রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৭শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ ঢাকাগামী ট্রেইনের সাথে চট্রগ্রাম গামী ট্রেইনের সংঘর্ষ ◈ কলাপাড়ায় লালুয়া ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল’র প্রভাবে পানিবন্দী মানুষের মাঝে খিচুড়ি ও কম্বল বিতারণ। ◈ ভালুকায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ সভা ◈ ভালুকায় যুবলীগের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ◈ ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে অাসছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ◈ সানন্দবাড়ীতে আওয়ামী যুবলীগ এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয় ◈ চাটখিলে যুবলীগের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ◈ সুনামগঞ্জে হেয়ার কাটিং ‘খারাপ দেখলেই’ আটক করবে পুলিশ ◈ ভূঞাপুরে যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ◈ রাণীশংকৈলে যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বাবরি মসজিদের নিচে হাজার খুঁড়েও মেলেনি মন্দিরের অস্তিত্ব

প্রকাশিত : ০৮:১৬ অপরাহ্ণ, ১০ নভেম্বর ২০১৯ রবিবার ৪০ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :
alokitosakal

অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের নিচে ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় হাজারবার খুঁড়েও কোনো মন্দিরের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে ওই এলাকায় বেশ কয়েকবার খোঁড়াখুঁড়ি চালানো হয়েছে। কিন্তু কোনো প্রত্নতাত্ত্বিকই মন্দির পাননি।

বাবরি মসজিদ নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর মামলার মুসলিম পক্ষের আইনজীবী বলেছেন, বাবরি মসজিদের জমির মালিকানার পক্ষে সব ধরনের প্রমাণ রয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের এক আইনজীবী বলেন, উত্তর প্রদেশের আজকের অযোধ্যায় ১৫২৮ সালে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। জায়গাটিতে হিন্দু দেবতার জন্ম নিয়ে যে দাবি করা হয়েছে, তার ভিত্তি নেই।

সর্বশেষ ভারতের প্রত্নতত্ব বিভাগ ‘দ্য আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া’র (এআইএ) প্রত্নতাত্ত্বিক খননেও কোনো মন্দির মেলেনি। এএসআই’র চূড়ান্ত রিপোর্টেও কোনো মন্দির থাকার কথা উল্লেখ করা হয়নি।

সংস্থাটির দুই প্রত্নতাত্ত্বিকের মতে, মসজিদের নিচে প্রাচীন মসজিদের ধ্বংসাবশেষ ছিল। শুক্রবার দ্য ওয়ারের এক রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

রিপোর্টটি ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে প্রথম প্রকাশ করা হয়েছিল। মসজিদ ধ্বংসের প্রায় ১০ বছর পর ২০০২ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে অযোধ্যার বিধ্বস্ত বাবরি মসজিদের জমিতে খনন কাজ চালানোর নির্দেশ দেয়।

সেই নির্দেশ অনুযায়ী খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করে প্রত্নতাত্ত্বিকদের একটি দল। ২০০৩ সালের আগস্টে ৫৭৪ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট কোর্টে জমা দেয় এএসআই।

রিপোর্টে সংস্থাটি দাবি করে, বিধ্বস্ত বাবরি মসজিদের নিচে মাটি খুঁড়ে তারা একটি ‘বিশালাকার কাঠামো’ খুঁজে পেয়েছে।

তবে সেটা যে কোনো মন্দিরের, এর পক্ষে কোনো প্রমাণ তারা তাদের রিপোর্টে বলেননি। এএসআই’র এই রিপোর্ট নিয়ে আপত্তি ওঠে দলের অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিকদের মধ্য থেকেই।

রিপোর্টকে ‘অস্পষ্ট ও স্ববিরোধী’ নাকচ করে দেয় বাবরি মসজিদ মামলার বাদী সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড। রিপোর্ট নিয়ে আপত্তি জানানো দুই প্রত্নতাত্ত্বিক হলেন সুপ্রিয়া ভার্মা ও জয়া মেনন। উভয়েই সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের পক্ষে এএসআই’র খননকার্যে অংশ নিয়েছিলেন।

এএসআই’র রিপোর্ট এবং এরপর এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে ২০১০ সালে ‘ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি’ শীর্ষক জার্নালে একটি প্রবন্ধ লেখেন এই দুই প্রত্নতাত্ত্বিক।

প্রবন্ধে তারা বলেন, ‘খননকালে এএসআই এমন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে যাতে মনে হয়েছে এএসআইর অন্য সদস্যরা মনে মনে আগেই একটা ফলাফল তৈরি করে রেখেছিলেন।’

এএসআই’র রিপোর্ট নিয়ে কেন আপত্তি জানিয়েছিলেন সে বিষয়ে সম্প্রতি হাফিংটন পোস্টকে এক সাক্ষাৎকারে সবিস্তারে জানিয়েছেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক সুপ্রিয়া ভার্মা।

তিনি বলেন, ‘আজ পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে, বাবরি মসজিদের নিচে কোনো মন্দির ছিল।’ তার মতে, ‘মসজিদের নিচে আসলে পুরনো মসজিদের ধ্বংসাবশেষ ছিল।’

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT