রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ৩০ মে ২০২০, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১০:১১ অপরাহ্ণ

শ্রীনগরে এক রাস্তার ইট অন্য রাস্তায়! চলা ফেরায় দুর্ভোগ

প্রকাশিত : ০৭:৫৪ PM, ১৪ জানুয়ারী ২০২০ Tuesday ১২৯ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

আরিফুল ইসলাম শ্যামল, শ্রীনগর (প্রতিনিধি) প্রতিনিধি:

শ্রীনগর উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের ব্রাহ্মনখোলা-মালিবাগান পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তার কয়েক লাখ ইট উঠিয়ে একই ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের তাজউদ্দিন মৌলভীর বাড়ী থেকে নাছির বাবুর্চির বাড়ী পর্যন্ত ৭৭৫ ফুট রাস্তায় (এইচবিবি পদ্ধতি) ইট বিছানোর কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। ইট না থাকায় বেহাল হয়ে পরেছে ওই রাস্তাটি। মানুষের চলা ফেরায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এর আগে গত ২০১৮ সনের এপ্রিল মাসে সরকারি কোনও বরাদ্দ না হলেও ব্রাহ্মনখোলার ওই রাস্তার ইট উঠিয়ে সংস্কার কাজের নামে ইউপি চেয়ারম্যান রাস্তায় মাটি ভরাটের কাজ শুরু করেন। প্রায় দুই বছরেও রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে উঠেনি। অথচ এলজিইডির ওই রাস্তায় ৬৩ লাখ টাকা ব্যায়ে সাড়ে ৩ লাখ ইট সলিংয়ের কাজ করা হয়েছিলো। ইট উঠিয়ে ফেলায় রাস্তাটি এখন কাঁচা রাস্তায় পরিণত হয়েছে। মানুষের চলাচলে প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খানাখন্দ্বে ভরে গেছে প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে। শ্রীনগর-মুন্সীগঞ্জ সড়কের সংযোগ রাস্তাটি এখন যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী। পুরো রাস্তা জুড়ে উঁচু নিচু ও বড় বড় গর্তে ভরপুর। মাটি ভরাটের আগে এখানে ইট থাকলেও কোথাও কোনও ইটের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে ব্রাহ্মনখোলা ফিরোজের বাড়ির পাশে একটি জমিতে কয়েক হাজার ইটের একটি স্তুপ দেখা গেলেও আর কোথাও ইটের দেখা মিলেনি।

এসময় স্থানীয় খোরশেদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, এই রাস্তায় আগে ইট বিছানো ছিলো। দুই বছর আগে চেয়ারম্যান রাস্তার কাজ করার সময় ইট উঠিয়ে ছিলো। পরে আর বিছানো হয়নি। ইট কোথায় গেছে জানতে চাইলে পাশের জমিতে একটি ইটের স্তুপ দেখিয়ে দেন তিনি। একই রাস্তার শেষে দিকে তাইজদ্দিনের বাড়ীর সামনে থেকে নাসির বাবুর্চির বাড়ী পর্যন্ত রাস্তায় ইট সলিংয়ের কাজ করা হয়েছে। সূত্র মতে জানাযায়, এলজিএসপির ৮ লাখ ৫ হাজার টাকা বরাদ্দে লক্ষ্য ৭৭৫ ফুট রাস্তার কাজ করা হয়েছে। এখানে পুরাতন ও নতুন ইটের ব্যবহার করা হয়েছে। এ সময় সাত্তার মিয়া, বেনু মিয়া, নাজমুল, মো. মিশরের সাথে কথা বলে জানাযায়, গত ৩-৪ মাস আগে এই রাস্তায় ইট বিছানোর কাজ হয়। অন্য রাস্তার কিছু ইট এখানে রয়েছে বলে স্বীকার করেন তারা। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুল আলীমও সত্যতা স্বীকার করেন। তন্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই রাস্তায় সব নতুন ইটের লাগানো হয়েছে। ব্রাহ্মনখোলার ওই রাস্তার সব ইট সংরক্ষিত রয়েছে বলেন তিনি।

উপজেলা প্রকৌশলী আঃ মান্নান জানান, বিষয়টি তার অধীনে নয়। এলজিএসপির বরাদ্দ জেলা পরিষদ থেকে সরাসরি কাজ আসে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT