রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

১০:৪৮ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ “মানুষ মানুষের জন্য” কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন এমপি ◈ রংপুর সদরের সদ্যপুষ্করিনীতে কর্মহীন ও দুস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ ◈ অসহায়দের বাড়িতে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিলো যুবলীগ নেতা রাজু ◈ আখাউড়ায় করোনা মোকাবেলায় দরিদ্র মানুষের পাশে নেই জন প্রতিনিধিরা ◈ ময়মনসিংহে জেএমবি’র ৪ সদস্য গ্রেপ্তার ◈ গৌরীপুরে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সামগ্রী ও হতদরিদ্রের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেন মোহনা এন্টারপ্রাইজ ◈ তালোড়ায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার উদ্যোগে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ ◈ ঈশ্বরদীতে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, আটক -১ ◈ সাধনপুরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন চেয়ারম‌্যান  ◈ বাঁশখালীর পুইঁছুড়ি পাহাড়ী এলাকায় থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

মৃত্যুকূপ চাঁদপুর ট্রায়াঙ্গেল

প্রকাশিত : ০৪:৪৪ PM, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ Tuesday ৫,৮৫৪ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এর কথা সবার জানা থাকলেও চাঁদপুর ট্রায়াঙ্গেল সম্পর্কে অনেকেই তেমন কিছু জানেন না। পাঠকদের জন্য আজ আমাদের আয়োজন রহস্যে ঘেরা চাঁদপুর ট্রায়াঙ্গেল সম্পর্কে।

বিশাল ঘূর্ণিপাক। চারপাশ থেকে প্রবাহিত হচ্ছে তীব্র স্রোত। ভয়ঙ্কর ওই ঘূর্ণিপাকে কিছু পড়লে তার আর হদিস মেলে না। এমনকি বড় বড় যাত্রীবাহী লঞ্চও তলিয়ে গেছে এখানে, যেগুলোর সন্ধান কোনোদিনই আর পাওয়া যায়নি। বলছি চাঁদপুরের ত্রিনদীর সঙ্গমস্থলের কথা, যা স্থানীয়ভাবে কোরাইলার মুখ নামেও পরিচিত।

পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া তিন নদী এসে মিলেছে এখানে। নদীগুলো তিনদিক থেকে প্রবাহিত হয়ে মিশে যাওয়ায় সেখানে পানির বিশাল এক ঘূর্ণিগর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই ট্রায়াঙ্গেলে পড়েই নিখোঁজ হয়েছে শত শত মানুষ, লঞ্চসহ কার্গো কিংবা ট্রলার। তিন নদীর এ সঙ্গমস্থল যেন এক মৃত্যুকূপ।

মোহনাটি নদীর একেবারে তীরে অবস্থিত। সাধারণত নদীর তীর অগভীর থাকে। তবে আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, নদীর তীরে হওয়া স্বত্ত্বেও এই মোহনা অনেক গভীর। বর্ষাকালে এটি রূপান্তরিত হয় মৃত্যুকূপে। পানির ভয়ঙ্কর ঘূর্ণি দেখে মানুষের মনে শিহরণ জাগে। এই মোহনা নিয়ে লোকমুখে অনেক গল্প প্রচলিত রয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কাউন্সিলর ফরিদা ইলিয়াস বলেন, মোহনায় দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। জেলে নৌকা, মালবোঝাই ট্রলার ও যাত্রীবাহী ট্রলার প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। আমরা এসব দুর্ঘটনা এড়াতে সর্বদা কাজ করছি। যতদিন ডুবচর ও বিপরীত পাশের চরগুলো খনন করা না হবে, ততদিন এখানে স্রোত কমবে না। স্রোতের কারণে শহর রক্ষা বাঁধও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্রোতের গতিপথ পরিবর্তন হলে এখানে দুর্ঘটনা কমে আসবে। এদিকে বিপরীত পাশের চর জেগে ওঠায় পদ্মা নদীতে ইলিশ ঢুকতে পারছে না। এজন্য ইলিশ আহরণও হুমকিতে রয়েছে।

চাঁদপুর নৌ থানার ওসি মো. আবু তাহের বলেন, মোহনাটিতে সবসময়ই প্রবল ঘূর্ণি স্রোত বয়ে যেতে থাকে। যার কারণে নৌযানগুলো দুর্ঘটানার শিকার হয়। এখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে আমরা সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করি। এছাড়া, ঝুঁকি কমাতে এ স্থানে সতর্কতা জারি করা হয়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT