রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বুধবার ১৬ জুন ২০২১, ২রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০১:২৮ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ বিলাইভ মিউজিক স্টেশন থেকে আগামী রবিবার আসছে রাহিব খানের ❝তুই আশিকি❞ ◈ আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন সংগঠক মোস্তফা কামাল মাহদী ◈ বিএসআরএফ দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় মোসকায়েত মাশরেককে শুভেচ্ছা ◈ ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষন মামলা আসামীকে পুলিশের সহযোগীতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ◈ ঘাটাইল লক্ষিন্দর ইউনিয়নে টাকা ছাড়া হয় না ভাতা কার্ড ◈ রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের উদ্যোগে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন ◈ জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের উদ্যোগে স্থানীয় মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন ◈ কালিহাতীতে বাড়ছে করোনা, সামাজিক সচেতনতায় ইউএনও’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ অব্যাহত ◈ মুক্তাগাছায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ জনের জেল ◈ রায়পুরায় ট্রেনের সাথে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, ঘটনার ৬ দিনপর এক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি

প্রকাশিত : ০৬:৫৪ AM, ৪ অক্টোবর ২০১৯ শুক্রবার ৩৩৯ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

বাইসাইকেলের জন্য একটি আলাদা লেন হবে। বহুদিনের দাবি। অত্যন্ত যৌক্তিক এ দাবি বার বারই সামনে এসেছে। কিন্তু বাস্তবায়ন আর হচ্ছিল না। অবশেষে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন উদ্যোগটি গ্রহণ করল। দেশের প্রথম বাইসাইকেল লেন তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বেছে নেয়া হয়েছে আগারগাঁওকে। সেখানে তৈরি হচ্ছে নয় কিলোমিটার লেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের উত্তরপ্রান্ত থেকে এলজিইডি সড়ক ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ভবন পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে এই লেন তৈরির কাজ চলছে। ২৮৫ মিটার এরই মাঝে প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চে পুরো কাজ শেষ হওয়ার কথা। আর তা হলে অনতিবিলম্বে দেশের প্রথম বাইসাইকেল লেনটি চালু করে দেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি কথা হচ্ছিল উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে। পরিবেশবান্ধব বাহনটির পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলছিলেন, পৃথিবীর বহু দেশে এই ব্যবস্থা চালু আছে। বাইসাইকেল পরিবেশবান্ধব। শব্দ দূষণ হয় না। বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে না। তদুপরি বাইসাইকেল চালানো স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তরুণ-তরুণীদের একটি বিরাট গ্রুপ এখন বাইসকেল চালায়। আলাদা লেন করে দিলে আরও মানুষ উদ্বুদ্ধ হবে। বিশেষ করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনের আনন্দে বাইসাইকেল চালিয়ে ক্লাস করতে যেতে পারবে। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বাইসাইকেল লেন হয় পাঁচ ফুটের। আমরা লেনটি ছয় ফুট জায়গা নিয়ে করছি। মূল সড়কের দুই পাশে ছয় ফুট করে জায়গা রাখা হয়েছে। এর পরই মানিক মিয়া এভিনিউতেও এক কিলোমিটারের মতো সাইকেল লেন করা হবে। ক্রমান্বয়ে ঢাকার অন্যান্য অংশেও আলাদা লেন তৈরির কাজ করতে চান বলে জানান মেয়র। এমন উদ্যোগে, বলার অপেক্ষা রাখে না, রাজধানী ঢাকার সাইক্লিস্টরা দারুণ উচ্ছ্বসিত। এ উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ুক। অব্যাহত থাকুক বাইসাইকেল লেন তৈরির কাজ।

গত ২ অক্টোবর ছিল বিশ্ব অহিংস দিবস। হিংসা, দ্বেষ, অসহিষ্ণুতা, হানাহানি, রক্তপাত বন্ধে বিশ্ববাসীকে সচেতন করতে এ দিবসের সূচনা করা হয়। অকারণ উত্তেজনা, যুদ্ধ, খুনোখুনি বন্ধে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এ কারণে তার জন্মদিনকে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে জাতিসংঘ। প্রতিবারের মতো এবারও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে ছিল না। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার ঢাকায় একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নিজস্ব মিলনায়তনে বিশেষ আলোচনা ও আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আলোচনা করেন তরুণ গবেষক নওরিন রহিম, ড. নিমাই ম-ল, তিতাস রোজারিও, প্রকৌশলী অভিজিৎ বড়ুয়া ও ইলিরা দেওয়ান। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একটি দল উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। কবিতায় অহিংস বাণী প্রচার করেন ‘স্রোত’র শিল্পীরা। আবৃত্তি প্রযোজনায় মানবের জয়গান করেন তারা। একই দিন শিল্পকলা একাডেমিতে মঞ্চস্থ হয় মহাত্মা গান্ধীর জীবন ও দর্শনের ওপর ভিত্তি করে রচিত নাটক ‘মহাত্মা।’ জাতীয় জাদুঘরের সামনে একটি মানববন্ধনেরও আয়োজন করা হয়। ভারতীয় হাইকমিশনেও নানা আয়োজনে অহিংসা দিবস পালন করা হয়। সব মিলিয়ে বলাই যায়, অহিংস দিবসের মর্মবাণী ছড়িয়ে দিতে যথেষ্ট তৎপর ছিল ঢাকা। বিশেষ করে যখন ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে, যখন কাশ্মীরে অশান্তির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে তখন হাইকমিশনের অহিংস দিবস পালন কিছুটা হলেও শান্তির বার্তা দেয়।

শারদীয় দুর্গোৎসবের কথা বলে শেষ করা যাক। আজ ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে উৎসবের মূল পর্বটি শুরু হচ্ছে। সারা দেশের মতো প্রস্তুত রাজধানী শহর ঢাকা। বুধবার সন্ধ্যায় পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির ও মধ্যরাতে বনানী পূজাম-প ঘুরে মনে হয়েছে, প্রাক উৎসব চলছে। অপূর্ব নির্মাণ শৈলীসহ দৃশ্যমান হয়েছে বনানী পূজাম-প। শুধু ম-প নয়, প্রবেশ পথে বিশাল তোরণ করা হয়েছে। সেখানে রঙিন বাতি জ্বলছিল। তেমনি বনানী মাঠের পাশের দীর্ঘ সড়কের ডিভাইডারে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। দেখে মনে আনন্দের ঢেউ খেলে যায়। ঢাকেশ্বরী মন্দিরেও আগেভাগে পূজার্থীরা আসতে শুরু করেছেন। কাছ থেকে প্রতিমা দেখা ও ছবি তোলায় ব্যস্ত দেখা গেছে অনেককে। ঢাকার অন্যান্য ম-পও সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এখন শুধু ঢাকে বাড়ি পড়ার অপেক্ষা। ধর্ম যার যার/উৎসব সবার। সবার হোক উৎসব। জয় হোক উৎসবপ্রেমী বাঙালীর।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT