রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ১০ মে ২০২১, ২৭শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ

উল্লাপাড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা

বিধ্বস্ত কোচ ও ইঞ্জিন যাচ্ছে সৈয়দপুর কারখানায়

প্রকাশিত : ০৬:৪১ AM, ২৪ নভেম্বর ২০১৯ রবিবার ১৪৫ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

পার্বতীপুর রেলওয়ে ইয়ার্ডে মেরামতের অপেক্ষায় রাখা হয়েছে রংপুর এক্সপ্রেসের পুড়ে যাওয়া কোচ। গত শুক্রবার রাতে ১৩/১৬ কোচ বহরটি পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনে এসে পৌঁছালে তা রেলওয়ে ইয়ার্ডের নিরাপদ স্থানে রাখা হয়। ট্রেনের ইঞ্জিন (২৯২০) রেলওয়ে লোকোশেডে রাখা হয়েছে। ট্রেন দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত কোচগুলো মেরামতের জন্য সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন দুর্ঘটনায় পুড়ে যাওয়া আন্তঃনগর রংপুর এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ সবগুলো কোচ মেরামতের জন্য পাঠানো হলে বৃহস্পতিবার রাতে সেগুলো পার্বতীপুরে আসে। পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনের হেড ট্রেন্স ক্লার্ক মো. ফজলুল হক জানান, রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের দুর্ঘটনাকবলিত লোকোমোটিভকে মেরামতের জন্য পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় নিয়ে গিয়ে সেখানে নির্ধারিত হবে ইঞ্জিনটিতে কোন্ কোন্ যন্ত্রংাশ পুড়ে গেছে এবং কোন্ কোন্ যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়েছে। ইঞ্জিন মেরামত করতে কোন্ কোন্ যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হবে এবং মেরামত করে আবার রেল বহরে যুক্ত করতে কতদিন সময় লাগবে সেটিও কারখানার দক্ষ প্রকৌশলী, কারিগররা বলতে পারবেন। তিনি আরো জানান, সবগুলো কোচ এখন পার্বতীপুর রেলওয়ে ইয়ার্ডে রাখা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশি দক্ষ কারিগররা এগুলো দেখবেন বলেও জানান তিনি। এরপর ভালো কোচগুলো ধোয়া-মোছার পরে রংপুরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। আর যেসব কোচ পুড়ে গেছে অথবা দুমড়ে-মুচড়ে গেছে সেগুলো মেরামতের জন্য সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় পাঠানো হবে।

অপর একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, আগুনে পুড়ে যাওয়া এসি স্লিপার ১২১৫, এসি চেয়ার ১৩২৭, দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া কোচ ১৩৩২ ও ১৩৩৭, পাওয়ার কার ১১০৯ পার্বতীপুরে আনা হয়েছে। এরসঙ্গে শোভন চেয়ার ১০৫১, ১০৪৪, ১০৩৮, ১০৪৫, ১০৪০, ১০৪৬ ও ১৪১৫ কোচও রয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মো. শফিকুর রহমান জানান, রেলওয়ের পাকশী বিভাগ ও পশ্চিম জোনের অধীনে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি এ তদন্ত কমিটি জানাবেন। তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়ার এবং বাংলাদেশি এক্সপার্টরা ক্ষতিগ্রস্ত কোচগুলো দেখবেন। তবে দুর্ঘটনা কিংবা আগুনে পুড়ে ক্ষতি হওয়া কোচের ব্যাপারে ইন্দোনেশিয়ার এক্সপার্টদের কিছু করণীয় থাকবে না।

তিনি আরো জানান, অক্ষত কোচসমূহের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন পার্বতীপুর ক্যারেজ ডিপো। রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার পর বর্তমানে লালমনি এক্সপ্রেস ও রংপুর এক্সপ্রেসের আগের সাদা রঙের দুটি রেক চালু করা হয়েছে। আগের দুটি সাদা রঙের রেক ও নতুন দুটি লাল-সবুজের রেক নিয়ে মোট চারটি রেক দিয়ে লালমনি এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস ও আন্তঃনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করছে। এসব কোচ ও ইঞ্জিন দেখতে মানুষেরা ভিড় করছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT