রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০১:৪৯ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ডামুড্যায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।। ◈ চিরিরবন্দরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্দ্যোগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ◈ কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে ২ বন্ধুর মৃত্যু ◈ বাংলাদেশ একদিন ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে,ভোলায় এমপি শাওন ◈ টাঙ্গুয়ার হাওরে নিষিদ্ধ কোনাজাল আটকের পর আগুনে পুড়ে ধ্বংস ◈ কালিহাতীতে মানবতার দেয়াল উদ্বোধন ◈ কুড়িগ্রামে ৪ বছর ধরে দুর্ভোগে লাখো মানুষ, উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পরও সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ ◈ ঘাটাইলে উচ্চ ফলনশীল বোরো ধানের বীজ ও সার বিতরণ ◈ ফুলপুরে পৌর কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা ◈ তাহিরপুরে নারী নির্যাতন বন্ধে,বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা

পশ্চিমের জেলাগুলোতে পাটের দরপতন!

প্রকাশিত : ০২:০৭ AM, ১৫ অগাস্ট ২০১৯ বৃহস্পতিবার ৪১৮ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

পশ্চিমের জেলাগুলোতে পাটের দরপতনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চাষি । ১৫-২০ দিনের ব্যবধানে প্রতি মণ পাটের দাম ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। চলতি মৌসুমে এ অঞ্চলে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া জেলায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬৩১ হেক্টর। চাষ হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ১৮৬ হেক্টরে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ফলন ভালো হচ্ছে। জুলাই মাসের প্রথমদিকে নতুন পাট ওঠার পর ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলায় বাজারে প্রতি মণ ১৯০০ টাকা থেকে ২২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এরপর দাম কমতে থাকে। গত ৬ আগস্ট শৈলকুপা হাটে প্রতি মণ পাট ১৬০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত দরে কেনাবেচা হতে দেখা যায়। রবিবার মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার লাঙ্গলবাঁধ হাটে প্রতি মণ পাট ১৫০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা দরে কেনাবেচা হয় বলে সেখানকার ব্যবসায়ীরা জানান। ঝিনাইদহের শৈলকুপা, মাগুরার সদর, শ্রীপুর ও মহম্মদপুর উপজেলার পাটের মান ভালো। দামও বেশি থাকে। আবার কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরের পাটের মান তুলনামূলকভাবে খারাপ হয়। দামও কম হয়।

মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া গ্রামের চাষি জিয়াউর রহমান জানান, তাদের এলাকায় নতুন পাট ওঠার পর প্রতি মণ ১৬০০ টাকা থেকে সাড়ে ১৭০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। এখন প্রতি মণের দাম ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা কমে গেছে। বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকা মণ দরে। শৈলকুপা উপজেলার ব্রহ্মপুর গ্রামের চাষি মফিজুল ইসলাম বলেন, যাদের পাট আগে উঠেছিল তারা ভালো দাম পেয়েছে। পাটের আমদানি বাড়ার পর দাম কমে গেছে। ১৫০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। এ দামে বিক্রি করে লাভ থাকছে না। শৈলকুপার পাট ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম জানান, পাটের দাম মণ প্রতি ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ব্যবসায়ীদের হাতে নগদ টাকার টান পড়েছে। তিনি বিজেএমসির অধীন খুলনার ক্রিসেন্ট জুটমিলের কাছে ৮৮ লাখ টাকা পাবেন। চার বছর হয়ে গেলেও মিল কর্তৃপক্ষ টাকা পরিশোধ করছে না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলি জানান, ঝিনাইদহ ও মাগুরার ডিডি অফিস থেকে তাকে জানানো হয়েছে কোথাও কোথাও ১৪০০ টাকা মণ দরে পাট বিক্রি হচ্ছে। দামের ব্যাপারে তাদের কিছু করণীয় নেই।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT