রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শুক্রবার ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৯:১২ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ও‌সির পুরস্কার পে‌লেন ও‌সি আবদুল জ‌লিল ◈ কাতার সেনাবাহিনীর বিপক্ষে বাংলাদেশের পরাজয় ◈ সম্প্রীতির হবিগঞ্জ সংগঠনের জেলা শাখার সিনিয়র সদস্য নির্বাচিত হলেন শাহিনুর রহমান ◈ ডুমুরিয়ায় আওয়ামীলীগ নেতা গাজী আব্দুল হাদি’র স্মরণ সভা ◈ নারায়ণগ‌ঞ্জে ক‌রোনা প্রতি‌রো‌ধে স‌চেতনতামূলক র‌্যা‌লি ◈ তিন লাখের ঘরে সুপারস্টার শাবনূর ◈ কুড়িগ্রাম সদর থানার নতুন ওসিকে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ◈ কুড়িগ্রামে বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে স্বাস্থ্য-পরিদর্শকদের কর্মবিরতী ◈ অবশেষে মুক্তাগাছার প্রসিদ্ধ মন্ডার মূল্য স্থিতিশীল হলো ◈ বাকৃবি আম বাগানে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা

প্রার্থীরা আগেভাগে মাঠে

প্রকাশিত : ০৪:৫৩ AM, ৪ নভেম্বর ২০১৯ Monday ১০৫ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়েই মাঠে নামছে বিএনপি। উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে ৬ সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে জোরেশোরে। এরই মধ্যে অনেকেই মাঠে কাজ শুরু করেছেন। বগুড়া উপনির্বাচনের ধারাবাহিকতায় এখন জয়ের ব্যাপারে আরো বেশি আশাবাদী দলটি। হাইকমান্ড মনে করছে, নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশে নিশ্চিত হলে দুই সিটিতেই জয়লাভ করবে তারা।

এবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নাম শোনা যাচ্ছে সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেলের। অন্যদিকে উত্তরে আলোচনায় রয়েছে তিন প্রাথীর নাম। এরা হলেন- বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও বিএনপির শরিক এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম।

দক্ষিণ সিটিতে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনকে নিয়ে আশাবাদী বিএনপি। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন তিনি। কিন্তু ঐক্যফ্রন্টের স্বার্থে ছাড় দেন ইশরাক। এ ছাড়া মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের ব্যাপারেও দল আগ্রহী। কারণ বিগত নির্বাচনে আব্বাসকে মনোনয়ন দেয়া হলেও তার অনুপস্থিতিতে মাঠপর্যায়ে যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন আফরোজা। নেতাকর্মী ছাড়া সাধারণ ভোটারদের মন জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। হাবিব-উন নবী খান সোহেল রয়েছেন দলীয় হাইকমান্ডের গুডবুকে। তবে তিনি নিজে তেমন আগ্রহী নন। দল চাইলে লড়তে রাজি হবেন বলে সোহেলের ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটিতে আলোচনায় রয়েছেন তাবিথ আউয়াল। দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তিনি। ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এখানে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ছিলেন তাবিথ। ওই নির্বাচন বিএনপি শেষ মুহূর্তে ‘বর্জন’ করলেও তাবিথ আউয়াল কয়েক লাখ ভোট পান। নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রসঙ্গে তাবিধ আউয়াল বলেন, সিটি নির্বাচনে দল অংশ নিয়ে আমাকে মনোনয়ন দিলে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নির্বাচনে ভালো ফল করতে পারব বলে আশা করি। এ ছাড়া যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও বিএনপির শরিক এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিমও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে এ বিষয়ে মতবিনিময়ও করছেন তারা। এ বিষয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, সিটিতে প্রার্থী হিসেবে প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছি। দলের সমর্থন রয়েছে আমার পক্ষে। আশা করছি দল সমর্থন দিলে আমি নির্বাচিত হব।

এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্জন নয়, আমরা নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক। তবে বর্তমান বাস্তবতায় নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে সেটা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা গত জুন থেকেই মাঠ গোছানো শুরু করে দিয়েছেন। হাইকমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, নিজ এলাকায় নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডসহ যে কোনো পরিস্থিতিতে ভোটারদের পাশে থেকে কাজ করেছেন তারা। সম্প্রতি ডেঙ্গুর প্রকোপ চলাকালে তিন সিটিতেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে বিভিন্ন বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও বিপণিবিতানে দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে লিফলেট বিতরণ করেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এ ছাড়া ডেঙ্গুজ্বরে মৃতদের পরিবারের বাড়িতে গিয়ে সান্ত¡নাও দিয়েছেন। পুরান ঢাকা ও মিরপুরের ঝিলপার বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তাসহ সব ধরনের সহায়তা করেছেন। ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত বাড্ডার তাসলিমা বেগম রেনুর বাসায় যান তাবিথ আউয়ালসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

একই সঙ্গে দলীয় মনোনয়ন পেতে অন্তত এক ডজন নেতা জোরালো তদবির শুরু করেছেন। সরাসরি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন কেউ কেউ। তবে অনেকে লবিং-তদবির শুরু না করলেও প্রস্তুতিটা সেরে রাখছেন। দল মনোনয়ন দিলে আটঘাট বেঁধে নেমে পড়বেন।

বিএনপির নীতি-নির্ধারকরা জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নিয়ে উল্টো দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করে দলের অনেক ক্ষতি হয়েছে। সেই ক্ষতিটা কাটিয়ে নেয়ার সুযোগ এসেছে। আগামী ৩ সিটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে নগরের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে প্রস্তুতি নেয়ার মোক্ষম সময় এখন। নির্বাচনের প্রস্তুতির ধাপে ধাপে যোগ্য নেতৃত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে এবং নগরে বিএনপির দুর্বল দিকগুলোও বেরিয়ে আসবে। এ ছাড়া বিএনপির প্রার্থীরা জয়লাভ করলে সরকার নানামুখী চাপে পড়বে। আর কারচুপি হলে সেটাকেও মোক্ষম ইস্যু বানিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন নতুন মাত্রা পাবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT