রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১০:২১ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ বাজিতপুরে ৩ টি চোরাই মোটরসাইকেল সহ চক্রের ৩ সদস্য গ্ৰেফতার ◈ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ঘাটাইলে শেষ হলো, শারদীয় দূর্গাপুজা ◈ সন্দ্বীপের সাবেক সাংসদ মুস্তাফিজুর রহমানের স্মরণে কাতারে দোয়া মাহফিল ◈ কলেজের খেলার মাঠে ভবন নির্মাণ না করার দাবী ◈ তাড়াশে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবলীগ নেতা নিহত ◈ ধামইরহাটে দূর্গাপুজায় পুলিশের সার্বক্ষনিক টহল, পরিদর্শণে রাজনৈতিক নেতারা ◈ বগুড়ায় শর্মীকে সহায়তায় এগিয়ে আসল কারিগরি শিক্ষার ফেরিওয়ালা তৌহিদ ◈ রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যানকে দাউদপুর ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানের শু‌ভেচ্ছা ◈ নরসিংদীর বেলাবতে পুলিশ সুপারের পক্ষ হতে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে উপহার সামগ্রী বিতরন ◈ ভেদরগঞ্জে ৭ বছর শিশু ধর্ষণ, থানায় মামলা আসামি পলাতক

লক্ষাধিক মানুষ মৃত্যুঝুঁকিতে

প্রকাশিত : ০৬:০০ AM, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ Saturday ২২৬ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

 

প্রথমবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর ঝুঁকি কম থাকলেও সে ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায় দ্বিতীয়, তৃতীয়বার আক্রান্ত হলে। সঙ্গত কারণেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী বছরও যদি এবারের মতো ডেঙ্গুর প্রকোপ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে, তা হলে মৃত্যুঝুঁকিতে পড়ে যাবে লাখ লাখ মানুষ। কারণ চলতি বছর অন্তত দুই লাখ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। কাজেই আগাম সচেতনতার অংশ হিসেবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে বছরব্যাপী কার্যক্রম চালু রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রসঙ্গত, চলতি বছর রাজধানীসহ দেশের সব জেলা মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৮৩ হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের তথ্য এটি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়ে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ ঢাকার ১২টি সরকারি ও ২৯টি বেসরকারি হাসপাতালসহ মোট ৪১ প্রতিষ্ঠান এবং ৬৪টি জেলার সিভিল সার্জনদের অফিস থেকে প্রাপ্য তথ্যের ভিত্তিতে কন্ট্রোল

রুম মোট রোগীর সংখ্যা নির্ণয় করে। কিন্তু রাজধানীর ৪১টি হাসপাতালের বাইরেও অসংখ্য হাসপাতাল-ক্লিনিক রয়েছে, যেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং অনেকে হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। জেলাগুলোর ক্ষেত্রেও তা-ই। সরকারি হাসপাতাল ছাড়াও বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে অনেক রোগী ভর্তি হয়েছেন, অনেকে ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয়েছেন। এসব

যুক্তি দেখিয়ে বলা হচ্ছে, প্রকৃতপক্ষে দেশে এবার দুই লাখেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫০৮ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ভর্তি হন ১৬৫ জন। ঢাকার বাইরে এ সংখ্যা ৩৪৩।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারি থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সর্বমোট ভর্তি ডেঙ্গু রোগী ৮৩ হাজার ৯৮৯ জন। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছে ৮১ হাজার ৬২৮ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২ হাজার ১৫৮ জন।

বিশেষজ্ঞরা চিকিৎসকরা বলেছেন, এডিস মশা ডেঙ্গু রোগ ছড়ায়। এপ্রিল থেকে অক্টোবর ডেঙ্গু রোগ ছড়ানো বাহক এডিস মশার উপদ্রব বাড়ে। তবে এই ডেঙ্গুর যে আউটব্রেক হয়েছে এটি এখন সারাবছরই থাকবে। তাই আগামী মৌসুমে যেন ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য সারাবছরই মশক নিধন ও জনসচেতনতা বাড়ানোর কাজগুলো অব্যাহত রাখতে হবে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ বলেন, এডিস মশা বেশি হওয়ার কারণে এই বছর ডেঙ্গু রোগী বেশি হয়েছে। প্রায় ৮৩ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর বাইরেও অনেক রোগী বাসা থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। আগামী বছর ডেঙ্গু বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী কত বছর পর্যন্ত ডেঙ্গু থাকবে জানি না। ডেঙ্গু প্রতিরোধের ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার আবাসস্থল নিয়মিত ধ্বংস করতে হবে।

সারাদেশে এডিস মশার সার্ভাইল্যান্স করে দেখতে হবে কোথায় এডিস ইজিপ্টি ও এডিস অ্যালবোকিপ্টাস পাওয়া যায়। এর পর ডেঙ্গু মশা নিধনের কাজ করতে হবে। ডেঙ্গুর আবাসস্থল ধ্বংস করতে মানুষের ওপর নির্ভর করলেই হবে না। আমাদের ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের সামাজিক আন্দোলন করতে হবে। এ জন্য পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর ও মেম্বাররা স্থানীয়দের নিয়ে এলাকায় এলাকায় টিম গঠন করবেন। এই টিমের কাজ হবে ১৫ দিন পর পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডেঙ্গুর আবাসস্থলগুলো ধ্বংস করছে কিনা তা তদারকি করা। তা হলে স্থানীয়রা ডেঙ্গুর আবাসস্থল ধ্বংস করবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সেকেন্ডারি বা দ্বিতীয়বার ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার ১ থেকে ৫ শতাংশ। গত ৩০ জুলাই দুপুরে বিএসএমএমইউর ডা. মিল্টন হলে এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগে ডেঙ্গু নিয়ে গবেষণা করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ১৬ থেকে ৩০ বছর বয়সী মানুষ বেশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ লোকের সংখ্যা বেশি। বিগত ৮ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতিবছরই আগস্ট মাসে সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল। তিনি বলেন, ডেঙ্গু এডিস ইজিপ্টি ও এডিস এলবোকিপ্টাস মশার মাধ্যমে ছাড়ায়। মানুষ চারটি সেরোটাইপ দ্বারা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়।

বিগত ২০০০ সালের ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের সময় আমাদের ভাইরোলজি বিভাগের গবেষণায় সেরোটাইপ-১ অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছিল। এর পর ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত গবেষণায় সেরোটাইপ-১ এবং ২ পাওয়া গিয়েছিল। ২০১৭ সালে আইসিডিডিআরবির গবেষণায় সেরোটাইপ-৩ অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছিল। এই বছরের গবেষণায় কিছু কিছু নমুণায় সেরোটাইপ-৪ এর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, কেউ প্রথম একটি সেরোটাইপ দিয়ে আক্রান্ত হওয়ার পর যদি দ্বিতীয়বার অন্য একটি সেরোটাইপ দিয়ে আক্রান্ত হয় সেটিকে আমরা বলি সেকেন্ডারি ডেঙ্গু ইনফেকশন। সেকেন্ডারি ডেঙ্গু হেমরেজিক ও ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হয়ে থাকে। প্রথমবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়, সেগুলো দ্বিতীয়বার আক্রান্ত ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে না। বরং ওই ভাইরাস আরও বেশি পরিমাণে শরীরে উৎপাদন হয়। এতে আমাদের শরীরে কিছু রাসায়নিক পদার্থ বেড়ে যায় ও আমাদের শক সিনড্রোম হয়। ফলে আমাদের প্লেটিলেট কমে যায় এবং রক্তজমাট বাঁধার উপাদান কাজ করতে পারে না।

তখন ব্লিডিং শুরু হয়। সেকেন্ডারি বা দ্বিতীয়বার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুঝুঁকি ১ থেকে ৫ শতাংশ।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান বলেন, হাসপাতালে যারা ভর্তি হয়েছেন তার বাইরেও রোগী ছিলেন। সাধারণত পর পর ২ বছর খারাপ অবস্থা হয় না। কারণ এই বছর ডেন-৩ দ্বারা ডেঙ্গু বেশি হয়েছে। যারা ডেন-৩ দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে, তারা এই সেরোটাইপ দ্বারা আক্রান্ত হবে না। অন্য সেরোটাইপ মানে ডেন-২ বা ডেন-৪ দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। যারা দ্বিতীয়বার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবে, সে কারণে তাদের মৃত্যুঝুঁকি বেশি। তবে মশক নিধন যদি সারাবছর চালানো হয় আগামী কয়েক বছর পর এই বছরের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

মশক নিধন ও অন্য কার্যক্রম সারা বছর চালিয়ে রাখতে হবে। এখন ডেঙ্গু বাড়ছে বলে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, এসব ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে হবে। বন্ধ করে দিলে হবে না। ব্যবস্থা বলতে লার্ভিসাইট স্প্রে করা ও বড় মশা মারতে ফগিং করার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, এসব বিষয় চালু রাখতে হবে। অন্যথায় আগামী বছর পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. একেএম শামসুজ্জামান বলেন, ডেঙ্গু এক বছরের জন্য আসেনি। যে দেশে ডেঙ্গু একবার ঢুকেছে সেসব দেশ এখনো ডেঙ্গুমুক্ত হতে পারেনি। আমাদের দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি ছিল। দেশের অনেক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের কেউ হাসপাতালে আবার কেউ বাসায় চিকিৎসা নিয়েছেন। এই বছর নতুন ভাইরাস দ্বারা অর্থাৎ সেরোটাইপ (ডেন-৩ এবং ডেন-৪ ভাইরাস) দ্বারা আক্রান্ত হওয়ায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু মৃত্যু খুবই কম হয়েছে। যারা এই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন তারা একই সেরোটাইপ দ্বারা আক্রান্ত হবেন না। যদি তারা অন্য একটি সেরোটাইপ দিয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন, তা হলে তাদের মারাত্মক ডেঙ্গুর লক্ষণ প্রকাশ পাবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার জানান, ঢাকার ১২টি সরকারি ও ২৯টি বেসরকারি হাসপাতালসহ মোট ৪১ প্রতিষ্ঠান থেকে ডেঙ্গু রোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত ৮৩ হাজার ৪৮১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৩৮, ফেব্রুয়ারিতে ১৮, মার্চে ১৭, এপ্রিলে ৫৮, মে মাসে ১৯৩, জুন মাসে ১

হাজার ৮৮৪, জুলাই মাসে ১৬ হাজার ২৫৩, আগস্টে ৫২ হাজার ৬৩৬ এবং সেপ্টেম্বরের এই পর্যন্ত ১২ হাজার ৩৮৪ জন। ডেঙ্গু আক্রান্তদের ৯৭ শতাংশ চিকিৎসাসেবায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে। গতকাল সকাল পর্যন্ত ২০৩ জনের জনের মৃত্যুর তথ্য আইইডিসিআরে ডেথ ভিউ কমিটিতে জমা হয়েছে। কমিটি ১১৬টি মৃত্যুর কারণ পর্যালোচনা করে ৬৮ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে নিশ্চিত করেছে। বাকি মৃত্যুর ঘটনাগুলো পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT