রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০২:১০ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ চাটখিলে ব্রাকের এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত ◈ ঐতিহ্যের স্মারক বিক্রমপুর জাদুঘর ◈ মুক্তাগাছায় নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা গ্রেফতার ◈ মুক্তাগাছায় নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা গ্রেফতার ◈ কলমাকান্দায় যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ◈ তাহিরপুরে দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সাথে থানা পুলিশের মতবিনিময় ◈ ভালুকায় তিতাস গ্যাস অফিসের অনিয়ম-দুর্নীতি এখন ‘নিয়ম’ ◈ করোনার কারনে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে এক প্রতিষ্ঠানের ৮৫ স্কুল ছাত্রী ◈ হামলার প্রতিবাদে শরীয়তপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের অবস্থান ◈ বেলান নদীর সাঁকো ভেঙে লাখো মানুষের ভোগান্তি

মহিষ, ভেড়া, ধাঁড়ী ছাগলের মাংশ যায় কই!


Warning: Illegal string offset 'text' in /home/alikitosakal/public_html/wp-content/themes/smrlit/functions/reporters.php on line 774

প্রকাশিত : ১২:১১ AM, ৫ অক্টোবর ২০১৯ শনিবার ৭১১ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট
Warning: Illegal string offset 'text' in /home/alikitosakal/public_html/wp-content/themes/smrlit/functions/reporters.php on line 774
:
alokitosakal

প্রতিদিন ডুমুরিয়া উপজেলা সহ জেলা সদরে বিপুল পরিমাণে ভেড়া, ধাড়ী ছাগল, গাভী, মহিষ ক্রয় করে আনেন মাংস বিক্রেতারা। হোটেল- রেস্টুরেন্ট গুলোতে খেতে গেলে খাসি আর গরুর মাংস বলে সেগুলো চালিয়ে দেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী বিক্রির জন্য আনা এসব গৃহপালিত প্রাণি জবাই করার পর সেগুলোর গায়ে কোনটা কোন প্রাণির মাংস সেটির সীল দেয়ার কথা রয়েছে। কার্যতঃ তা দেখা যায় না। যাদের দেখভালের দায়িত্ব এগুলো তারা এর কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। প্রাণির মাংস নিয়ে তাই চলছে প্রতারণা। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভোক্তারা।

জেলা-উপজেলার কসাইখানাতে জবাইয়ের পর মহিষ হয়ে যাচ্ছে গরু আর ভেড়া, ধাঁড়ী, হয়ে যাচ্ছে খাসি। অতি মুনাফার লোভে এমন প্রতারণা করছেন মাংস ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্ট মালিকরা। তেহারি, কাচ্চি বিরিয়ানী বা ভুনা খিচুড়িতে মহিষ বা ছাগলের মাংস দিয়ে তা গরু/খাসি হিসেবে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।
এমন কারসাজিকে ক্রেতাদের সঙ্গে চরম প্রতারণা বলছেন ভুক্তভোগীরা। নগরীসহ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রাণির মাংশ নিয়ে এভাবে চলছে প্রতারণা। নগরীর শান্তিধামের মোড় ও ময়লাপোতা মোড়ের সন্ধ্যা বাজারের সামনে প্রতিদিন পিকআপ বা ট্রাকে আনা হয় খাসী, ধাড়ী ও ভেড়া। সেখান চলে যায় বিভিন্ন কসাইয়ের দোকানে। পশু জবাইযের পর সেটাতে কোন প্রাণির মাংস সেটি সীল দেয়ার দায়িত্ব কেসিসির ভেটেরিনারী বিভাগের। কিন্তু কোন পশুর মাংশের গায়ে এমন সীল কালেভদ্রে চোখে পড়ে না। যদিও সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বলছে কসাইখানায় তাদের লোক থাকে তারা যাচাই বাছাই করে তাতে সীলমোহর লাগিয়ে দেয়।

জেলা উপজেলার নামী-দামী রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে ছোট তেহারির দোকানে এসব মহিষের বা ভেড়া এমনকি ধাড়ী ছাগলের মাংস ব্যবহার হয় বলে জানান মাংশ ব্যবসায়ীরা। তবে মাংস নিয়ে এমন প্রতারণার অভিযোগ প্রথমত মানতে চান না রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা। পরে মহিষের মাংসের বিভিন্ন ভাল দিক তুলে ধরা হলে বেরিয়ে আসে সত্যতা। তাছাড়া রেস্টুরেন্টগুলোতে গরু, খাসি ও মুরগীর মাংসের তালিকা দেয়া থাকলেও মহিষ কিংবা ছাগির মাংসের কোন তালিকাই নেই। তাই এটাকে চরম প্রতারণা হিসেবেই দেখছেন ক্রেতারা। ক্রেতারা বলছেন, এটা আমাদের সঙ্গে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের প্রতারণা। আমরা না জেনে প্রতিনিয়ত তাদের কাছ থেকে ঠকছি। গরু মনে করে মহিষ খাচ্ছি। এটা আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তরের সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মাংস বিক্রেতাকেই নিশ্চিত করে বলতে হবে এটি কোন পশুর মাংস। জবাইরের পর কিন্তু গরু, মহিষ বা খাসি কিনা তা আর বোঝার তেমন উপায় থাকে না। বিশেষজ্ঞরা ছাড়া এটি ধরতে পারেন না। গরুকে গরু, মহিষকে মহিষ বা ছাগীকে ছাগীর মাংস বলাই শ্রেয়। ভেটেরিনারী বিভাগের লোক উপস্থিত থেকে কসাইখানায় সেখানে গরু ও ছাগল বলে মাংসের গায়ে সীল দিয়ে নিশ্চিত করতে হয়। এক্ষেত্রে দেখা হয় জবাইকৃত পশুটি অখাদ্য কিনা। তবে যিনি মহিষ খান না, তাকে গরুর নামে মহিষ খাওয়ানো প্রতারণা ছাড়া কিছু না। এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT