রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বুধবার ১৭ আগস্ট ২০২২, ২রা ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

১১:১৩ পূর্বাহ্ণ

প্লাস্টিকের বদলে বাজারে এলো বাঁশের তৈরি পানির বোতল

প্রকাশিত : 01:35 AM, 12 December 2019 Thursday 1,277 বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

প্লাস্টিক বা কাচের বোতলে আমরা সবাই পানি ব্যবহার করে অভ্যস্ত! কিন্তু কখনো ভেবেছেন কি, বাঁশের পানির বোতল ব্যবহারের কথা! অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই। ভাবছেন বাঁশ দিয়ে আবার কীভাবে বোতল বানানো সম্ভব? সত্যিই এই অসাধ্য বিষয়টিকে সম্ভব করেছেন এক ব্যক্তি। তিনি বাঁশ দিয়েই তৈরি করেছেন সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পানির বোতল।
ভারতের আসামের এক ব্যক্তি এই প্রাকৃতিক বোতলের উদ্ভাবক। নাম তার ধির্তিমান বোরা। বর্তমানে তার তৈরি এই বাঁশের বোতল নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এটি শতভাগ ছিদ্রহীন। প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে এই বাঁশের বোতল অনায়াসেই ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ সবারই জানা প্লাস্টিক মানুষের স্বাস্থ্য এমনকি পরিবেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর।

বর্তমান বিশ্বের অনেকেই প্লাস্টিকের বদলে এখন কাচের পাত্রে পানি পান করে। তবে কাচের বোতল শিশুদের জন্য কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ বটে। এছাড়াও কাচের বোতল বেশ ভারী হয়ে থাকে। তবে এসব সমস্যার সমাধান রয়েছে বাঁশের বোতলগুলোতে। এগুলো পড়লেও ভাঙবে না। আবার বহন করাও বেশ ঝামেলাহীন।

উদ্ভাবক বোরা বিগত ১৭ বছর ধরে এই ছিদ্রহীন বাঁশের পানির বোতল তৈরি করেছেন। এটি তৈরির পর থেকেই তিনি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রচুর সাড়া পাচ্ছেন। এই বোতলগুলো বাঁশের অঙ্কুর দ্বারা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি। তাই প্রচন্ড গ্রীষ্মকালেও এতে পানি ঠান্ডা থাকে। বোতলের বাইরের স্তরটি তেল দিয়ে পলিশ করে মসৃণ করা হয়েছে। আরো জেনে অবাক হবেন, বোতলের ছিপিটিও বাঁশের তৈরি।

ধির্তিমান শুধু বাঁশের তৈরি বোতল তৈরি করেই ক্ষান্ক হনননি। তিনি আরো তৈরি করেছেন, বাঁশের চায়ের কাপ, মগ, চায়ের কেটলিসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিস। এছাড়াও তিনি পাট দিয়ে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করে রীতিমত সাড়া ফেলে দিয়েছেন। প্লাস্টিক পণ্যের পরিবর্তে বাঁশ ও পাটের পণ্যের ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই বোতল তৈরি করেছেন।

প্লাস্টিক-মুক্ত দেশ গড়তে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই অসাধারণ কাজটি সবার সামনে তুলে ধরেছেন। তার মতে, বাঁশের একটি বোতল তৈরি করতে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা সময় লাগে। এই প্রাকৃতিক বোতলের দাম ৬০০ রুপির মধ্যে। প্লাস্টিকমুক্ত বিশ্ব গড়তে আমাদের অবশ্যই এমন ঘরানার প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদেরই।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT