রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০২:৫৫ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ পত্নীতলায় ফেন্সিডিল ও মটরসাইকেলসহ ১ যুবক আটক ◈ নোয়াখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকায় ৪টি ফার্মেসিকে জরিমানা ◈ নোয়াখালীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু ◈ বেলকুচিতে মানববন্ধনের পর ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনে বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ ◈ বগুড়াব শেরপুরে শ্রী-কৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ◈ বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি’র মানববন্ধন ◈ ঈশ্বরদীতে রেলওয়ের ১১০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন ◈ মাদারীপুরের ডাসারে র‌্যাব-৮ এর অভিযানে মদ ও বিয়ার সহ আটক একজন ◈ বশেমুরবিপ্রবির কম্পিউটার চুরির ঘটনায় ১৯ প্রহরীকে শোকজ নোটিশ ◈ শ্রীনগরে মাদক কারবারি স্বপন গ্রেফতার

নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা ২৯ জুলাই

প্রকাশিত : ০৫:১৬ PM, ২৭ জুলাই ২০২০ Monday ৪৭ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্ত অর্থনীতি। এমন নাজুক পরিস্থিতিতে বেসরকারি ঋণ বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে আগামী ২৯ জুলাই (বুধবার) ২০২০-২১ অর্থবছরের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এবারের মুদ্রানীতিকে বলা হবে প্রবৃদ্ধি ও অর্থনীতি সহায়ক। মহামারির কারণে এবার ভার্চুয়ালি মুদ্রানীতি ঘোষণা হবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগে বছরে দুইবার মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করত। ছয় মাস অন্তর এই মুদ্রানীতি একটি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই মাসে এবং অন্যটি জানুয়ারি মাসে। কিন্তু গত বছর থেকে অর্থবছরের সাথে সামঞ্জস্য রাখার জন্য বছরে দুবার নয়, একবার মুদ্রানীতি ঘোষণার নিয়ম চালু করা হয়েছে। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে এর একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। এদিকে মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরই মধ্যে নানা কর্মসূচি নিয়েছে। বিশেষ করে প্রণোদনার মাধ্যমে ক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্প, বড় শিল্প ও সেবা খাত, রফতানি ও কৃষিসহ সব পর্যায়ে উৎপাদন ঠিক রাখতে ঋণ জোগান বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এজন্য সরকারের সুদ ভর্তুকির আওতায় কম সুদে ঋণের জন্য কয়েকটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে। এসব তহবিল থেকে ঋণ বিতরণের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান ঠিক রাখা অন্যতম লক্ষ্য। এসব লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার নির্ধারিত ৮ দশমিক ২০ শতাংশের কাছাকাছি জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন এবং মূল্যম্ফীতি ৫ দশমিক ৪০ শতাংশে সীমিত রাখার লক্ষ্যকে সামনে রেখে মুদ্রা সরবরাহ বাড়ানোর প্রাক্কলন করা হবে নতুন মুদ্রানীতিতে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছিল ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। কিন্ত তা অর্জন হয়েছে মাত্র ৮ দশমিক ৬১ শতাংশ। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে শেষ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি হয় ১১ দশমিক ২৯ শতাংশ। এর আগের অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT