রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ৩১ মে ২০২০, ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১১:২৭ পূর্বাহ্ণ

ফোরাত নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়া কেয়ামতের আলামত : তবে কখন?

প্রকাশিত : ০৪:৩৮ PM, ২৮ মার্চ ২০২০ Saturday ৩৫ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

পৃথিবী ধ্বংস হওয়া বা কেয়ামত সংঘটিত হওয়ার সবচেয়ে বড় আলামত সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন। আজ থেকে ১৪শ’ বছর আগে এ আলামত দেখা দিয়েছে। তারপর আরো বড় বড় কিছু আলামত সংঘটিত হবে যা কেয়ামতের পূর্বাভাস বলে হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে।

যেমন : ইয়াজুজ মাজুজের পৃথিবীতে আগমন, ইমাম মাহদীর আগমন, ঈসা (আ.) এর আগমন। এছাড়াও কিছু ছোট ছোট আলামত রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ফোরাত নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়া, এর ধনভাণ্ডার মানুষের সামনে প্রকাশ করা। সাম্প্রতিক সময়ে ফোরাত নদীর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে বলে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তাহলে কি এ ফোরাত নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়াটা হাদিসের বর্ণনার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে? আসুন জেনে নিই ফোরাত নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে হাদিসে কী উল্লেখ রয়েছে।

ফোরাত নদীকে আরবিতে نهر الفرات (নাহরুল ফুরাত) বলে। আর তুর্কিতে বলে firat (ফিরাত)। এই ফিরাত বা ফোরাত নদী দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি নদী। এটি তুরস্কে উৎপত্তি লাভ করে সিরিয়া ও ইরাকের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দজলা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং শাত আল আরব নামে পারস্য উপসাগরে গিয়ে পতিত হয়েছে। ফোরাত ও দজলা নদীর পানি ব্যবহার করেই প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতাগুলো বিকাশ লাভ করেছিল। প্রাচীন সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয় এবং আসিরিয় সভ্যতাগুলো বিকাশ লাভ করেছিল এই নদীকে ব্যবহার করেই।

ফোরাত নদী ২,৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এর অববাহিকার আয়তন প্রায় ৪,৪০,০০০ বর্গকিলোমিটার। এর মোট অববাহিকার মাত্র ৩০ শতাংশ তুরস্কতে অবস্থিত হলেও এর ৯০ শতাংশ পানির উৎস হলো তুরস্কের উচ্চভূমি। তুরস্কের কোরাসুয়ু নদী, মুরাত নদী এবং আরো অনেকগুলো নদী পূর্ব মধ্য তুরস্কে এলাজিগ এর কাছে মিলিত হয়ে ফোরাতের উর্ধ্ব অংশ গঠন করেছে। তারপর নদীটি আলাব শহরের ১২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে সিরিয়াতে প্রবেশ করেছে। পূর্ব সিরিয়াতে এর সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক থেকে আগত খাবুর নদী নামের একটি প্রধান উপনদী মিলিত হয়েছে।

ফোরাত নদী প্রতি বছর প্রায় ২৮০০ কোটি ঘনমিটার পানি বহন করে। এপ্রিল ও মে মাসে নদীটি সর্বোচ্চ পানি ধারন করে। ফোরাত নদীটি অনেক গভীর নয় বলেই এতে ছোট ছোট নৌকা ছাড়া আর কিছু চলাচল করতে পারে না। এটি মূলত তার পাশ্ববর্তী শহরগুলোতে পানি সরবরাহের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ণ। তাই দেখা যায় নদীটি তুরস্ক, সিরিয়া ও ইরাকের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির অন্যতম একটি মাধ্যম। এই তিনটি দেশই জমিতে সেচ দেয়া ও পানির অন্যান্য কাজের জন্য ফোরাতের ওপরই নির্ভরশীল। তাই দেশগুলো নিজেদের স্বার্থে নদীতে বিভিন্ন বাঁধ নির্মান করে লাভবান হতে চায়। সিরিয়া, তুরস্ক ও ইরাক সরকার এখন পর্যন্ত ১২টি বাঁধ নির্মান করায় ১৯৯৯ সালের পরে ফোরাত নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে কমতে শুরু করে।

আঞ্চলিক রাজনীতির কারণে ফোরাত যেমন আলোচনার কেন্দ্রে তেমনি ধর্মীয় কারণেও ফোরাতের নাম মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। ফোরাত নিয়ে রাসূল (সা.) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। এক হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

عن ابي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلي الله عليه وسلم: يوشك الفرات ان يحسر عن كنز من ذهب فمن حضره فلا ياخذ منه شيئا- رواه البخاري

অর্থ : অচিরেই (একটা সময় এমন আসবে) ফোরাত নদীতে (শুকিয়ে যাবে, তার থেকে) স্বর্ণের খনি উম্মোচিত হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি সে সময় বেঁচে থাকবে সে যেন তার থেকে কোনো অংশ গ্রহণ না করে। (বুখারী শরীফ, কিতাবুল ফিতান, হাদিস নম্বর-৭১১৯)।

মুসলিম শরিফের এক বর্ণনায় আরো স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে। সে হাদিসের ভাষ্য হলো-

عن ابي هرية رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلي الله عليه وسلم: لا تقوم الساعة حتي يحسر الفرات عن جبل من ذهب. يقتتل الناس عليه فيقتل من كل مائة تسعة وتسعون ويقولون كل رجل منهم لعلي اكون انا الذي انجوه- رواه مسلم

অর্থ : কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না ফোরাত নদীতে একটি স্বর্ণের পাহাড় প্রকাশ পাবে। মানুষ তা নিয়ে যুদ্ধে জড়াবে এবং প্রত্যেক দলের শতকরা নিরানব্বই জনই মারা পড়বে। তাদের প্রত্যেকের কামনা থাকবে- হায়! বেঁচে যাওয়া মানুষটি যদি আমিই হতাম! (মুসলিম শরিফ, কিতাবুল ফিতান, হাদিস নম্বর-২৮৯৪)।

হাদিসের ব্যাখ্যায় শাইখুল ইসলাম তাকি উসমানি হাফিজাহুল্লাহ বলেন, ‘ফোরাত নদীর স্থলে স্বর্ণের পাহাড় ওঠবে’ এর দু’টি অর্থ হতে পারে। এক. নদীটির জায়গায় একটি পাহাড় ওঠবে, যার ভেতর স্বর্ণের খনি থাকবে। দুই. নদীতে স্বর্ণের খনি থাকবে। তবে পাহাড়ের সঙ্গে তুলনার উদ্দেশ্য হলো স্বর্ণের পরিমাণ অনেক বেশি হবে।’ তিনি ইবনে মাজাহ এর সূত্রে আরো একটি বর্ণনা এনেছেন। হাদিসটি হচ্ছে, হযরত ছাওবান (রা.) এর সূত্রে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) বলেন, তোমাদের খনিকে কেন্দ্র করে তিনটি গ্রুপ যুদ্ধে লিপ্ত হবে। প্রত্যেকজন খলিফার সন্তান হবে। ওই খনি কারো জন্য হবে না। এমতাবস্থায় পূর্ব দিকে কালো পতাকা ওড়ানো হবে। তারা এসে তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করবে। কিন্তু কেউ তাদেরকে হত্যা করতে পারবে না। এতটুকু হাদিস বলার পর বর্ণনাকারী বলেন, রাসূল (সা.) আরো কিছু বিষয় বলেছিলেন। কিন্তু তা আমি মুখস্থ রাখতে পারিনি। তবে বাকি যতটুকু মনে আছে তা হলো ‘যখন তোমরা তাকে দেখবে তার হাতে বাইয়াত হবে। কারণ, তিনিই হচ্ছেন আল্লাহর খলিফা ইমাম মাহদি (আ)।’ এরপর তকি উসমানি হাফিজাহুল্লাহ হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি (রাহ.) এর সূত্রে বলেন, ‘ইবনে মাজায় বর্ণিত খনি দ্বারা যদি উদ্দেশ্য হয় আগের হাদিসে বর্ণিত খনি তাহলে বুঝা যায় যুদ্ধের এই ঘটনা ইমাম মাহদির আবির্ভাবের সময়ে হবে। ওই সময়টা হচ্ছে ইসা (আ.) এর নাজিলের আগ মুহূর্ত। এর আগে অবশ্যই একটি আগুন বের হবে। (তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম, খণ্ড-১২, পৃষ্ঠা-২২৮)।

হাদিসে বর্ণিত আগুন বের হওয়ার ঘটনা দ্বারা কোন ঘটনা উদ্দেশ্য তাও স্পষ্ট হওয়া দরকার। রাসূল (সা.) থেকে সহিহ বুখারিতে এ ব্যাপারে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। হজরত আবু হুরাইরা (রা.) এর সূত্রে বর্ণিত নবী করিম (সা.) বলেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না একটি আগুনের প্রকাশ ঘটে। আগুনের ব্যাপ্তি হবে এত বেশি যে, ইরাকের বসরা এলাকার উটগুলোর গলা সে আগুনের আলোতে দেখা যাবে। (সহিহ বুখারী-৭১১৮)।

ইমাম কুরতুবি বলেন, ‘হেজাজে এক সময় আগুন বের হয়েছিলো। ৬৫৪ হিজরিতে। রাত্রি বেলায় প্রজ্বলিত হয়ে পরদিন চাশতের সময় পর্যন্ত তা ছিলো। এ রকমভাবে কুরাইজা এলাকায় একবার আগুন বের হয়েছিলো। তবে এগুলো মূলত হাদিসে বর্ণিত আগুন নয়। হাদিসে বর্ণিত আগুন সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে ইবনে হাজার আসকালানি (রাহ.) বলেন, ‘কিয়ামতের আলামত যে আগুন তা মূলত দু’বার প্রজ্বলিত হবে। প্রথমবার কিয়ামতের অন্যান্য আলামতের সঙ্গে। দ্বিতীয়বার কিয়ামতের একেবারে আগ মুহূর্তে, যার পর আর কোনো কিছু হবে না কিয়ামত সংঘটিত হওয়া ছাড়া।’ (ফাতহুল বারি শরহে সহিহ বুখারি, খণ্ড-১৩, পৃষ্ঠ-৯৬)।

সারকথা হচ্ছে, ফোরাতের পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর স্বর্ণের পাহাড় সেখানে ওঠা বা প্রচুর পরিমাণ স্বর্ণ সেখানে পাওয়ার বিষয়টি সংঘটিত হবে ইমাম মাহদির আগমণের আগ মুহূর্তে। এবং ইবনে হাজার আসকালানি (রাহ.) এর ভাষ্য মতে এর আগে অবশ্যই একটি আগুন বের হবে। সে হিসেবে বলা যায়, ওই আগুন বের হওয়ার পর যখন ফোরাত নদী শুকিয়ে যাবে সেটাই হলো কেয়ামতের আলামত। এবং এর পরেই ইমাম মাহদির আবির্ভাব ঘটবে। এর আগে যদি ফোরাত নদী শুকিয়ে যায় তাহলে তা কিয়ামতের আলামত হিসেবে সাব্যস্ত হবে না। কিন্তু বর্তমান ফোরাত নদীতে স্বর্ণের পাহাড় প্রকাশিত হওয়া হাদিসের ব্যাপারে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় অনেকে বলে থাকেন যে, ফোরাত নদীতে স্বর্ণের খনি ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়ে গেছে। যদিও ইসলামি বিশ্বের গ্রহণযোগ্য কোনো গবেষক এমন অবান্তর ব্যাখ্যা করেননি। যাদের দাবি ফোরাত নদীর স্বর্ণের খনি ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে তাদের যুক্তি হচ্ছে- বর্তমান পৃথিবীতে তেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। আর তেলকে যেহেতু- black gold (ব্লাক গোল্ড) বলা হয়। তাই হাদিসে বর্ণিত كنز من ذهب (কানযুন মিন যাহাব : স্বর্ণের খনি) দ্বারা এই তেল ইত্যাদি খনিজ সম্পদ উদ্দেশ্য। এর দ্বারা বুঝা যায় তাদের গবেষণা কতটা অসার ও বানোয়াট।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তেল বুঝাতে হাদিসে যে সব শব্দ ব্যবহার করেছেন, তার মধ্যে একটাও এমন শব্দ পাওয়া যাবে না, যেখানে ذهب (যাহাব) দ্বারা তেল উদ্দেশ্য নিয়েছেন। সুতরাং আমরা এর দ্বারা বুঝতে পারি যে, كنز من ذهب (কানযুন মিন যাহাব : স্বর্ণের খনি) দ্বারা তেল উদ্দেশ্য নেয়াটা বোকামি। অনেক মুহাদ্দিস حسر (হাসার) এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো পানি না থাকার দরুন ফোরাতের স্বর্ণগুলো বের হয়ে আসবে। যদি হাদিসের মর্ম ধরা হয় ‘তেল’ তাহলে তা মুহাদ্দিসদের ব্যাখ্যার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক হয়। তাছাড়া রাসূল (সা.) ওই স্বর্ণ নিতে মুসলমানকে নিষেধ করেছেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতে কোনো গবেষকই বলেননি যে, ফোরাত নদীতে স্বর্ণের খনি পাওয়া গেলে তা নেয়া যাবে না। যেহেতু রাসূল (সা.) নিতে নিষেধ করেছেন।

হাদিসের কিতাবগুলোতে আমরা কেয়ামতের যত আলামতের বর্ণনা পাই, কোনো ঘটনার ক্ষেত্রেই সুনিশ্চিতভাবে বলার সময় এখনও আসেনি যে এটাই কিয়ামতের আলামত। ইমাম মাহদির কথাই ধরা যাক। ইমাম মাহদি দুনিয়াতে একজনই আসবেন। এটাই সত্য। কিন্তু রাসূল (সা.) এর যুগের পর থেকেই ইমাম মাহদির আগমণের ধারা শুরু হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত সে ধারা অব্যাহত আছে। আই এস আই এর প্রতিষ্ঠাতা আবু বকর বাগদাদির বেলায়ও শুনা গেছে তিনি ইমাম মাহদি। অথচ প্রকৃত মাহদির আগমন আরো বহু দূর। মূলত ইমাম মাহদি ও কিয়ামতের আলামতের ছুতায় মানুষ নিজের দায়িত্ব এড়াতে চায়। সুযোগ তৈরি হয়, সমাজে ছড়িয়ে পড়া অনৈতিকতা ও বিশৃঙখলাকে কিয়ামতের আলামত ধরে তা হওয়াকে বাঞ্জনীয় মনে করা।

প্রকৃত মুমিনের কাজ কখনো কেয়ামতের আলামত খুঁজে বের করে মানুষের মাঝে হতাশা তৈরি করা নয়। এটাও কোনো মুমিনের কর্মপন্থা হতে পারে না যে, সে ইমাম মাহদির অপেক্ষায় বসে বসে প্রস্তুতি নেবে। রাসূল (সা.) এর শিক্ষা হলো, অব্যাহতভাবে কাজ করে যাওয়া। যে যতটুকু করবে সে তাই আখেরাতে পাবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT