রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০৮:১৯ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ স্যুইডেন প্রবাসী মাহবুবুল আলমের শ্বশুর ইন্তেকাল,বিভিন্ন মহলের শোক ◈ বগুড়ায় ইউনিয়ন আ.লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রকিকে কুপিয়ে হত্যা ◈ বগরা খানের নামে নামকরণ করা বগুড়া’র ইতিকথা ◈ বগুড়ার শেরপুরে সাংবাদিকের বাড়ী দখলের চেষ্টায় থানায় অভিযাগ ◈ বগুড়ায় হালচাষ করতে গিয়ে বজ্রপাতে পিতা পুত্রের মর্মান্তিক মৃত‍্যা ◈ বগুড়ায় বান্ধবীকে আইফোন কিনে দিতে বাবার সাথে ছেলের অপহরণ নাটক ◈ পত্নীতলায় কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ ◈ বগুড়ার শেরপুর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অভিনব কায়দায় চুরি, থানায় অভিযোগ ◈ তাহিরপুর সীমান্তে ভারতীয় চুনাপাথরসহ ১টি স্টিলবডি নৌকা আটক ◈ ছাতকের চরমহল্লা ইউনিয়ন তালামীযের কমিটি গঠন

পেঁয়াজের কেজি ১৬০ টাকা

প্রকাশিত : ০৭:১৪ AM, ৩ নভেম্বর ২০১৯ রবিবার ২০৬ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৪০ টাকা। এ হিসাবে প্রতিদিন গড়ে বেড়েছে পৌনে ৬ টাকা করে। শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ভালো মানের প্রতি কেজি পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহ আগেই বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা কেজি। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে তারাও বেশি দামে বিক্রিতে বাধ্য হচ্ছেন।

এদিকে বাজার তদারকিতে রয়েছে সরকারের একাধিক সংস্থা। তারা পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ মজুদের তথ্য সংগ্রহ করে সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। এর ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে সরকারি সংস্থাগুলোর তদারকির কোনো ইতিবাচক প্রভাব বাজারে পড়ছে না।

শনিবার রাজধানীর পুরান ঢাকায় পাইকারি মার্কেট শ্যামবাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা, ভারতীয় ১৩৫ টাকা, মিসরের ১০৫ টাকা ও মিয়ানমারের ১২০ টাকা। খুচরা বাজারে মিসরেরটা ১২০ টাকা, মিয়ানমারের ১৩০ টাকা, ভারতের ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি। ১৪০ থেকে ১৫৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে মাঝারি মানেরটি। এক সপ্তাহ আগে খুচরা বাজারে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।

ওই সময়ে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজির দাম ছিল ৮০ থেকে ১১০ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করার আগে যেসব এলসি খোলা হয়েছিল সেগুলো ইতিমধ্যে দেশে এসে গেছে। এখন আর নতুন করে আসছে না। এছাড়া মিয়ানমার থেকেও খুব বেশি আসছে না। মিসর ও তুরস্ক থেকে আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সেগুলো আগামী সপ্তাহে দেশে এসে পৌঁছবে। এরপর বাজারে দাম কমে যাবে বলে মনে করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এদিকে মিয়ানমার থেকে ভারতের চেয়ে কম দামে আমদানির সুযোগ থাকলেও আমদানি হচ্ছে কম। কেননা মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্যের আওতায় কোনোরকম এলসি ছাড়াই পণ্য আমদানি হচ্ছে। বিশেষ করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নগদ ডলারে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারেন। এ কারণে বড় আকারে কোনো চালান আসছে না। ছোট ছোট চালানের মাধ্যমে আসছে। ওই দেশ থেকে ছোট আকারে শনিবারও চালান এসেছে।

সেগুলো কিনতে সেখানে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের পাইকাররা ভিড় করেছেন। সরবরাহের চেয়ে চাহিদা বেশি হওয়ায় ওখানেও এর দাম বেশি। এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার যেতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এ কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেয়ার সুপারিশ করেছেন। এজন্য দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করতে হবে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে দেশে উৎপাদন হয় ১৪ থেকে ১৫ লাখ টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ১৬ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের শুরু থেকে দেশি নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করবে। ওই সময়ে দাম আরও কমে যাবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT