রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০২:২৫ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ধামইরহাটে সোনার বাংলা সংগীত নিকেতনের বার্ষিক বনভোজন ◈ ধামইরহাটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ◈ পত্নীতলায় করোনা সচেতনতায় নারীদের পাশে তথ্য আপা ◈ ফুলবাড়ীয়া ২ টাকার খাবার ও মাস্ক বিতরণ ◈ কাতারে ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ফোরামের দোয়া মাহফিল ◈ হাসিবুর রহমান স্বপন এমপির রোগ মুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত ◈ দৈনিক আলোকিত সকালের ষ্টাফ রিপোর্টার আশাহীদ আলী আশার ৪৩তম জন্মদিন পালিত ◈ সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও ফুটবলার রফিকুল ইসলাম স্মরণে দোয়া ও মিলাদ আজ ◈ লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ও‌সির পুরস্কার পে‌লেন ও‌সি আবদুল জ‌লিল ◈ কাতার সেনাবাহিনীর বিপক্ষে বাংলাদেশের পরাজয়

পশ্চিমাঞ্চলের পেঁয়াজ আসছে দুই সপ্তাহের মধ্যে

প্রকাশিত : ০৪:৩১ AM, ৪ নভেম্বর ২০১৯ Monday ১৩২ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

পশ্চিমাঞ্চলের ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার চাষিরা পুরোদমে পেঁয়াজ চাষ শুরু করেছে। এরই মধ্যে মুড়িকাটি পেঁয়াজ রোপণ শেষ হয়েছে। সাধারণত নভেম্বর মাসের মাঝামাঝিতে মুড়িকাটি পেঁয়াজ উঠতে শুরু করে। এবার বৃষ্টির জন্য চাষ নাবি হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ছোটো সাইজের গোটা পেঁয়াজ (বাল্ক) রোপণ করা হয়। রোপণের পর ৪৫ থেকে ৫০ দিনের মধ্যে পেঁয়াজ উঠতে শুরু করে। এ পেঁয়াজ মুড়িকাটি বলে পরিচিত। রবি পেঁয়াজ ওঠার আগ পর্যন্ত এ পেঁয়াজ চাহিদা মিটিয়ে থাকে। এক বিঘা জমিতে মুড়িকাটি পেঁয়াজ চাষে সাত-আট মণ পেঁয়াজ (বাল্ক) বীজ হিসাবে লাগে। এ বছর পেঁয়াজের দাম অধিক চড়ার কারণে বীজ পিঁয়াজের দামও আকাশচুম্বী। প্রতি মণের দাম প্রথম দিকে ছিল ২ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। পরে দাম চড়ে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়। প্রথম দিকে বীজ বাবদ ব্যয় হয় ২৪ হাজার টাকা। পরে বেড়ে হয় ৩২ হাজার টাকা। এ কারণে অনেকে এবার মুড়িকাটি পেঁয়াজ চাষ করেনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার পশ্চিমের ৬ জেলায় ৩০ হাজার ৪০৩ হেক্টরে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। তবে মুড়িকাটি পেঁয়াজ চাষ হয় ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা, মাগুরার শ্রীপুর ও মহম্মদপুর উপজেলা ও মেহেরপুরের কিছু এলাকায়। শৈলকুপা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের চাষি আবুল কালাম জানান, তিনি দুই বিঘাতে মুড়িকাটি পেঁয়াজের চাষ করেছেন। বৃষ্টির জন্য চাষ নাবি হয়েছে। যারা আগাম চাষ করেছে, তাদের পেঁয়াজ ২০ দিনের মধ্যে উঠতে শুরু করবে। ঝাউদিয়া গ্রামের চাষি অজিত বিশ্বাস জানান, তার পেঁয়াজ মাসখানেকের মধ্যে উঠবে।

মেহেরপুর জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. আকতারুজ্জামান জানান, এ জেলায় আগাম জাতের পেঁয়াজ সুখসাগর চাষ হয়ে থাকে। চাষ শেষ পর্যায়ে। এ পেঁয়াজ ফেব্রুয়ারি মাসে উঠতে শুরু করে। চড়া দামের কারণে চাষিরা পেঁয়াজ চাষে বেশি ঝুঁকছেন বলে তিনি জানান। কুষ্টিয়ার উপপরিচালক বিনয় কৃষ্ণ দেবনাথ জানান, দৌলতপুর উপজেলায় মুড়িকাটি পেঁয়াজ চাষ হয়। রোপণ শেষ পর্যায়ে। বাজারে এ পেঁয়াজ উঠলে দাম কমবে বলে আশা করেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT