রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

মঙ্গলবার ১৬ আগস্ট ২০২২, ১লা ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

০৫:০৭ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ নারীদের‘প্যানিক রুমে’আটকে নির্যাতন করতেন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার ◈ ৭৫ বছর পর ভারত-পাকিস্তানের ২ ভাইয়ের দেখা ◈ পাবনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন ◈ শোক দিবসে কাঙালি ভোজের আয়োজনে আওয়ামীলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০ ◈ বাংলাদেশ এশিয়া কাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে না ◈ পাপ থেকে বাঁচার উপায় জানালেন প্রভা ◈ শিশুটি চোখের সামনে বেঁচে ছিল, উদ্ধার করতে পারলাম না : রড মিস্ত্রী ইমরান  ◈ ডামুড্যা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন । ◈ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ পাবনার দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত ◈ বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতীয় মানের নেতা, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

নজরদারিতে অনিয়মের হোতা, মাদকের গডফাদার ও সুবিধাবাদীরা

প্রকাশিত : 06:18 AM, 24 September 2019 Tuesday 565 বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের তকমা লাগিয়ে দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও গডফাদারদের চিহ্নিত করা হয়েছে। সারা দেশে এসব অপকর্মের সাথে জড়িত সহস্রাধিক শীর্ষ কর্তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যাদের মধ্যে অধিকাংশ ২০০৮ সাল পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগদান করেছেন। শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে তাদেরও আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

তথ্যমতে, বিগত এক-এগারো সরকারের বিপর্যয় কাটিয়ে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আশার পর থেকেই দলটির ভিন্নপন্থিদের আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে। ২০১২ সাল পরবর্তী সময়ে দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা ও তৃণমূল সভায় একাধিকবার নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু বাস্তবে হয়েছে উল্টো। আওয়ামী লীগের একশ্রেণির নেতার ছত্রচ্ছায়া আওয়ামী লীগে ঢোকানো হয়েছে বিভিন্ন ঘরানার লোকজন।

গত ১০ বছরে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলোতে অনুপ্রবেশ ঘটেছে অন্তত পাঁচ লাখ ভিন্নপন্থি নেতাকর্মীর। তারা অধিকাংশ বিগত সময়ে বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ছিলেন। স্থানীয় সাংসদ ও দলীয় প্রভাবশালী নেতাদের হাত ধরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগসহ সহযোগী সংগঠনে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, স্বাধীনতার চেতনাবিরোধীসহ ধনাঢ্য ব্যক্তিদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। বাণিজ্যের বিনিময়ে এসব সংগঠনের কেন্দ্র থেকে জেলা-উপজেলা পর্যন্ত দলীয় পদে আনা হয়েছে।

মূলত দলীয় গ্রুপিংয়ে নিজের বলয়ে শক্তি বাড়াতে বিরোধী শিবিরের লোকজন বাড়ান তারা। অনেক ক্ষেত্রে ঠিকাদার, ব্যবসায়ী বা ধনাঢ্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে নামমাত্র দলে ঢোকানো হয়েছে। এরপর দলে ঢুকেই ঐসব হাইব্রিড নেতারাই স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্তাব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। রাজধানীসহ গোটা দেশেই এ হাইব্রিড নেতাদের দাপট। তাদের দাপটে দল থেকে দূরে সরে গেছেন দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা। এক প্রতিবেদনের বরাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এমনটাই জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, ক্ষমতায় আশার পর রাজধানীর ফুটপাত, বাসস্ট্যান্ড, নৌ ও রেলপথের টার্মিনাল, শিক্ষা অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর, রাজউক, নৌপরিবহন অধিদপ্তরসহ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের দপ্তরগুলো নিয়ন্ত্রণ নেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ কয়েকটি সংগঠনের নেতারা। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, জায়গা দখল, বাড়ি দখল, নদী দখল, ক্লাব পরিচালনার নামে ক্যাসিনো ব্যবসা খুলে বসেন ওইসব নেতাই। তাদের এসব অপকর্মের ভয়ে এবং অবৈধ অর্থের লোভে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে আসছে একশ্রেণির সরকারের কর্মকর্তারা। দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক নেতাদের অধিকাংশ হাইব্রিড। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও স্থানীয় সাংসদদের কমিশন দিয়ে অন্তত আট বছর ধরে আধিপত্য চালাচ্ছে তারা।

তাদের অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হত্যাকাণ্ডের শিকারও হয়েছেন। একাধিক হত্যাকাণ্ডের পর তার প্রমাণও মিলেছে। সরকারি দপ্তরগুলো নিয়ন্ত্রণসহ একশ্রেণির নেতা সারা দেশে মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। সীমান্ত এলাকা থেকে রাজধানী পর্যন্ত ভয়ানক সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। সারা দেশের তালিকায় সাংসদ, আ.লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও শ্রমিকলীগের সহস্রাধিক নেতার নাম উঠে আসে। যা নিয়ে আওয়ামী লীগের সর্বশেষ নীতি নির্ধারণি বৈঠকে দলে শুদ্ধি অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর তৎপর হয়ে ওঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার স্পোর্টস ক্লাবে অভিযান চালিয়ে ক্যাসিনো ব্যবসা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করে বিপুল অবৈধ অর্থ, জুয়ার সরঞ্জামসহ যুবলীগ, কৃষকলীগের একাধিক নেতাকে গ্রেপ্তার করেন। এম মধ্যে রয়েছেন— ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ চৌধুরি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের নামধারী নেতা ও প্রভাবশালী ঠিকাদার জিকে শামীম, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সদস্য শফিকুল আলম ফিরোজ।

গ্রেপ্তার তালিকায় রয়েছেন— যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাই হোসেন চৌধুরি সম্রাট, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদসহ আরও ৫ কাউন্সিলর, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওছারসহ দুই শতাধিক চিহ্নিত চাঁদাবাজ। রাজধানীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ম্যানেজিং কমিটির পদ নিয়ে বিপুল অবৈধ অর্থের মালিক হয়েছে এমন অর্ধশতাধিক নেতাও তালিকাতে রয়েছেন। শুধু রাজধানী নয়, তালিকায় উঠে আসা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ লোপাটকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া, রাঙ্গামাটি, নেত্রকোণা, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে এ অভিযান সারা দেশেই অব্যাহত থাকবে।

রাজধানীতে আধিপত্য বিস্তারে শীর্ষে রয়েছে যুবলীগ। বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময়ে যুবদলের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো প্রথমেই আয়ত্তে নেয় যুবলীগ। এরপর সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে যুবলীগের আয়ত্ত। বিশেষ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যুবলীগের রাজনীতি মানে রাতারাতি বিত্তশালী বনে যাওয়া। গোটা এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ড নিয়ন্ত্রণে নেয় যুব সংগঠনটির নেতারা।

দক্ষিণ যুবলীগের শীর্ষ ৫ নেতা ও সাবেক এক নেতার ক্ষমতার বদৌলতে মূলত ওয়ার্ডপর্যায়েও নিয়ন্ত্রণ করেন স্থানীয় নেতারা। ইউনিটটির সভাপতির ছত্রচ্ছায়ায় একাধিক মার্কেট ও বাড়ি দখল করার ঘটনাও ঘটেছে। রাত হলেই ওইসব নেতার ছত্রচ্ছাত্রায় মাদক ব্যবসাসহ ক্লাবের নামে চলে জুয়ার আসর। এসব অপকর্মের মাধ্যমে প্রতিদিন অন্তত দেড়শ কোটি টাকা অবৈধ আয় হয়, যার বিরাট অংশ পান নিয়ন্ত্রক নেতারা।

আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় সূত্র মতে, আগামী ২১তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে সারা দেশে একটি পরিছন্ন, সুসংগঠিত দল প্রতিষ্ঠা করতে চান আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর অংশ হিসেবে সারা দেশে দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, বিএনপি-জামায়াত থেকে আসা হাইব্রিড বা পড়গাছামুক্ত করতে শুদ্ধি অভিযানের নির্দেশনা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। দলের বাইরেও যারা দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়া গত জাতীয় সংসদ, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিরোধিতা করেছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। নৌকাবিরোধীদের আগামীতে দলীয় পদে না আনতে কড়াকড়ি নির্দেশনা দিয়েছেন নীতিনির্ধারকরা।

অভিযানের বিষয়ে গতকাল নিজ দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, অবৈধ ব্যবসা ও টেন্ডারবাজির মতো অপকর্মের বিরুদ্ধে সরকারের এই অভিযান চলছে। যেখান থেকেই তথ্য আসছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। গডফাদার বা গ্র্যান্ডফাদার বলতে আমরা কাউকে চিনি না। অপরাধ যে করবে তাকেই শাস্তি পেতে হবে।

সূত্রের দাবি, অবৈধ ব্যবসা, টেন্ডার বাজি, মাদক ব্যবসার মদদদাতা হিসেবে সরকারের ৬ মন্ত্রী, অন্তত ৩০ জন সাংসদসহ জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের নাম রয়েছে। সরাসরি অবৈধ কাজে জড়িতরা সারা দেশেই অধিকাংশ যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ ও স্থানীয় সাংসদ পরিবারের সদস্য। রাজধানীর তিন সাংসদসহ সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজার, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, বি.বাড়িয়া, কুমিল্লা, রাজশাহীর কয়েকজন সাংসদ নজরদারিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।রাজধানীতে ৪৯টি জোনে মাদক ব্যবসা পরিচালিত হয়। এসব জোনে তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রয়েছেন ১৩৮৪ জন। যাদের সাথে সারা দেশের বিশেষ করে বর্ডার এলাকা কক্সবাজার, বেনাপোল, চট্টগ্রাম ও চুয়াডাঙ্গার ব্যবসায়ীদের যোগসাজশ রয়েছে। বর্ডার জেলার ব্যবসায়ীদের হাত থেকেই রাজধানীসহ সারা দেশে মাদকদের চালান আসে।

মাদকের অভয়ারণ্য চুয়াডাঙ্গা জেলার মাদক জগতের ডন সাংসদ আলী আজগর টগরের ছোট ভাই, দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মুনছুর বাবু। সে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। বর্ডার এলাকা দর্শনা পৌরসভা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সে। সাংসদ ভাইয়ের ক্ষমতা ব্যবহার করে গোটা চুয়াডাঙ্গার মাদক সাম্রাজ্য দেখভাল করে। তার সঙ্গে ঢাকার ব্যবসায়ীদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। গত উপজেলা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেলেও সাংসদ ভাইয়ের ক্ষমতায় বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নৌকার জয় ছিনিয়ে নেয়। যে কারণে ইতোমধ্যে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। অভিযান শুরু হওয়ার পর আলী মুনছুর বাবুসহ সহযোগীরা আতঙ্কে সময় পার করছে বলে জানাগেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন ও মাদকের চক্রকে ভেঙে না দেওয়া পর্যন্ত এ অভিযান চলবে। যে-ই অপরাধ করুক না কেন, ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, গডফাদার হোক, মাদকে বা দুর্নীতিতে যে-ই জড়িত থাকুক, যে-ই টেন্ডারবাজি করবে, সরকারি দল হলেও ছাড় দেওয়া হবে না। এখানে আপস বা ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই নেই। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের আগে বিমানবন্দরে বলে গেছেন, তার দেশে অনুপস্থিত থাকার সময়ও এই অভিযান চলবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT