রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১১:২৮ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ এখন থেকে রোববার সাহিত্য সকাল প্রকাশ ◈ ভূমি ব্যবস্থাপনায় সারাদেশের রোল মডেল পবা উপজেলা ভূমি অফিস ◈ ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার ◈ নেত্রকোণার কলমাকান্দায় টানা বৃষ্টির কারণে জমির আমন ধান ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন কৃষকরা ◈ রাণীশংকৈলে পাঁচ জুয়াড়ি আটক ◈ সবাই জানে! জানেনা যাদের জানার কথা. . . . . ◈ নান্দাইলে প্রস্তাবিত প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক ◈ দুর্গাপুরে থামছে না সোমেশ্বরী নদীর তীব্র ভাঙ্গন ◈ কুড়িগ্রামের সকল থানায় নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সেবা ডেস্কে চলছে সেবা ◈ শেকৃবিতে ভিসির দায়িত্বে রেজিস্ট্রার,বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ

ফিরে আসছে দেশি প্রজাতির মাছের সুদিন

প্রকাশিত : ০৪:৪৮ PM, ৮ অগাস্ট ২০২০ Saturday ৯৫ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

কড়কড়ে পুঁটি মাছ ভাজা কিংবা টেংরা মাছের ঝোল। ছোট মাছের চচ্চড়ি কিংবা গনিয়া, কালিবাউস, ভাগনা, মহাশোলের অপূর্ব স্বাদ। অথবা চিতল দিয়ে কোপ্তা! চল্লিশোর্ধ যারা আছেন, তারা দেশি এসব মাছের স্বাদ-গন্ধ মনে গেঁথে রেখেছেন। আর নতুন প্রজন্মের কাছে এসব মাছের প্রাচুর্য ও স্বাদ কেবলই গল্প। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর প্রচেষ্টায় ফিরে আসছে বিপন্ন দেশি প্রজাতির মাছের সুদিন। বিএফআরআই’র উদ্ভাবিত প্রজনন কৌশলের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য শিল্প এখন জিডিপিতে বড় ভূমিকা রাখছে। এ খাতে অবদান ৩.৬১ শতাংশ। দেশি মাছের পোনা উৎপাদনে বর্তমানে চার শতাধিক হ্যাচারি কাজ করে যাচ্ছে। শুধু ময়মনসিংহ অঞ্চলে ২০০ কোটি পাবদা ও গুলশা মাছের পোনা উৎপাদিত হচ্ছে। বর্তমানে মাঠপর্যায়ে পাবদা, গুলশা, শিং, টেংরা, মাগুর, কৈ, ব্যাপকভাবে চাষ হচ্ছে। বাটা মাছের চাষও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিএফআরআই সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত ২৩ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছের প্রজনন ও চাষাবাদ কৌশল উদ্ভাবন করেছে। এগুলো হচ্ছেÑ পাবদা, গুলশা, টেংরা, শিং, মাগুর, গুজি আইর, চিতল, ফলি, মহাশোল, বৈরালী, রাজপুঁটি, মেনি, বালাচাটা, গুতুম, কুচিয়া, ভাগনা, খলিশা, বাটা, দেশি সরপুটি, কালবাউশ, কৈ, গজার এবং গনিয়া। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ মাছগুলোতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ ও আয়োডিনের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে এবং রক্তশূন্যতা, গলগ , অন্ধত্ব প্রভৃতি রোগের প্রতিরোধে সহায়তা করে। বর্তমানে ইনস্টিটিউটে রানী মাছ, কাকিলা, গজার, শাল বাইম, বৈরালী মাছ, আঙ্গুস ও খোকসা মাছ এবং উপকূলীয় এলাকার কাইন মাগুর (কাউন) মাছের প্রজনন ও চাষ কৌশল উদ্ভাবনের জন্য গবেষণা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বিলুপ্ত প্রজাতির মাছের প্রজনন ও চাষাবাদ কৌশল উদ্ভাবন করায় পোনা প্রাপ্তি সহজতর হয়েছে। অনেকে চাষাবাদেও আগ্রহী হয়ে উঠছেন। ইনস্টিটিউট থেকে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখন দেশের প্রায় শতাধিক হ্যাচারিতে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা উৎপাদন করা হচ্ছে। পরে ব্যবহার করা হচ্ছে চাষাবাদে। কর্মসংস্থান হয়েছে লক্ষাধিক লোকের। এ প্রসঙ্গে বিএফআরআই মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে বর্তমানে ইনস্টিটিউটের যশোর, সৈয়দপুর ও ময়মনসিংহ গবেষণা কেন্দ্র থেকে গবেষণা পরিচালনা করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদফতরও অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এসব দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কাজ করছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT