রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২০, ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ পটুয়াখালীতে ভারি বর্ষনে জনজীবন বিপর্যস্ত, ক্ষতি হতে পারে আমনের ◈ নাটোরের লালপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ◈ নাটোরে এমপির নির্দেশে নলডাঙ্গা পৌরসভার রাস্তা সংস্কার কাজ শুরু ◈ নাটোরের বাগাতিপাড়ায় এক শিক্ষককে কারাদণ্ড দিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত ◈ শুভ্র’র খুনীদের ফাঁসির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তানদের মানববন্ধন ◈ ধর্ষণ মামলার আসামী শরীফকে সাথে নিয়ে পুলিশের অস্ত্র উদ্ধার ◈ টঙ্গীবাড়িতে মা ইলিশ ধরার অপরাধে ৯ জেলেকে কারাদণ্ড ১জনকে অর্থদণ্ড ◈ ধামইরহাটে প্রতিহিংসার বিষে মরলো ১৫ লাখ টাকার মাছ, আটক-২ ◈ হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের ঐতিহ্যবাহী কুপি বাতি ◈ ভালুকায় কোটি টাকা মুল্যের বনভুমি দখল রহস্যজনক কারনে নিরব বনবিভাগ
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়

বিদ্যা যেখানে পাচ্ছে লয়!

প্রকাশিত : ০৯:১৭ AM, ১ অক্টোবর ২০১৯ Tuesday ১৪১ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যা-শিক্ষা কতটুকু হচ্ছে, একটি যথার্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ধরে রাখতে কতটুকু সমর্থ হচ্ছে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো- এ প্রশ্ন দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি উপাচার্য বিতর্ক ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভেতরকার নানা ফাঁক-ফোকর বেরিয়ে আসায় ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছে উচ্চশিক্ষার আলয়গুলো। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, বিদ্যা যেখানে লয় পাচ্ছে সেটাই কি বিশ্ববিদ্যালয়! এ প্রশ্নে জোরালো ভিত দিয়ে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক একটি গবেষণায় বিশ্বসেরা এক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান না পাওয়া। যে বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গর্বের ধন, আদর করে যেটিকে ডাকা হয় ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ সেই প্রতিষ্ঠানেরই যদি এমন হাল হয়; আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে ন্যূনতম স্থান ধরে রাখতে না পারে স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে- এ কেমন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান! শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, উপাচার্য কে কী করছেন? স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ নেই এটা এখন কেউই বিশ্বাস করে না। বস্তুত প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ হচ্ছে রাজনৈতিক মতাদর্শে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বিশেষ বিবেচনায়। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি- আচার্য রাষ্ট্রপতির পরই যার স্থান, তিনি নিজের পদের মর্যাদা কতটুকু দিতে সক্ষম হচ্ছেন, ক্ষমতাকে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করছেন কিনা এ প্রশ্নের মধ্যেই নিহিত বর্তমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট ও সমস্যার স্বরূপ।

শিক্ষার মান থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো এতটা তলানিতে ঠেকেছে তা বোঝা যায় সম্প্রতি প্রচার মাধ্যমে বলা দেশবরেণ্য দুই শিক্ষাবিদের মন্তব্যে। জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেছেন, ‘আলোর পরিবর্তে অন্ধকার নামছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে।’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক মন্তব্য করেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবনমন দেখে ঘৃণা হয়’।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি, উপাচার্যের অনৈতিক কর্মকা- বিধৃত হয়েছে প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আহমদ ছফার ‘গাভী বৃত্তান্ত’ এবং হালের জনপ্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘মহম্মত আলীর একদিন’ উপন্যাসে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এবং বর্তমান শিক্ষকদের একাংশ বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ ও হতাশ। গতকাল সোমবার খোলা কাগজের সঙ্গে আলাপকালে লেখক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সাবেক অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক বলেন- ‘যেভাবে উপাচার্য নিয়োগ হচ্ছে, যেভাবে সরকার এবং সরকারি দল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর হস্তক্ষেপ করছে তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরেই ছাত্র-শিক্ষকের একাংশের মধ্যে খুব অসন্তোষ আছে। এটা একটা দীর্ঘস্থায়ী সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এর সমাধানের জন্য রাজনৈতিক উন্নতি দরকার। শিক্ষকদের মধ্যে, ছাত্রদের মধ্যেও উন্নত নতুন চেতনা প্রয়োজন। কেবল সাময়িক সমাধান নয়, দীর্ঘস্থায়ী সমাধান জরুরি।’

ঢাবি প্রায় বছরব্যাপী কোনো কোনোভাবে আলোচিত হচ্ছে, সমালোচিত হচ্ছেন উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান। ১০ টাকায় চা-শিঙ্গাড়া, সমুচা-চপ মিলছে- তার এমন মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রসালো আলোচনার জোগান দিয়েছে দীর্ঘদিন। এর আগে-পরে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত হয়েছে নানা অভিযোগ। ‘চিরকুট প্রথা’য় ছাত্রলীগ কর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দেওয়া তার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বড় অভিযোগ। অস্বাভাবিক মূল্যে আসবাবপত্র ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগেও জেরবার হচ্ছেন তিনি।

দেশের একমাত্র আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) সমৃদ্ধ গাছপালায় বেষ্টিত চমৎকার নৈসর্গিক পরিবেশে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে শুরুর দিকে প্রশংসিত ছিলেন ফারজানা ইসলাম। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে কোটি টাকার ‘ঈদ সালামি’র ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় নতুন পরিচয়ে চিহ্নিত হচ্ছেন ফারজানা ইসলাম ও তার পরিবার। চাঁদাবাজি ইস্যুতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে বিদায় নিতে হলেও বহাল রয়েছেন উপাচার্য ফারজানা ইসলাম। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী ছাত্র-শিক্ষকরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। গতকাল ক্যাম্পাসে এ ছাত্র-শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহীদমিনারে ফারজানা ইসলামকে কালো পতাকা প্রদর্শন করেছেন। গতকাল যেভাবে কালো পতাকা দেখানো হয়েছে সেভাবে তার পদত্যাগের আল্টিমেটামের শেষ দিন আজ মঙ্গলবার দেখানো হবে ‘লাল কার্ড’। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে উপাচার্যের দুর্নীতির অভিযোগে আন্দোলন কর্মসূচি চলমান থাকলেও হেলদোল নেই তার।

এদিকে শিক্ষার্থীর আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার রাতে ক্যাম্পাস ছাড়েন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। শিক্ষার্থীদের অব্যাহত আন্দোলনের মুখে দীর্ঘদিন অবরুদ্ধ ছিলেন তিনি। রোববার রাত সোয়া ৭টায় পুলিশের কড়া পাহারায় ক্যাম্পাসের সরকারি বাসভবন থেকে বের চলে যান তিনি। তবে কোথায় গেছেন জানা যায়নি এখনো। নিয়োগ বাণিজ্য থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি বশেমুরবিপ্রবির এক শিক্ষার্থী ও একটি দৈনিকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ফাতেমা তুজ জিনিয়ার সঙ্গে বিতর্কে জড়ান তিনি। জিনিয়ার ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী’ এমন ফেসবুক স্ট্যাটাসে তাকে বহিষ্কার করেন উপাচার্য। এর আগেও বিভিন্ন শিক্ষার্থীর এমন অসদাচরণ করেছিলেন তিনি। পরে জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারও করেন তিনি। শিক্ষা ও শিক্ষার্থীবিরোধী অসংলগ্ন বক্তব্য দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তার অপসারণ চেয়ে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনও (ইউজিসি) এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে। নাসিরউদ্দিনের দুর্নীতির ‘ক্ষুদ্র’ একটি নমুনা হচ্ছে- তিনি দিনে ৪০ হাজার টাকার চা পান করতেন!

গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক অনুষ্ঠানে উপাচার্য এম আবদুস সোবহান ‘জয় হিন্দ’ বলেছেন। স্বাধীন সার্বভৌম একটি দেশে আরেকটি দেশের পক্ষে স্লোগান দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার হয়। সংবাদটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃত করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে এমন দাবি করে গতকাল ব্যাখ্যা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেটাকে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য এস এম ইমামুল হক শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ গালি দিয়ে আন্দোলনের মুখে একপর্যায়ে ছুটিতে যেতে বাধ্য হন। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে কোনো উপাচার্য ছাড়াই চলছে। প্রায় একইভাবে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম অহিদুজ্জামান নানা অনিয়মের অভিযোগে ক্যাম্পাস ছেড়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে বাধা দিয়েছিলেন তিনি। কর্মকর্তাদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতেও দেননি!
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের (বেরোবি) উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ ক্যাম্পাসে না গিয়ে তিনি ঢাকায় বসবাস করেন। সাংবাদিকদের কল ধরেন না, তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও আমলে নেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ না করেও প্রতিষ্ঠান থেকে নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সমালোচিত হচ্ছেন তিনি।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) উপাচার্য ড. মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধেও রয়েছে অভিযোগের পাহাড়। আওয়ামী বিরোধী ও জামায়াত-বিএনপিপন্থিদের যোগসাজশে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। মৌলবাদ তোষণের তীরও বিদ্ধ তার দিকে।

অভিযোগ রয়েছে এমন আরও ব্যক্তি হলেন- টাঙ্গাইলের মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আলাউদ্দিন, ঢাকার ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. আবদুস সাত্তার, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার, দিনাজপুরের হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মু. আবুল কাশেম এবং ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কামাল উদ্দিন আহাম্মদের বিরুদ্ধে।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের কাজের মধ্যে গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলেও কোনো কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে পিএইচ.ডি জালিয়াতির অভিযোগও রয়েছে। নানা দলে, নানা রঙে বিভক্ত শিক্ষকরা কীভাবে একটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এমন সমালোচনাও কম নয়। লেখাপড়ার চাইতে, উন্নয়ন প্রকল্পের দুর্নীতি, ভাগাভাগি, দুর্নীতির নতুন ক্ষেত্র আবিষ্কারের মতো বিষয়ে তারা যতটুকু সময় দেন এর বিন্দুমাত্র সততার চর্চার পেছনে করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মান আরও উন্নত হতো বলে ধারণা করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT