রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৪:৫৮ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ত্রিশালে বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ◈ গংগাচড়ায় ভিক্ষুক পূনর্বাসনে গাভী, অটোরিকশা, ও দোকান ঘর বিতরণ করলেন- এমপি রাঙ্গা ◈ টুপামারী ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে জেলা পুলিশের ব্রিফিং ◈ দুর্গাপুরে সরকারী কলেজের ভর্তি বানিজ্যের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ◈ মাদার তেরেসা গোল্ডেন এ‍্যাওয়ার্ড -২০২০ পেলেন ওসি গংগাচড়া ◈ কিশোরগঞ্জে সিঙ্গেরগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ৪ তলা ভবনের শুভ উদ্ভোধন ◈ পঁচাত্তরের পর সম্ভাবনা আর অধিকার হারিয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী ◈ বগুড়ার শেরপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে গণধর্ষণ, দুই ধর্ষক ও এক গ্রাম্য মাতব্বর গ্রেফতার ◈ ধুনট সরকারি কলেজে বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন ◈ ধুনটে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে ৩ ব্যবসায়ীর জরিমানা

মিটারের আওতায় আসছে গ্যাসের সব গ্রাহক

প্রকাশিত : ০৫:৫৭ AM, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ Sunday ১৭৯ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি শুরু হলেও, খুব শিগগির বাসা বাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। শুধু তাই নয়, আগামী দিনে বাসা বাড়িতে চুলা হিসেবে গ্যাসের সব গ্রাহককে মিটারের আওতায় আনার চিন্তাভাবনা চলছে। এ ব্যাপারে জ্বালানি বিভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস বরাদ্দ নীতিমালা তৈরি করেছে। এর পাশাপাশি গ্রাহকদের মিটার কেনার ব্যাপারেও আলাদা একটি নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। যা আবাসিক পর্যায়ে খোলা বাজার থেকে প্রি-পেইড বা স্মার্ট গ্যাস মিটার কেনা ও স্থাপনা নীতিমালা হিসেবে পরিচিত হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস বরাদ্দের ক্ষেত্রে বেশ কিছু অগ্রাধিকার তালিকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে শিল্প, সার, বিদ্যুৎ, ক্যাপটিভ পাওয়ার, চা বাগান, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও গৃহস্থালি। নীতিমালা অনুসারে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সিএনজি খাতে পাইপ লাইন গ্যাস সরবরাহের পরিবর্তে ব্যাপকভাবে এলপিজি অর্থাৎ তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস সরবরাহ করা হবে। আর এর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। কোন বিবেচনায় অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে, সে ব্যাপারে জ্বালানি বিভাগের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, দেশে গ্যাসনির্ভর যে সব খাত কিংবা প্রতিষ্ঠান বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে শুধু সেসব খাতে গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হবে। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিক অঞ্চলে যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে সেখানেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সরকার যে কটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রাধিকার বিবেচনায় রয়েছে। তবে হাসপাতালে গ্যাস সরবরাহের বিষয়টি বিবেচনায় থাকবে। একই সঙ্গে সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের জন্য শিথিল করা হবে।

জানা গেছে, প্রাকৃতিক গ্যাস বরাদ্দ নিয়ে নীতিমালা নিয়ে মন্ত্রণালয়ে কয়েক দফা আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে। কিন্তু এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি সার সংক্ষেপ খুব শিগগির পাঠানো হবে। গ্যাস উৎপাদন থেকে শুরু করে আমদানি, সঞ্চালন ও বিতরণ পর্যন্ত একটি মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। যে কারণে সব গ্রাহককে মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তবে যে মিটার চালু করা হবে তা অত্যন্ত আধুনিক। মিটারের আওতায় আনা হলে গ্রাহক গ্যাসের ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন হবে। এর পাশাপাশি সাশ্রয় হবে অনেক গ্যাস। কারণ অনেকে অযথা গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখে শুধু একটি দিয়াশলাইয়ের কাঠি বাঁচানোর জন্য। এ ছাড়াও অনেকে গ্যাসের চুলায় তাদের কাপড় শুকায় ।

জ্বালানি বিভাগের অপর একটি সূত্র জানায়, এলএনজি আকারে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। তাই বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের দিকে যেতে হবে। গাড়িতে অটো গ্যাস ব্যবহারের ব্যাপারে উৎসাহিত করা হবে। অর্থাৎ পরিবহন খাতে সিএনজির পরিবর্তে অটোগ্যাস উৎসাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সববরাহ সীমিত করার চিন্তাভাবনা চলছে।

এদিকে, আবাসিক পর্যায়ে খোলাবাজার থেকে প্রি-পেইড কিংবা স্মার্ট গ্যাস মিটার কেনা ও স্থাপনের জন্য একটি আলাদা নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এই খসড়া নীতিমালা নিয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নীতিমালায় প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে, মিটার ব্যবহারের ফলে গ্যাসের অপচয় কম হয়। একই সঙ্গে আবাসিক পর্যায়ে গ্যাস সাশ্রয়ের সম্ভাবনা বাড়ে। এ ছাড়া প্রি-পেইড মিটার ব্যাপকভাবে চালু হলে সিস্টেমে গ্যাসের সঠিক হিসাব রাখা যাবে। একই সঙ্গে গ্রাহক পর্যায়ে প্রকৃত ব্যবহার অনুযায়ী বিল আদায় করা সম্ভব।

এ নীতিমালা তৈরির উদ্দেশ্যে নিয়ে জ্বালানি বিভাগের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, দ্রুত আবাসিক পর্যায়ে গ্যাসের প্রি-পেইড স্মাট মিটারের টেকসই সংযোগ হবে। আবাসিক পর্যায়ে গ্যাসের অপচয় ও সিস্টেম লস কমে আসবে। গ্যাসের প্রকৃত ব্যবহারের ভিত্তিতে বিলিং ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ সেবাকে জনবান্ধব করা হবে। নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, আগ্রহী যেকোনো আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বা মিটার প্রস্তুতকারক বেশ কিছু শর্তে মিটার বাজারজাত করতে পারবে। আবাসিক পর্যায়ে মিটার স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কাছে আবেদন করতে হবে। সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন ছাড়াও আরও কিছু মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে গ্রাহকরা। নীতিমালায় গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কী দায়িত্ব থাকবে তা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রাহকের করণীয় সম্পর্কে ৯টি বিষয় বলা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, মিটার কেনার সময় সব ধরনের কাগজপত্র সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা। এ ছাড়াও পেট্রোবাংলার দায়িত্ব বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT