রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১, ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০৩:৫০ অপরাহ্ণ

সলঙ্গার ধুবিল আয়শা ফজলার উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরুনের অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৪:২৮ PM, ১২ নভেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার ৭৩৯ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

মোঃ মতিন সরকার, চলনবিল প্রতিনিধি(সিরাজগঞ্জ) :

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার ধুবিল আয়শা ফজলার উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরুনের অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

বোর্ড কতৃক নির্ধারিত ফি’র চেয়ে ৭-৮শ অতিরিক্ত আদায় করছে। অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয় মাঠে ছাত্র-ছাত্রী ও অবিভাবাকরা বিক্ষোভ করে।

 

এবছর বিদ্যালয় থেকে ১১১ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা অংশগ্রহন করবে। বোর্ড কর্তৃক ২০২০ সালে এসএসসি পরীক্ষার ফি বিজ্ঞান বিভাগে ১৯৭০টাকা ,ব্যানিজ্য ও মানবিক বিভাগে ১৮৫০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও তা মানছে না বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধুবিল আয়শা ফজলার উচ্চ বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগ ,ব্যানিজ্য ও মানবিক বিভাগে ২৭শ থেকে ২৮ শ টাকা প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে। কেউ তাদের চাহিদা মত টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের ফরম পুরুন করা হচ্ছে না।

ধুবিল আয়শা ফজলার উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সুলতানা খাতুন, হৃদয় কুমার,জুবায়েরসহ বেশ কয়েক জন ছাত্র-ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে আমাদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে আমরা দিতে অপরগতা স্বীকার করলে তিনি বলেন তোমাদের ফরম পুরন করতে হবে না পারীক্ষা দিতে হবে না বাধ্য হয়ে তাদের চাহিদা মত টাকা দিয়ে ফরম পুরুন করতে হচ্ছে।

ছাত্র-ছাত্রী অবিভাবক আব্দুল জাকের, লিমন জুবায়ের, কানাই রবিদাস,ইব্রাহিম বলেন, এই বিদ্যালয়ের ফরম পুরন এটা নতুন কিছু নয়। প্রতি বছরই এই বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে থাকে। এই বিষয়টা নিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা -উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি অবগত কবেও কোন ফল পাওয়া যায়নি।

ধুবিল আয়শা ফজলার উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক গুলশান আরার সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার কোন অতিরিক্ত ফি আদায় করছি না। আমার প্রতি ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে ২ হাজার থেকে ২১শ টাকা আদায় করছি।

ধুবিল আয়শা ফজলার উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ডা: আব্দুল আজিজের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিফ করেননি।

রায়গঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন জানান, বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও অবিভাবক আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে এসেছিল। আমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকে নির্ধারিত ফি নেবার কথা বলেছি। কিন্তু প্রধান শিক্ষক আমার কথা কোন কর্ণপাত করছে না। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্তা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT