রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

মঙ্গলবার ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ভিবিডি গোপালগঞ্জ জেলা কর্তৃক আয়োজিত “আনন্দ আহার” ◈ সম্প্রীতির হবিগঞ্জ সংগঠনের জেলা শাখার সিনিয়র সদস্য নির্বাচিত হলেন শুভ আহমেদ ◈ কবিতা : শীতের পিঠা – মোঃ শহিদুল ইসলাম ◈ ধামইরহাটে জঙ্গিবাদ মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যুবলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ ◈ ধামইরহাটে দার্জিলিং জাতের কমলার চারা রোপন ◈ ধামইরহাটে মাস্ক না পরায় বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের জরিমানা, সচেতন করতে রাস্তায় নামলেন এসিল্যান্ড ◈ সকল ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধীদের প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান ◈ ধামইরহাটে অজ্ঞাত রোগে মাছে মড়ক, ৩০ লাখ টাকার ক্ষতিতে মৎস্যচাষী’র হাহাকার ◈ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেই জনকল্যানমূলক কাজ সবচেয়ে বেশি হয়েছে- এমপি শাওন ◈ উদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের স্মার্ট কার্ড বিতরনের উদ্বোধন করেন চেয়ারম্যান ননি

নগরবাড়ী নৌবন্দর শ্রমিকদের সাপ্তাহিক ছুটি নেই!

প্রকাশিত : ০৫:১৯ AM, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ Tuesday ২৭৫ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

বেড়ার নগরবাড়ী নৌবন্দরের শ্রমিকদের সাপ্তাহিক ছুটি নেই। পেটের তাগিদে প্রতিদিনই তাদের টানা কাজ করতে হয়। শ্রমিকরা এ অবস্থার পরিবর্তন চান।

বেড়ার নগরবাড়ী নৌবন্দর ১৯৬৪ সালে নগরবাড়ী-আরিচা রুটের ফেরি চলাচল শুরু হওয়ার পর থেকেই উত্তরাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাতি লাভ করে। ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা এ কয়লা কার্গো জাহাজসহ প্রতিদিন সাত থেকে আটটি কার্গো জাহাজ ভিড়ে নগরবাড়ী নৌবন্দরে। এখানে প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার শ্রমিক ঝুঁকি নিয়ে কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ১৫-২০ হাজার টন রাসায়নিক সার, সিমেন্ট, ক্লিংকার, কয়লা, গমসহ পণ্যসামগ্রী লোড-আনলোডের কাজ করেন। ভরা মৌসুমে এরও বেশি শ্রমিক কাজ করেন এই বন্দরে। তবে কোনো সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়াই প্রতিদিন টানা এই কাজ করে যেতে হয় পেটের তাগিদে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শ্রমিক বলেন, আমরা কোনো মানুষের কাতারেই পড়ি না। আমাদের কোনো নিজস্ব জীবন নেই। সপ্তাহে সাত দিন আর মাসে ত্রিশ দিনই আমাদের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। পরিবার-পরিজনকে দেওয়ার মতো আমাদের সময় হয় না। সাপ্তাহিক ছুটি দাবি করলে ঘাটে আসতে নিষেধ করে। আমরা সপ্তাহে অন্তত একদিন ছুটি চাই। যাতে করে সারা সপ্তাহ কাজের পর পরিবার-পরিজন নিয়ে একটু সময় কাটাতে পারি।

সিমেন্ট আনলোড করা শ্রমিক সরদার আলম বলেন, ১৫-২০ বছর আগে নৌবন্দরে শুক্রবার ছুটি থাকত, এখন সে নিয়ম উঠে গেছে।

শ্রম অধিদপ্তরের (শ্রম পরিদর্শক সাধারণ) মিজানুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘাট কর্তৃপক্ষ পুরান ভারেঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল্লাহ শ্রমিকদের সাপ্তাহিক ছুটি না থাকার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শ্রমিকরা ছুটির কথা বলেছে। কিন্তু বন্দরে জাহাজ পৌঁছানোর পরে মালামাল নামানোর নির্দিষ্ট একটা সময় থাকে। যথাসময়ে না নামালে জাহাজ ভাড়ার জরিমানা দিতে হয়। তবে ছুটির বিষয় নিয়ে আমি সবার সঙ্গে কথা বলবো।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT