রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০২:৩৪ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ পত্নীতলায় ফেন্সিডিল ও মটরসাইকেলসহ ১ যুবক আটক ◈ নোয়াখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকায় ৪টি ফার্মেসিকে জরিমানা ◈ নোয়াখালীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু ◈ বেলকুচিতে মানববন্ধনের পর ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনে বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ ◈ বগুড়াব শেরপুরে শ্রী-কৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ◈ বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি’র মানববন্ধন ◈ ঈশ্বরদীতে রেলওয়ের ১১০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন ◈ মাদারীপুরের ডাসারে র‌্যাব-৮ এর অভিযানে মদ ও বিয়ার সহ আটক একজন ◈ বশেমুরবিপ্রবির কম্পিউটার চুরির ঘটনায় ১৯ প্রহরীকে শোকজ নোটিশ ◈ শ্রীনগরে মাদক কারবারি স্বপন গ্রেফতার

ঢাবির গবেষণায় স্বল্প বরাদ্দও খরচ হয় না কেন?

প্রকাশিত : ০৪:৩৯ PM, ২৬ জুলাই ২০২০ Sunday ৩৬ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)-এর গবেষণা খাতে বরাদ্দ এমনিতেই কম, তবে সেই অর্থও পুরোপুরি খরচ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। গত অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ৪০ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এরমধ্যে ৩৭ কোটি ৭২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬টি গবেষণা কেন্দ্র এবং ৮৪টি বিভাগসহ গবেষণার জন্য এত বড় পরিসর থাকার পরও এই স্বল্প টাকা শেষ না হওয়ার কারণ হিসেবে গবেষণা না হওয়াকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক থেকে অধ্যাপক পর্যন্ত পদোন্নতি পাওয়ার ক্ষেত্রে এখন গবেষণার চেয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। তারা বলছেন, যেখানে প্রচুর পরিশ্রম এবং সময় লাগিয়ে গবেষণা করে পদোন্নতি পাওয়ার চেয়ে রাজনীতি করে, দলবাজি করেই খুব সহজে পদোন্নতি এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসা যায়; সেখানে শিক্ষকরা কেন এত কষ্ট করে গবেষণা করবেন। আবার অনেক শিক্ষক গবেষণা দিয়েও পদোন্নতি পেতে অনেক দুর্ভোগ পোহান, অনেক সময় বঞ্চনার শিকার হতে হয়, দীর্ঘ সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এসব কারণে শিক্ষকদের মধ্যে গবেষণার প্রতি অনাগ্রহ তৈরি হচ্ছে। গত তিন বছরের গবেষণা খাতে বরাদ্দের হিসাব করলে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে গবেষণায় মোট বরাদ্দ ছিল ৬.৬৬ শতাংশ। ২০১৯-২০ সেশনে ৫.৪ শতাংশ। ২৩ জুলাই বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশনে ৮৬৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন হয়। ২০২০-২১ অর্থাৎ চলতি অর্থবছরে গবেষণায় ৪.৭ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়। গবেষণার বরাদ্দের চিত্র দেখলে বোঝা যায়, বরাদ্দ ক্রমান্বয়ে কমেছে। এরমধ্যে গত বছরের গবেষণার বরাদ্দের পুরোটাই খরচই হয়নি। গবেষণায় স্বল্প বরাদ্দ খরচ না হওয়াকে প্রশাসনের সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখছেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৬টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। অনুষদকে কখনও গবেষণার জন্য টাকা দেওয়া হয় না। যেটা দেওয়া উচিত বলে মনে করি। এখন গবেষণায় যে ক্ষুদ্র বাজেট, তাও কেন খরচ হয়নি তা গবেষণা কেন্দ্রগুলোর পরিচালকরা ভালো বলতে পারবেন। এতগুলো গবেষণা সেন্টার বানিয়ে যদি ভালোভাবে কাজটা না করা যায়, তাহলে এসব গবেষণা কেন্দ্র বানানোর প্রয়োজন কী? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসর অনেক বড়। এখানে ৮৪টি বিভাগ ৫৬টি গবেষণা কেন্দ্র থাকা সত্ত্বেও কেন গবেষণার স্বল্প বাজেট খরচ হবে না? আমি মনে করি যে এটা সমন্বয়হীনতার পরিচয়। আবার এখন আমাদের নবীন শিক্ষকরা যারা নিয়োগ পাচ্ছেন, তাদের মধ্যে গবেষণার কোনও আগ্রহ আমরা লক্ষ করছি না। এর বড় কারণ হলো, তারা কোনও কোনও হলের আবাসিক শিক্ষক হন, তাদের অনেক কাজ থাকে। আবার অনেকে বিদেশে পড়তে যান। কিন্তু এসবের মাঝখানে যে তাকে গবেষক হিসেবে তৈরি হতে হবে, সেই আগ্রহ তাদের মধ্যে দেখা যায় না। রাজনীতি করে যদি অন্য জায়গায় সুবিধা পাওয়া যায়, তাহলে রাজনীতি করা ভালো না?’ এসব বিষয় নিয়ে নীতিনির্ধারক যারা আছেন, তাদের কাজ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন সাদেকা হালিম। আবার গবেষণা করতে গেলেও শিক্ষকদের প্রচুর বাধার সম্মুখীন হতে হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেউ কেউ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লজিস্টিক এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্ট পান না বলেও জানিয়েছেন। গবেষণার জন্য বিদেশ থেকে কীভাবে ফান্ড পেতে হয়, সেই বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় সরবরাহ করতে পারে বলে অনেক শিক্ষকের অভিযোগ। এছাড়া ব্যবসা এবং কলা অনুষদের শিক্ষকরা অর্থের জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিতে বেশি ব্যস্ত থাকেন বলে গবেষণা নিয়ে তাদের কোনও আগ্রহ নেই বলেও মনে করেন অনেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে জুনিয়র শিক্ষকদের জন্য গবেষণার সুযোগ কম। বিশ্ববিদ্যালয়কেই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই সুযোগ তৈরি করে দিতে হয়। কিন্তু এজন্য যে ফান্ডিং কিংবা অনুকূল পরিবেশ দরকার, সেটা তো নাই।’ নিজ অনুষদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের ফ্যাকাল্টির নিজস্ব ফান্ড থেকে গবেষণার প্রস্তাবনা আমন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু মুশকিল হলো যে, কেউ অনানুষ্ঠানিকভাবে কোনও ক্রিটিক্যাল রিসার্চে আগ্রহ দেখালে সেটাকে নিরুৎসাহিত করা হয়। যেমন- আমি বড়পুকুরিয়ার কয়লা খনির রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে কাজ করতে চাইলে কী আমাকে ফান্ড দেবে ফ্যাকাল্টি অফিস? ইচ্ছা থাকলেও রাজনৈতিক ঝুঁকির বিবেচনা ফান্ড দেবে না। ফ্যাকাল্টি অফিস হোক বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সব সিদ্ধান্ত সরকার দলীয় রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিবেচনা করা হয়। সম্প্রতি ফার্মেসি বিভাগে ফারুক স্যারের বাজারের পাস্তুরিত দুধের মান যাচাইয়ের মতো সাধারণ একটা কাজ নিয়েই তো কী রকম যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হলো। উনার বিভাগই তো স্যারের কাজের আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও দায়িত্ব নিলো না। তাই গবেষণা হলেও ক্রিটিক্যাল কাজ আর হবে না। রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ বা গবেষণা সরকারের পক্ষে যাচ্ছে না বিপক্ষে এগুলোও স্বাধীন গবেষণার জন্য বড় বাধা। অথচ দিন শেষে গবেষণা তো রাষ্ট্রকেই সাহায্য করে। তবে দুঃখজনক হলো আমাদের প্রশাসনের দায়িত্বে যারা নেন, তাদের কাছে প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থের চেয়ে তাদের নিজস্ব ব্যক্তিগত স্বার্থই আসল।’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের আরেকজন শিক্ষক বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে মোটা দাগে চার ধরনের শিক্ষক রয়েছেন। এক ধরনের শিক্ষকরা আছেন, যারা কোনও গবেষণায় করেন না, ক্লাসও ঠিকমতো নেন না। আবার কেউ কেউ আছেন গবেষণায় মনোযোগী না হলেও ক্লাস নেন নিয়মিত। আরেকদল আছেন যারা ক্লাস নিতে খুব অনাগ্রহী, কিন্তু গবেষণায় ব্যস্ত থাকেন সব সময়; এনারা বিভিন্ন দেশি-বিদেশি অর্গানাইজেশনের পক্ষে সীমাহীন কনসালটেন্সি করাকেই গুরুত্ব দেন বেশি। কিছু অল্প সংখ্যক শিক্ষক আছেন, যারা ক্লাস এবং গবেষণা দুটোই করার চেষ্টা করেন; তাদের জন্য গবেষণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনটা মূল বিষয় নয়, এনাদের অনেকে ব্যক্তিগতভাবে অর্থ খরচ করেও গবেষণা করেন। এদিকে গবেষণার সুযোগ সব বিভাগের জন্য আবার একই রকম না। বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকরা বেশি গবেষণা করেন। ব্যবসা অধ্যয়ন অনুষদের শিক্ষকরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিতে বেশি ব্যস্ত। বিজ্ঞান অনুষদের অনেক শিক্ষক ইংরেজি মাধ্যম স্কুলেও পড়ান। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অনেকেই কনসালটেন্সি সেবা দেন।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিক্ষক আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোনও পদে পদোন্নতির জন্য সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি পূরণ করতে হয়। তবে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হলে এই শর্তগুলো শিথিল হয়ে যায়। আবেদনকারী শিক্ষকের নিজের জেলার পরিচয়ও অনেক বড় নিয়ামক হয়ে যায় কখনও কখনও। তারা সব শর্ত নিশ্চিত না করলেও অসুবিধা নেই, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের পদোন্নতি দিয়ে দেয়। সরকারদলীয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনেক সময় রচনা (থিসিস) চুরির মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সমস্যা হয় না। কিন্তু সাধারণ শিক্ষকদের জন্য নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে না সাধারণত। তাদের জন্য পদোন্নতি পাওয়া খুব সহজ কাজ নয়। অনেকে শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে অনেক দক্ষ হয়েও পদোন্নতি পেতে অনেক দুর্ভোগ পোহান। অনেক শিক্ষক বঞ্চনার শিকার হন।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা বলেন, ‘পদোন্নতি পেতে হলে যেখানে প্রকাশনা থাকতে হয়, সেখানে তা না করে রাজনৈতিক কারণে বা অন্যকোনও কারণে যখন পদোন্নতি পাওয়া যায়, তখন গবেষণার প্রয়োজন কী? গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের যে পরিবেশের প্রয়োজন, সেটা তো নেই। এছাড়া বিদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় নানা সময়ে গবেষণার প্রস্তাবনা নিয়ে আসেন এবং তারা সেখানে আমাদের যুক্ত হতে অনুরোধ করেন, তখন দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিছু লজিস্টিক এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্টের প্রয়োজন হয়, সেই সাপোর্টটা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়ার কোনও উপায় নেই। এখানে সামান্য তথ্যের জন্য রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে ঘুরতে হয়। তাছাড়া গবেষণা না করেও এখানে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে খুব কম সময়ে প্রফেসর হওয়া যায়। ধরেন কেউ কেউ মেধা খাটিয়ে প্রকাশনা বের করেন। আবার কেউ পত্রিকাতে লেখা ছাপালেন। তাদের দুজনের লেখাকে এক মানদণ্ডে মাপা হয়। তাহলে ভালো জার্নালে প্রকাশনার জন্য এত কষ্ট আমি কেন করবো? আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান বলেন, ”বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য পেশাগত সুযোগ-সুবিধা ও গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য তো দরকষাকষি করার কথা শিক্ষক সমিতির। কিন্তু শিক্ষক সমিতির নেতৃত্বে যারা আসেন, তারাও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে রয়েছেন। শিক্ষক সমিতির নেতাই যদি প্রশাসনিক পদে থাকেন, তখন কে কার পক্ষে কথা বলবেন? এটা তো পুরোমাত্রায় ‘কনফ্লিকট অব ইন্টারেস্ট।’ আবার প্রশাসনের যারা থাকেন, তারা তো সরকারি দলেরই সমর্থক। ১৯৯০ সালের পর থেকে মোটাদাগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মানেই ক্ষমতাসীন দলের কম-বেশি বিস্তৃত অংশ, তাদের কোনও স্বকীয়তা নেই, স্বাধীনতা নেই। সরকারি ছাত্র সংগঠনের নেতারাও তাদের কাছে ‘মহামূল্যবান’। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় আর বিশ্ববিদ্যালয় থাকে না।” এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গবেষণার বরাদ্দ কেন পুরোপুরি খরচ হয়নি তা দেখতে হবে। গবেষণায় বরাদ্দ খুব সামান্যই থাকে বলে জানি। কিন্তু যতটুকুই থাকুক না কেন, গবেষণা করলে তো খরচ হওয়ার কথা। গবেষণার ৩ কোটি টাকা অব্যবহৃত, এটা আমার কাছে এখনও বিশ্বাসযোগ্য হয় না। এখানে কোনও তথ্যের ঘাটতি আছে কিনা, তা দেখতে হবে। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট গবেষণা কেন্দ্রগুলোর হিসেবে সমন্বয় হয় না।’ উপাচার্য একটি প্রবাদ বাক্যের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘এটা হলো কাজীর গরুর মতো। অনেক সময় বলা হয়, গোয়ালে গরু নাই, কিন্তু কাগজে আছে। এরকম যদি হয়ে থাকে, তাহলে গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে। যদি অব্যবহৃত থাকে সেটাও দেখতে হবে। আবার হিসাবের সমন্বয়হীনতার জন্য তথ্যের ঘাটতে হলে তাও দেখতে হবে। এ বিষয়ে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি সভা ডাকবো।’

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT