রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ সরকার বাজার শ্রমিক ইউনিয়ন গ্রুপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুলতান ও সম্পাদক সেলিম ◈ শেরপুর প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে ইংল্যান্ডের কাউন্সিলর মর্তুজার মতবিনিময় ◈ রাজশাহীর দূর্গাপুর থানার ওসি খুরশিদা বানুর তৎপরতায় আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি ◈ নতুন দায়িত্বে নূরে আলম মামুন ◈ ভাষা সৈনিকের নাতি শুভ্র’র খুনীরা যতই শক্তিশালী হোক তারা রেহাই পাবে না…..গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ◈ ২ টাকার খাবারের কার্যক্রম এবার ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় ◈ রাজশাহীতে মানবাধিকার রক্ষাকারী নেটওয়ার্ক সভা ◈ রায়পু‌রে পুকু‌রে প‌ড়ে দুই শিশুর করুন মৃত‌্যু ◈ পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে কাতার প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলন ◈ মহানবী (সাঃ)এর ব্যাঙ্গ চিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে,মধ্যনগরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নড়বড়ে ৮ নেতার চেয়ার

প্রকাশিত : ০৬:৩৯ AM, ৪ অক্টোবর ২০১৯ Friday ১৮৭ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলকারী, অনুপ্রবেশকারী, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসায়ীদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সম্মেলনের আগেই তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে পরিচ্ছন্ন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান তিনি। ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে বেশকিছু নির্দেশনা দলের সিনিয়র নেতাদের দিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বরের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ চার সহযোগী সংগঠনের কাউন্সিল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রধান চার সহযোগী সংগঠন— যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষকলীগ ও শ্রমিকলীগ। প্রতিটি সংগঠনের মেয়াদ শেষ হয়েছে অন্তত পাঁচ বছর। সব কটি সংগঠনের সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০১২ সালে।

গণভবন সূত্র মতে, ২০১২ সালে ওই চার সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে অর্থাৎ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে আসা নেতারা এর আগেই সংগঠনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। ফলে অন্তত এক যুগ ধরে সংগঠনগুলোর দায়িত্বে রয়েছেন তারা। আগামী সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণ মেধাবী, ত্যাগী নেতাদের দায়িত্বে আনা হবে। একইসঙ্গে অন্তত তিন জনকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আনা হতে পারে। আওয়ামী লীগ সভাপতি এ বিষয়ে দলের সাধারণ সম্পাদকসহ সিনিয়র নেতাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

আরেকটি সূত্র জানায়, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষকলীগ ও শ্রমিকলীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে অবৈধ পন্থায় বিত্তশালী হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অর্থের বিনিময়ে জামায়াত-বিএনপি থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের সহযোগী সংগঠনগুলোতে স্থান দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ সংক্রান্ত অভিযোগের তালিকা ও গোয়েন্দা রিপোর্ট রয়েছে। অভিযুক্তদের আগামীতে দায়িত্বে রাখা হবে না।

সূত্র মতে, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের মধ্যদিয়ে টানা তৃতীয় মেয়েদে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় রয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট সরকার। ক্ষমতার এই দীর্ঘ সময়ে বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের জন্য আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করেছে জামায়াত-বিএনপিসহ সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা। যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, কৃষকলীগ ও শ্রমিকলীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটেছে। অনুপ্রবেশকারীরা একশ্রেণির নেতার হাত ধরে বাগিয়ে নেন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবি। বিশেষ করে রাজধানীতে চারটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও দুই মহানগর নেতার ছড়াছড়ি। কোনো ধরনের অতীত যাচাই-বাছাই না করেই অর্থের বিনিময়ে ভিন্ন দলের অন্তত ১০ হাজার নেতা এখন এ চার সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতা। ফুটপাতের হকার থেকে শুরু করে ছিনতাইকারীদের পদে আনা হয়েছে।

পদ পেয়েই ক্যাডার রাজনীতির বদৌলতে একের পর এক চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ নেতাদের কাছে বিভিন্ন লবিয়িং ও তদবিরের মাধ্যমে অল্প সময়ে ক্ষমতা ও অর্থের কুমির বনে যান তারা। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের ওই অনুপ্রবেশকারী নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেছেন, তাদের কারণে আমার দলের নেতাকর্মীরা মার খাচ্ছে, অনেকেই অভিমান করে দূরে সরে যাচ্ছে। যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন তাদের আমলনামাও আমার হাতে আছে। বিএনপি-জামায়াত থেকে আসা এসব অনুপ্রবেশকারীই দলের বদনাম করছে। তাদের খুঁজে খুঁজে বের করে দেয়া হবে। তিনি বলেন, দলীয় শক্তি ও জনসমর্থন থাকলে আর কিছু লাগে না। যারা অপরাধী, দুর্নীতিবাজ তারা রক্ষা পাবে না। আওয়ামী লীগ চালাতে গুণ্ডাপাণ্ডা, জোচ্চোর লাগে না।

গত বুধবার রাতে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের এমন কঠোর নির্দেশনা দেন বলে বৈঠক সূত্র জানা যায়। যদিও ২০১৪ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে দলের ভেতরের পরগাছা নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। কিন্তু বাস্তবে হয়েছে উল্টো। আওয়ামী লীগের একশ্রেণির নেতার ছত্রচ্ছায়া আওয়ামী লীগে ঢোকানো হয়েছে বিভিন্ন ঘরানার লোকজন। তবে এবার আর ছাড় পাচ্ছে না অনুপ্রবেশকারী নেতারা। সে জন্য আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের আগেই সব সহযোগী সংগঠনের কাউন্সিল করতে দায়িত্বশীল নেতাদের নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মূলত কাউন্সিলের মধ্যদিয়ে বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের ছেটে ফেলা হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলের আগেই সহযোগী সংগঠনগুলোর কাউন্সিলের নির্দেশ দিয়েছেন নেত্রী। স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতারা আওয়ামী লীগের আগামী কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পাবেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের ধরে ধরে বের করে দেয়া হবে। যারা অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন তাদেরও ছাড় দেয়া হবে না। এমন কেউ যাতে দলের ভেতরে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে নেত্রী সবাইকে সজাগ থাকতে বলেছেন।

যুবলীগের বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. হারুনুর রশিদ দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১২ সালের ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে তাদের দায়িত্ব দেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিয়ম অনুযায়ী তিন বছর পরপর কাউন্সিলের কথা থাকলেও বর্তমান মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তারা। ২০০৩ সালে যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী। ২০০৯ সালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আর ২০১২ সালে হন চেয়ারম্যান। যুবলীগে নিয়ন্ত্রক তিনিই।

সূত্রে জানা যায়, যুবলীগের রাজনীতি মানেই ক্ষমতা আর অর্থ। তাই সংগঠনটির একশ্রেণির নেতার ছত্রচ্ছায়ায় অনুপ্রবেশকারীর তালিকার শীর্ষে রয়েছে সংগঠনটি। কেন্দ্রীয় কমিটিসহ ঢাকার দুই মহানগর কমিটিতে হাইব্রিড খ্যাত নেতাদের ছড়াছড়ি। কেন্দ্রীয় মূল কমিটি ছাড়াও সহ-সম্পাদক পদের তালিকা কত হবে তা নিশ্চিত করতে পারেনি কেউ।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতার আসার দুই বছরের মধ্যেই রাজধানীতে একক আধিপত্য বিস্তার করে যুবলীগ। বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময়ে যুবদলের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো প্রথমেই আয়ত্তে নেয় যুবলীগ। এরপর সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে যুবলীগের আয়ত্ত। বিশেষ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যুবলীগের রাজনীতি মানে রাতারাতি বিত্তশালী বনে যাওয়া। গোটা এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ড নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন যুব সংগঠনটির নেতারা।

ফুটপাত থেকে শুরু অফিস, রেস্তোরাঁ, নতুন ভবন নির্মাণ, চাঁদাবাজি, জুয়া, ক্যাসিনো-বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ করেন তারা। যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর আস্থাভাজন পরিচয়ে এসব নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। উত্তর-দক্ষিণ দুই মহানরে তার সমান দাপট।

আর সম্রাটের হাত ধরেই দক্ষিণ মহানগর ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক পদে সবচে বেশি ভিন্নপন্থির অনুপ্রবেশ ঘটে। ক্যাসিনো, টেন্ডারবাজিসহ না অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূইয়া, কেন্দ্রী নেতা দাবিকারী জিকে শামীম, সেলিম প্রধান, লোকমান হোসেন— এরা সকলেই অনুপ্রবেশকারী।

সম্রাট ছাড়া গ্রেপ্তার আতঙ্কে গাঢাকা দেওয়াদের মধ্যে— কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমান, যুবলীগ নেতা কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ, এনামুল হক আরমান, শফিকুল ইসলাম, সোহরাব হোসেন, গাজী সরোয়ার বাবু, মোরসালিন আহমেদ, মাকসুদুর রহমান, হাসান উদ্দিন জামাল, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের নেতা আক্তার, মাসুদ— এরা সকলেই অনুপ্রবেশকারী। গত ৫ বছরের আগে এদের রাজধানীতে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ছিল না।

আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের আগে যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলে অভিযুক্ত অনেক নেতার কপাল পুড়তে পারে। যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ আমার সংবাদকে বলেন, যুবলীগের কাউন্সিলের জন্য ইতোমধ্যে আমরা নেত্রীর নির্দেশনা পেয়েছি। কাউন্সিলের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। তিনি বলেন, কাউন্সিলের জন্য এখনো কোনো দিনক্ষণ ঠিক করা হয়নি। নেত্রীর সাথে কথা বলে তারিখ ঠিক হলেই আমরা পুরোদমে কাজ শুরু করবো।

শ্রমিকলীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। তারা দুজনই সংগঠনের দায়িত্ব পেয়েছিলেন ২০১২ সালের জুলাই মাসে। এরপর ওই নেতৃত্বের হাত ধরেই শ্রমিকলীগের রাজনীতি চলছে। নেতৃত্বের দীর্ঘ এই সময়ে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কয়েক নেতার ছত্রচ্ছাত্রায় সদরঘাট, গাবতলী, মতিঝিল, গুলিস্তানসহ একাধিক এলাকায় ফুটপাত দখলসহ চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১২ সালের ১১ জুলাই। সেই সম্মেলনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির দায়িত্বপান অ্যাডভোকেট মোল্লা আবু কাওছার ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান পঙ্কজ দেবনাথ এমপি। কাওছার ও পঙ্কজের নেতৃত্বে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই সাংগঠনিক কার্যক্রম চলছে।

তবে তারা দুইজনে দীর্ঘ এই সময়ে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নতুন কমিটি করতে পারেননি। সম্প্রতি অভিযানে মতিঝিলের আরামবাগে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে প্রচুর মাদকদ্রব্য ও ক্যাসিনোর সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। ক্লাবটির মালিকানার পাশাপাশি সভাপতি মোল্লা আবু কাওছারের ক্যাসিনো ব্যবসার সাথে জড়িত থাকা নিয়ে সমালোচনা ওঠে। যদিও তিনি বিষয়টি জানতেন না বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

অভিযোগ ও সম্মেনের বিষয়ে জানতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওছারের মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।
কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম বলেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ শৃঙ্খল সংগঠন। নেত্রীর নির্দেশনা মানতে আমরা সব সময় প্রস্তুত। সম্মেলনের বিষয়ে সিনিয়র নেতারা অব্যশই উদ্যোগ নেবেন এবং আমরা বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত আছি।

একই অবস্থা কৃষকলীগের নেতৃত্বে। সর্বশেষ ২০১২ সালের জুলাই মাসে এ কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিতে সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট শামসুল হক রেজা। মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তারা। সংগঠনটির শীর্ষ এক নেতার বিরুদ্ধে অনৈতিক ও আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে কেন্দ্র্রীয় কমিটির পদ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামসুল হক রেজা আমার সংবাদকে বলেন, কৃষকলীগের জাতীয় সম্মেলনের জন্য ইতোমধ্যে আমরা নেত্রীর নির্দেশনা পেয়ে কাজ করতে শুরু করেছি। তিনি বলেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে কৃষকলীগ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT