রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১১:১৫ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ শাহজাদপুরে ইরি-বোরো রোপন শুরু, শৈত্যপ্রবাহের কারনে চিন্তিত কৃষক ◈ কলমাকান্দায় ডাকঘরের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ ◈ সীতাকুণ্ডে ২ ডাকাত আটক গণধোলাই ডাকাত নিহত ◈ লালমোহনে এশিয়ান টেলিভিশনের বর্ষপূর্তি পালিত ◈ শাহজাদপুরে শীতার্তদের পাশে আলোকবর্তিকা হাতে স্কুল শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু ◈ মৌলভীবাজারে নবগঠিত ছাত্রদের ১৯টি ইউনিট কমিটি ৪৮ঘন্টার মধ্যে বাতিলের আল্টিমেটাম ◈ ইউপি নির্বাচন কে সামনে রেখে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ◈ নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা ◈ বিগত দিনে পাশে ছিলেন বর্তমানেও জনগণের পাশে থাকতে চান সফল কাউন্সিলর মোঃহাবিবুল্লাহ ◈ জিনদপুরে মানব কল্যান সংস্থার আয়োজনে ব্যাডবিন্টন খেলার ফাইনাল অনুষ্ঠিত

শিশুকে অ্যালার্জি থেকে রক্ষা করুন

প্রকাশিত : ১১:৪৫ AM, ৫ অক্টোবর ২০১৯ শনিবার ২৩৫ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস,অ্যালার্জি ও অ্যাজমা রোগ বিশেষজ্ঞ

অ্যাজমা বা অ্যালার্জি থেকে শিশুকে রক্ষা করা খুব জরুরি। বিশ্বজুড়ে এ নিয়ে ইদানীং বিস্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকরা। অ্যাজমা বা অ্যালার্জির প্রাদুর্ভাব নির্ভর করে মূলত জেনেটিক এবং পরিবেশের ওপর। পরিবেশগত বিষয়গুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখে শিশুদের কীভাবে ভালো রাখতে পারি, সে ব্যাপারে আলোচনা করা হলো।

একসময় শিশুদের অ্যাজমা বা অ্যালার্জিতে তাদের খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব নিয়ে বেশ বিতর্ক ছিল। সম্প্রতি গবেষণায় অ্যাজমা বা অ্যালার্জির সঙ্গে শিশুদের খাদ্যাভ্যাসের সম্পর্ক বেশ ভালোভাবেই পরিলক্ষিত হয়েছে। যেসব শিশু নিয়মিত (৬ মাস) শুধু মায়ের বুকের দুধ পান করে, তাদের চেয়ে যারা টিনের কৌটার দুধ বা অন্যান্য ডেইরি দুধ পান করে, তাদের অ্যাজমা বা অ্যালার্জিতে আক্রান্তু হওয়ার ঝুঁকি বেশি পরিলক্ষিত হয়।

পরিবার বা বংশে অ্যাজমা বা অ্যালার্জি আছেÑ এমন শিশুদের নিয়ে এক গবেষণা পরিচালিত হয়। বিভিন্ন খাদ্যাভ্যাসের ওপর ভিত্তি করে এসব শিশুকে পাঁচটি গ্রুপে ভাগ করা হয় এবং তাদের ১৮ মাস বয়স পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করা হয়। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, যেসব শিশু শুধু বুকের দুধ পান করেছে এবং ওই সময় তাদের মায়েরা হাইপোঅ্যালার্জিক খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে ২০ শতাংশের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের অ্যাজমা এবং অ্যাকজিমা হয়।

পরবর্তী গ্রুপ, যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য টিনজাত দুধ বা খাদ্য গ্রহণ করেছে এবং তাদের মায়েরা খাদ্য গ্রহণে কোনো পরিবর্তন করেননি, তাদের ৭০ শতাংশ পরবর্তীকালে অ্যাজমা, অ্যালার্জি এবং অ্যাকজিমাসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়। এ ছাড়া যেসব শিশুকে খুব তাড়াতাড়ি শক্ত খাবারে অভ্যস্ত করানো হয়, তাদের অ্যাজমা বা অ্যালার্জির ঝুঁকি বেশি।

অ্যালার্জির ঝুঁকিময় শিশু বা যেসব শিশুর অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি, তাদের প্রথম ৪-৬ মাস শক্ত খাবার না দেওয়াই ভালো এবং প্রথম ১২ মাস তাদের গরুর দুধ, বাদাম, ময়দা এবং মাছ না দেওয়া উত্তম। অনুরূপভাবে জন্মের পর কয়েক মাস যেসব শিশু ধূলিবালি, ধোঁয়া, পরাগ রেণু, মাইট, মোল্ড ইত্যাদির সংস্পর্শে আসে, তাদের পরবর্তী সময় অ্যাজমা, অ্যালার্জি, অ্যাকজিমা ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই শিশুদের ধূলিবালি, ধোঁয়া, পরাগ রেণু, মাইট, মোল্ড ইত্যাদির সংস্পর্শে আসার আগেই ফিল্টার মাস্ক পরিধান করানো উচিত। শিশুকে এসব থেকে রক্ষা করতে যেটা প্রয়োজন তা হলোÑ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু এটা আমাদের দেশে এখনই তা সম্ভব নয়। তাই যেখানে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, সেখানে বাধ্যতামূলক ফিল্টার মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। তা হলেই অ্যালার্জি বা অ্যাজমা থেকে অনেকটাই রেহাই পাওয়া সম্ভব হবে।

চেম্বার : অ্যালার্জি, অ্যাজমা অ্যান্ড হলিস্টিক হেলথ কেয়ার, স্কাইটাচ রাজকোষ

৪৩/আর, ৫/সি পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা

০১৭২১৮৬৮৬০৬, ০১৯২১৮৪৯৬৯৯

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT