রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ১২ এপ্রিল ২০২১, ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৯:০৪ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ করোনার দ্বিতীয় টিকা নিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান – মোফাজ্জল হোসেন খান ◈ কাভার্ডভ‌্যান চাপায় না.গ‌ঞ্জ সিআইডির কন‌স্টেবল নিহত ◈ নারায়ণগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে মিলছে দুধ ডিম মাংস ◈ ধামইরহাটে নর্থওয়েষ্ট ক্যাবল নেটওয়ার্কে তালা, ভোগান্তিতে স্যাটেলাইট গ্রাহকরা ◈ ধামইরহাটে ২য় ধাপের করোনা মোকাবিলায় তৎপর প্রশাসন করোনায় আক্রান্ত স্বাস্থ্য প্রশাসক ও মুক্তিযোদ্ধা আইসোলেশনে ◈ দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিলেন  গৌরীপুরের গণমাধ্যমকর্মীরা ◈ ইউএনও’র মোবাইল নাম্বার ক্লোন করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টাকা দাবি ! ◈ রাজারহাট উপজেলা ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর শুভ উদ্বোধন ◈ শ্রীনগরে বাড়ৈগাঁও-পশ্চিম নওপাড়া সড়কটি এখন মৃত্যুকুপ! ◈ তিতাসে গোমতী নদীর পাড় ও ডিম চরের মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়

নমুনা পরীক্ষায় বাড়ছে ভিড়, বাড়ছে ভোগান্তি

প্রকাশিত : ০২:২৪ AM, ৩ এপ্রিল ২০২১ শনিবার ৩৫২ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

আবুল হোসেন

গত সপ্তাহ তিনেক ধরে উচ্চলাফে সংক্রমণ বেড়ে দেশে করোনা পরিস্থিতি বর্তমানে ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। এ অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতাল ও কেন্দ্রে করোনার উপসর্গ নিয়ে নমুনা পরীক্ষা করতে আসা মানুষের ভিড় বেড়েছে। এর সঙ্গে পালস্না দিয়ে নমুনা পরীক্ষার ভোগান্তি এখন অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে ঢাকার হাসপাতাল ও কেন্দ্রগুলোয় নমুনা পরীক্ষা করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে।

এর ওপর এমবিবিএস কোর্সের প্রথমবর্ষের (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে স্থাপিত পিসিআর ল্যাব বন্ধ রাখায় শুক্রবার নমুনা পরীক্ষায় দুর্ভোগের মাত্রা সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছে। এ দিন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুপুরের আগেই হঠাৎ টেস্ট বন্ধ করে দেওয়ায় নমুনা পরীক্ষা করতে আসা কয়েকশ’ ভুক্তভোগী বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

এদিকে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার কারণে রাজধানীর বেশ কয়েকটি হাসপাতালে আরটিপিসিআর ল্যাবে করোনা টেস্ট বন্ধ থাকলেও এ ব্যাপারে আগাম কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এমনকি এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরাসরি স্বীকারও করতে চাননি।

তবে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ বেশ কয়েকটি হাসপাতালের নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে শুক্রবার করোনা টেস্ট বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক থেকে শুরু করে কোভিড-১৯ নির্ণয়ের কাজে নিয়োজিত বিভিন্ন পিসিআর ল্যাবের টেকনোলজিস্ট, এমএলএসএসসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার হাসপাতাল কর্মকর্তারা পরীক্ষার বিভিন্ন কেন্দ্রে পরিদর্শক, পরীক্ষক ও কন্ট্রোলরুমের দায়িত্ব পালন করেন। এ কারণে এদিন দেশের কিছু মেডিকেল কলেজে স্থাপিত কোভিড-১৯ সংক্রমণ নির্ণয়ের কাজে নিয়োজিত পিসিআর ল্যাব বন্ধ রাখা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, শুধু পরীক্ষা চলাকালে এ ল্যাবগুলো বন্ধ ছিল। পরীক্ষার পর আবার কাজ শুরু করা হয়েছে।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, চিকিৎসক ও টেকনোলজিস্টরা প্রায় সবাই এমবিবিএস পরীক্ষার কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করায় করোনার নমুনা পরীক্ষার ল্যাব চালু রাখা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া রাজধানীর বাইরের অনেক মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবও বন্ধ থাকার খবর পাওয়া গেছে। যদিও এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কারো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিম্নমুখী হওয়ায় নমুনা পরীক্ষার হার সবখানে ক্রমান্বয়ে কমে আসে। তবে মার্চের প্রথম সপ্তাহের পর থেকে সংক্রমণে নতুন ঢেউ লাগায় বিভিন্ন হাসপাতাল ও কেন্দ্রে করোনার উপসর্গ নিয়ে নমুনা পরীক্ষা করতে আসা মানুষের ভিড় বাড়তে শুরু করে। এর সঙ্গে পালস্না দিয়ে নমুনা পরীক্ষার ভোগান্তি আগের মতো ভয়াবহ রূপ নেয়। বিশেষ করে ঢাকার হাসপাতাল ও কেন্দ্রগুলোয় নমুনা পরীক্ষা করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, মুগদাসহ বড় হাসপাতালগুলোয় নমুনা পরীক্ষার জন্য ভোরে লাইনে দাঁড়িয়েও দুপুরের আগে অনেকের সিরিয়াল মিলছে না। আবার অনেক সময় সিরিয়াল আসার আগেই নমুনা পরীক্ষার একদিনের নির্ধারিত কোটা শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেককে দ্বিতীয় দিন লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।

এদিকে নমুনা পরীক্ষার লাইন প্রতিদিনই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে নমুনা পরীক্ষা করাতে এসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, নমুনা পরীক্ষায় তাদের করোনা নেগেটিভ এলেও কিছুদিন পর তারা এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, নমুনা দিতে এসেই তারা সংক্রমিত হয়েছে। কারণ করোনার উপসর্গ নিয়েই সাধারণ মানুষ নমুনা পরীক্ষা করতে আসছেন। এদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত বিপুলসংখ্যক রোগী থাকছে। যারা হাঁচি-কাশি, এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যেও ভাইরাস ছড়াচ্ছেন। তাই তাদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।

উদ্বিগ্ন এ পরিস্থিতিতে বিত্তশালীদের শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে তারা অনেকেই সরকারি হাসপাতাল ও নমুনা পরীক্ষার কেন্দ্রে না গিয়ে ব্যক্তিমালিকাধীন হাসপাতালের শরনাপন্ন হচ্ছেন। তারা বাড়ি থেকে নমুনা দিয়ে তা পরীক্ষা করাচ্ছেন। এজন্য তাদের সাড়ে চার হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। বিত্তশালীদের এ টাকা দিতে কোনো কষ্ট না হলেও নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের পক্ষে তা ‘গোদের উপর বিষফোঁড়া’ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ফলে নানা দুর্ভোগ উপেক্ষা করে তাদের সরকারি হাসপাতালে একশ’ টাকার ফিতেই নমুনা পরীক্ষা করতে হচ্ছে।

এদিকে নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী, টেকনোলজিস্ট ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষও নতুন করে ভোগান্তি বাড়ার কথা নিঃসংকোচে স্বীকার করেছেন। তারা জানান, গত ডিসেম্বর থেকে নমুনা পরীক্ষা কমতে কমতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এসে তা প্রায় অর্ধেকে এসে দাঁড়ায়। এ সময় গড়ে প্রতিদিন ১২-১৩ হাজার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যায়ে বেশিরভাগ হাসপাতাল থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নমুনা পরীক্ষার কাজে সম্পৃক্ত স্বাস্থ্যকর্মী ও টেকনিশিয়ান সরিয়ে নিয়েছে। বেশকিছু নমুনা পরীক্ষা কেন্দ্র বন্ধ করেও দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় আকস্মিক করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় টেস্টও বেড়েছে। এতে তারা নতুন করে বিপাকে পড়েছে। স্বল্প লোকবল দিয়ে বিপুলসংখ্যক নমুনা পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা প্রতিনিয়ত হিমশিম খাচ্ছে।

যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দাবি, নমুনা পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত লোকবল আগের মতোই আছে। কয়েক মাস আগে সংক্রমণের হার নূ্যনতম পর্যায়ে পৌঁছানোর পর টেস্টের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম কিছুটা সংকুচিত করা হয়েছিল। সম্প্রতি সংক্রমণের হার বাড়তে শুরু করায় সবকিছুই আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এ ছাড়া যেসব জায়গায় আরটিপিসিআর মেশিনে নমুনা পরীক্ষার সুযোগ নেই, ওইসব এলাকায় অ্যান্টিজেন টেস্ট চালু রয়েছে। ফলে টেস্টের সংখ্যা আরও বাড়লে তা সামাল দেওয়া কঠিন হবে না। সরকারি হাসপাতাল ও কেন্দ্রগুলোতে স্বাভাবিকভাবেই নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তবে সম্প্রতি যারা বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে করোনা টেস্ট করিয়েছেন, তারা এ ব্যাপারে ভিন্ন মত পোষণ করেন। তাদের অভিযোগ, শুধু নমুনা দেওয়ার সময়ই নয়, ফল পেতেও নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, দেশে ৪৩টি সরকারি হাসপাতাল, ১১টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৩২টি বেসরকারি হাসপাতাল, ২৬টি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ১৮টি জিন এক্সপার্ট ল্যাব এবং ১০টি অ্যান্টিজেন টেস্ট ফ্যাসালিটি মিলিয়ে মোট ১৪০টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা চলছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ১০টা থেকে নমুনা সংগ্রহ শুরু হলেও পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে আসা মানুষ ভোর থেকে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে। যারা খোঁজ-খবর না নিয়ে সকাল ১০টার পর নমুনা পরীক্ষার জন্য এসেছেন, তারা দীর্ঘলাইন দেখে নিজেরাই ফিরে গেছেন।

তাদের একজন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন জানান, কদিন ধরে গলাব্যথা হওয়ায় তিনি অফিসে যাওয়ার পথে মুগদা হাসপাতালে নমুনা দিতে এসেছিলেন। তিনি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই লাইন এতোটা দীর্ঘ হয়ে পড়েছে, তা দেখে তিনি নিজেই ফিরে যাচ্ছেন। কেননা লাইনে দুই শতাধিক মানুষ রয়েছে। অথচ সেখানে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

সবুজবাগের মায়াকাননের বাসিন্দা আজগর আলী জানান, বাসার কাছে হাসপাতাল হওয়ায় তিনি ফজরের নামাজ পড়েই লাইনে এসে দাঁড়ান। তবে তার আগে আরও ২৭ জন রয়েছে। আগের দিন তার স্ত্রীকে নমুনা পরীক্ষা করাতে এসে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে বলে জানান তিনি।

শুক্রবার কুর্মিটোলা হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা করাতে আসা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকার বাসিন্দা হোসেন আলী জানান, বুধবার থেকে জ্বর আসায় অফিস থেকে তাকে নমুনা পরীক্ষা করাতে বলেছে। সে কারণেই সকালে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। সামনে যে বিপুলসংখ্যক মানুষ নমুনা পরীক্ষা করতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, তাতে তার সিরিয়াল আসার আগেই টেস্ট বন্ধ হয়ে যাবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন। হোসেন আলীর অভিযোগ, নমুনা পরীক্ষার লাইনেও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। ফলে সেখান এসেও অনেকে সংক্রমিত হতে পারে।

এদিকে সরকারি বেশকিছু হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা করাতে নানা ধরনের ঝক্কি রয়েছে। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নমুনা দিতে চাইলে আগের দিন সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত একঘণ্টা একটি মোবাইল নম্বরে কল করে সিরিয়াল নিতে হয়। পরদিন সকালে এসে একটি স্স্নিপ নিতে হয়, নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে নমুনা দেওয়ার লাইনে দাঁড়াতে হয়। মোহাম্মদপুর থেকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নমুনা দিতে আসা বীমা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বললেন, নমুনা দেওয়ার এই প্রক্রিয়া রোগীদের জন্য কঠিন। নিয়ম আরও সহজ ও দ্রম্নত করা দরকার। তার ভাষ্য, এখনকার সিস্টেম বুঝতেই অনেকের একদিন সময় লেগে যায়। এ ছাড়া যে মোবাইল নম্বরে কল করে সিরিয়াল নিতে হয়, ওই নম্বরে ফোন করলে শুধু ব্যস্ত দেখায়। ৩০-৪০ মিনিট ধরে কল না করে কেউ সিরিয়াল দিতে পারেন না।

নমুনা পরীক্ষা নিয়ে ভোগান্তি প্রসঙ্গে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, এমনিতেই দেশের মানুষের এ নিয়ে অবহেলার শেষ নেই। এর ওপর নমুনা পরীক্ষা করাতে এসে এ ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হলে টেস্টের সংখ্যা আরও কমবে। এতে করোনা পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর রূপ ধারণের আশঙ্কা রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, গত বছরের ভেরিয়েন্ট থেকে বর্তমানের ভাইরাস আলাদা কোনো ভেরিয়েন্ট, যা অনেক দ্রম্নত ছড়িয়ে পড়তে পারে। যেটার সংক্রমণের তীব্রতা বেশি এবং মৃতু্যর হারও বেশি।

তাই করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ এবং প্রাণহানি কমাতে জনগণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও সতর্ক এবং কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। নমুনা পরীক্ষা আরও বাড়াতে হবে এবং তা সহজ করতে হবে। নমুনা পরীক্ষা করাতে এসে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হলে এর সংখ্যা কমে যাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT