রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শুক্রবার ০২ অক্টোবর ২০২০, ১৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ

বাম্পার ফলনে খুশি কুলচাষি

প্রকাশিত : ০৬:৩৫ PM, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ Saturday ৮১ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

ভালো দাম ও বাম্পার ফলন পেয়ে খুশি নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার কুল চাষিরা। এ বছর অনুকূল আবহাওয়ায় কুলের আকার আকৃতি ও স্বাদ বেড়েছে। মোকামে চাহিদা বেড়েছে।

উপজেলায় থাই, আপেল, নারিকেল কুল, বাউকুল ও চায়না জাতের কুলের চাষ হয়েছে। এসব কুলকে ঘিরে নাজিরপুর কানু মোল্লার বটতলা, মোল্লাবাজার, নাজিরপুর বাজার, চাঁচকৈড় বাজারে বসেছে পাইকারী মোকাম।

দেশের অভ্যন্তরীণ জেলা থেকে পাইকার ও ফড়িয়ারা দর-দাম করে কুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

উপজেলার নাজিরপুর ইউপি জুড়ে কুল আবাদে খ্যাতি রয়েছে। বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা গেছে, গাছে গাছে থোকায় থোকায় কুল ঝুলে রয়েছে।

কৃষক বাগান থেকে কুল সংগ্রহ করছেন মোকামে নেয়ার জন্য। অনেকে আবার প্রাক-প্রস্তুতি হিসেবে বাগান পরিষ্কার করছেন। বাগান জুড়ে উৎসবের আমেজ চাষিদের।

নাজিরপুরের বটতলা এলাকার কুল চাষি মাহাবুবুর রহমান জানান, তিনি তিন বিঘা জমিতে থাই-আপেল কুল, নারিকেল কুল, কাশমিরী ও লাভ কুল আবাদ করেছেন।

বিগত বছরের চেয়ে চলতি বছর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কুলের আকার-আকৃতি বেড়ে কুলের ওজন বৃদ্ধি হয়েছে। তিন বিঘা জমিতে এক লাখ ৬০ হাজার টাকার উপরে খরচ হয়েছে। চার লাখ টাকা বিক্রি হবে বলে তিনি আশাবাদী।

বাগান থেকে পাইকাররা ২৫-৩০ টাকা কেজি দরে কুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকা, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ফড়িয়া-মহাজনরা এসব কুল নিয়ে যাচ্ছেন।

উৎপাদন খরচ বাদে আড়াই লাখ থেকে তিন লাখ টাকা তার লাভ হবে।

কৃষক লিটন আহম্মেদ, মোতালেব হোসেন ও আলম সরদার বলেন, বিগত কয়েক বছর কুলের আবাদে লাভ হয়নি। উৎপাদন কম হওয়ায়, আকার-আকৃতিতে বড় না হওয়ায় কুল চাষে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলেন তাদের মত অনেক চাষি। এবার অনুকূল আবহাওয়ায় উল্টো চিত্র।

আকার-আকৃতির সঙ্গে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে কুল চাষিদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। বিঘা প্রতি উৎপাদন খরচ ২৫ হাজার টাকা হলেও ফলন বৃদ্ধি ও দাম ভালো পাওয়ায় বিগত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছেন তারা। তাছাড়া এ বছর নতুন নতুন কুলের বাগান বৃদ্ধি পেয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম বলেন, অনুকূল আবহাওয়া থাকায় ফলন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কুলের আকার-আকৃতি ও স্বাদ বেড়েছে। ফলে কুল চাষিদের মুখে খুশির ঝিলিক ফুটে উঠেছে।

কৃষি বিভাগের পরামর্শে নিয়ম করে বালাইনাশকসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ায় এবছর কুলে পোকার আক্রমণ নেই বলেই চলে।

এ বছর উপজেলা জুড়ে ৪৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের কুল চাষ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে একটু বেশি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT