রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৬:০৭ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ আসছে মানিকের ‘ফরিয়াদ’ ◈ শাহজাদপুরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন! মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে অপর ভাই ◈ মিনি কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ ◈ সাংবাদিক বোরহানউদ্দিন মোজাক্কির কে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন পালিত ◈ মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সভা অনুষ্ঠিত ◈ তিতাসে ডাকাত প্রতিরোধে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন ছাত্রলীগ ◈ কালিহাতীতে রেল লাইনে ফাটল! ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গতিসীমা ১০ কিলোমিটার ◈ সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে ২ মার্চ দেশব্যাপী কলমবিরতি ঘোষণা ◈ ভূঞাপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসলাম হোসাইনের বিদায় সংবর্ধনা ◈ কোম্পানিগঞ্জে বুরহান উদ্দিনের কবর জিয়ারতে বিএমএসএফ নেতৃবৃন্দ

নামাজ বাতিল হয়ে যাবে যে সব কারণে

প্রকাশিত : ০৬:১৬ AM, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ শনিবার ৪৭০ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক বা ফরজ। এটি ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি।

শাহাদাহ্ বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। নামাজ আদায়ের সময় কোনো কাজ তথা আমলে কাছির করা যাবে না। এমন কিছু কাজ রয়েছে যা ইচ্ছাকৃতভাবে করলে নামাজ বাতিল হয়ে যাবে।

নামাজ পড়া অবস্থায় যে সব কাজ করলে নামাজ হবে না তাহলো-

(১) পানাহার করা:

নামাজ আদায় কালীন সময়ে কোনো কিছু পানাহার করলে ওই নামাজ পুনরায় আদায় করতে হবে।

(২) নামাজে কথা বলা:

নামাজের প্রয়োজনীয় সুরা-ক্বেরাত, তাসহিব ও দোয়া ব্যতিত অন্য কোনো কথা বললে নামাজ হবে না। পুনরায় নামাজ আদায় করতে হবে।

হজরত জায়েদ বিন আরকাম রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, আমরা নামাজে কথা বলতাম, আমাদের অনেকে নামাজে তার পাশের সাথীর সঙ্গে কথা বলত তখন এ আয়াত নাজিল হয়-

‘তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে দাঁড়াবে।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৩৮) অত:পর আমরা (নামাজে) চুপ থাকার আদেশ প্রাপ্ত হলাম। আর কথা বলা থেকে নিষেধ প্রাপ্ত হলাম।’ (বুখারি মুসলিম)

(৩) ইচ্ছাকৃত বেশি কাজ (আমলে কাছির) করা:

নামাজে শুরু করার পর এত বেশি পরিমাণ কাজ করা যাতে এমন মনে হয় যে সে নামাজে নেই। এটা এমন হতে পারে যে, নামাজে এত বেশি নড়াচড়া করা হয় যাতে মনে হয় যে নামাজ পড়ছে না। আবার এত দীর্ঘ সময় প্রতিটি রোকন আদায় করা যে নামাজির প্রতি দৃষ্টিপাত করলে এমনটি মনে হবে যে সে নামাজে নেই।

(৪) ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজের শর্ত ত্যাগ করা:

বিনা ওজুতে নামাজ পড়া। যেমন নামাজের ওজু করা ফরজ। ওজু ছাড়া নামাজ হয় না। আবার কেবলার দিকে না ফিরে অন্য দিকে ফিরে নামাজ আদায় করা। হাদিসে এসেছে-

‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওই বেদুঈনকে পুনরায় নামাজ পড়তে বলেছেন, যে তার নামাজ সুন্দর করে পড়ে নাই- ‘ফিরে যাও নামাজ পড়; কেননা তুমি নামাজ পড়নি।’ (বুখারি ও মুসলিম)

(৫) নামাজে উচ্চস্বরে হাসা:

নামাজে উচ্চ স্বরে হাসলে নামাজ বাতিল হয়ে যায়। অর্থাৎ এমনভাবে হাসা যাতে নামাজের বাইরে থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় যে, নামাজি লোক হাসছে।

নামাজ পড়া অবস্থায় এ কাজগুলো থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। যদি কেউ এ কাজগুলোর সঙ্গে ইচ্ছাকৃত জড়িত থাকে তবে অবশ্যই সে ব্যক্তি নামাজ হবে না।

মহান আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলো পরিহার করে যথাযথভাবে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT