রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১১:০১ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ মুক্তি পাওয়ার সাথেই সোশাল মিডিয়ার ব্যাপক সাড়া ধামইরহাটের কণ্ঠশিল্পী জাহাঙ্গীরের গানে ◈ ইনাতগঞ্জ পল্লী চিকিৎসক সমিতির আয়োজনে বিশ্ব করোনাকালীন সচেতনতা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত ◈ নজিপুর ইজি বাইক কল্যাণ সমিতির   বার্ষিক বনভোজন ◈ গোপালগঞ্জে দোলা পরিবহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ◈ মিম হত্যা বিচারের দাবীতে পত্নীতলায় মানববন্ধন ◈ ধামইরহাটে সোনার বাংলা সংগীত নিকেতনের বার্ষিক বনভোজন ◈ ধামইরহাটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ◈ পত্নীতলায় করোনা সচেতনতায় নারীদের পাশে তথ্য আপা ◈ ফুলবাড়ীয়া ২ টাকার খাবার ও মাস্ক বিতরণ ◈ কাতারে ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ফোরামের দোয়া মাহফিল

ফটিকছড়িতে বন বিভাগের জমিতে অবৈধ বসতি!

প্রকাশিত : ০৭:২৮ AM, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ Monday ১৯৯ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

বিশ্বজিত্ রাহা, ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

উত্তর ফটিকছড়ি দাঁতমারা ইউনিয়নে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের জায়গা দখল করে ও পাহাড় কেটে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। হেঁয়াকো বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কার্যালয় ও হেঁয়াকো বন বিট কার্যালয়ের অদূরে এসব অবৈধ বসতি নির্মাণ করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, উপজেলার দাঁতমারা ইউপির রামগড়-বারৈয়ারহাট সড়কের ফুলছড়ি মসজিদের উত্তর পাশে বন বিভাগের জায়গা দখল করে ইতিমধ্যে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি বসত ঘর। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রিসার্চ সেন্টারের জায়গা স্থানীয় প্রভাবশালীদের একটি দল লিজ নেওয়ার নাম করে দখল করে বাস্তুহারা মানুষের কাছে চড়াদামে বিক্রি করে আসছে। মৌখিকভাবে তারা দখল দিচ্ছে, কিন্তু বৈধ কোনো লিখিত কাগজপত্র কাউকে দেয়নি। সেই সঙ্গে জনপ্রতি কারো কাছে ৪ লাখ, কারো কাছে ৫ লাখ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে ঐ সিন্ডিকেট।

অভিযোগের ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা ইউছুপ ও শফিকুর রহমান জানান, তারা রিসার্চ সেন্টার থেকে প্রায় পাঁচ একর জায়গা ১০ বছরের জন্য লিজ নেয় গত তিন বছর আগে। তারা সেই জায়গায় গাছ রোপণ করেছেন। লিজ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা লিখিত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিভিশনাল অফিসার হাসিনা মরিয়ম মুঠোফোনে বলেন, ঐ জায়গায় অবৈধ দখলদারিত্বের বিষয়ে তিনি শুনেছেন। তা উচ্ছেদ কল্পে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠিও দিয়েছেন। অতি শিঘ্রই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। লিজ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা সবাই অবৈধ দখলদার। সরকারি সম্পত্তি লিজ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নেই। মূলত এগুলো বন বিভাগের সম্পত্তি। এসব বিষয় নিয়ে বন বিভাগ মামলাও করেছে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সায়েদুল আরেফিন জানান, বন বিভাগের জায়গা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বন বিভাগের। উচ্ছেদের ক্ষেত্রে বা অবৈধ দখলদারদের তাড়ানোর ক্ষেত্রে তাদের যদি কোনো সহযোগিতা লাগে, আমরা সহযোগিতা করি। তিনি আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে এ বিষয়ে কথা বলবেন এবং বন বিভাগের জায়গায় বন বিভাগের অনুমতি ব্যতীত কিভাবে বসতি নির্মাণ করল তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT