা, ফলে শুরু করা যায়নি বিচার।

এর মধ্যে তানভীর উচ্চ আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা বাতিলে আবেদন করলে তার শুনানিতে র‌্যাবের তদন্ত নিয়ে গত সোমবার হতাশা প্রকাশ করেছিলেন বিচারকরা।

বৃহস্পতিবারের আদেশে আদালত তানভীরকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।

আদালত বলেছে, দেশের সকল স্তরের মানুষের দৃঢ় প্রত্যাশা ছিল দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত সমাপ্ত করে হত্যার মোটিভ (প্রকৃত কারণ), প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত, গ্রেপ্তার ও বিচারের সম্মুখীন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

“কিন্তু রুঢ় সত্য ও বাস্তবতা হলো, দীর্ঘ সাত বছর অতিক্রান্ত হতে চললেও এ হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম সমাপ্ত এবং প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।”

তদন্ত কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আদালত বলেছে, এই মামলায় এপর্যন্ত মোট ৮ ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হলেও এই হত্যাকাণ্ডের সাথে তাদের কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেননি।

“এফবিআই ৪ ব্যক্তির ডিএনএ শনাক্ত করেছে। তার মধ্যে ২টি ডিএনএ সাগর-রুনির। বাকি দুটি ডিএনএ’র সাথে গ্রেপ্তার আসামিদের ডিএনএ ম্যাচ করেনি। অর্থাত ওই দুই ব্যক্তিকে আজ পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আমেরিকার বিশেষায়িত ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ’র উপর ভিত্তি করে সম্ভাব্য অপরাধীদের ‘অবয়ব’ তৈরির চেষ্টা চলছে।”

চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করতে না পারলে চৌকস বাহিনী র‌্যাবের অন্য সব সাফল্য ম্লান হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছে আদালত।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পি। তানভীর রহমানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ।

সাগর-রুনি হত্যা: র‌্যাবের তদন্ত নিয়ে উচ্চ আদালতের হতাশা

সময় পেছাল ৬৯ বার

মামলা তদন্তের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একের পর এক সময় নিচ্ছে র‌্যাব। ফলে নিম্ন আদালতে পড়ছে শুধু মামলার তারিখ, কিন্তু প্রতিবেদন আসছে না।

ঢাকার আদালতে বৃহস্পতিবারও সাগর-রুনি হত্যামামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তা জমা দিতে পারেননি বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার শফিকুল আলম।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে এফবিআইর ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তিনি আবারও সময় চেয়ে আবেদন করেন। মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তখন ৩০ ডি‌সেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন।

আদালত কর্মকর্তারা জানান, এ‌ নি‌য়ে এই মামলায় প্রতি‌বেদনটি দা‌খি‌লের তা‌রিখ ৬৯ বার পেছাল।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার এক কর্মকর্তা। ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর।

৬২ দিন পর ডিবি ব্যর্থতা স্বীকার করে নিলে হাই কোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাব। র‌্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তার হাত ঘুরে এখন তদন্ত করছেন খন্দকার শফিকুল আলম।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT