রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৪:১৬ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ পরকীয়া সন্দেহে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন, স্ত্রী আটক ◈ নবীগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন ২০২১ প্রতিযোগীতা সফলে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ◈ ভালুকায় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত এক আহত ছয় ◈ ধামইরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহার আলী আর নেই, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ◈ ধামইরহাটে পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলরদের বিদায় ও বরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ◈ রায়পুরে আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশ‌তেহার ঘোষণা ◈ না.গ‌ঞ্জে বিদ‌্যুৎস্পৃ‌ষ্টে ইউ‌পি চেয়ারম‌্যা‌নের ভাই‌য়ের মৃত‌্যু ◈ দীর্ঘদিন সরকারে থাকায় সব খাতে উন্নয়ন হচ্ছে ◈ যুক্তরাষ্ট্রে অনথিভুক্ত বাংলাদেশিদের নথিভুক্তের অনুরোধ মোমেনের ◈ করোনার টিকা নিলেন রওশন এরশাদ

ড্রেজিংয়েও হচ্ছে না পানি প্রবাহ পলিতে ঢেকে যাচ্ছে তিস্তা ক্যানেল

প্রকাশিত : ০২:২৪ AM, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ শুক্রবার ১২৮ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

তিস্তা নদীর ক্যানেল ড্রেজিং করা হলেও পানির প্রবাহ না থাকায় কোনো কাজে আসছে না। তিস্তার একটি নতুন চ্যানেল বের হওয়ায় গত বছর রংপুর-লালমনিরহাট সড়ক পানির তোড়ে ভেঙে যায়। আবার বন্যার সময় উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সম্পূর্ণ ক্যানেলটি পলিতে ভরাট হয়ে যায়। পানির প্রবাহ ভিন্ন দিকে যাওয়ায় শংকরদহ গুচ্ছগ্রামটি এখন হুমকির মুখে। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বিনবিনা এলাকায় বাঁধ না দেওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড পানির গতিপথ পরিবর্তনের জন্য এ বছর শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা নদীতে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ক্যানেল খনন করে। বরাদ্দ দেওয়া হয় ৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। কিন্তু ক্যানেল খননে এত টাকা ব্যয় করলেও সেই ক্যানেলে পানি নেই। উজান থেকে পলি পড়ে ভরাট হয়ে গেছে ক্যানেলটি। ফলে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এলাকার লোকজন বলেছেন, অপরিকল্পিতভাবে ক্যানেল খননের কারণে ৫ কোটি টাকা গচ্চা গেল।

স্থানীয় লোকজন জানান, গত দুই বছরে বিনবিনা এলাকা থেকে তিস্তার একটি নতুন চ্যানেল বের হওয়ায় গত বছর রংপুর-লালমনিরহাট সড়ক পানির তোড়ে ভেঙে যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছিল। তাছাড়া বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে যায় তিস্তায়। শংকরদহ গুচ্ছগ্রামটি এখন ভাঙন হুমকির মুখে। কিন্তু এ বছরও বিনবিনা এলাকায় বাঁধ না দেওয়ায় আবারও পানির গতিপথ একই দিকে থাকে। ফলে ক্যানেল খনন করার পরও পানির গতিপথ পরিবর্তন হয়নি। বরং বন্যার সময় উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সম্পূর্ণ ক্যানেলটি পলিতে ভরাট হয়ে যায়। ফলে ক্যানেলে পানির প্রবাহ এখন প্রায় শূন্যের কোঠায়।

শংকরদহ এলাকার মেম্বার মোন্নাফ আলী বলেন, ‘কি যে ক্যানেল খুঁড়িল এলায় পানি নেই। সরকারের টাকা বালুতে মিশে গেছে’। তিনি আরো বলেন, ক্যানেল দিয়ে পানি প্রবাহিত হলে হয়তো গুচ্ছগ্রামটি রক্ষা পেত।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, কোনো কাজে আসছে না ক্যানেল। তিনি এই খনন কাজের তদন্ত দাবি করেন। তিনি আরো বলেন, বিনবিনা থেকে মহিপুর শেখ হাসিনা সেতু পর্যন্ত বাঁধ না দিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ শংকরদহ, বিনবিনা, ইচলির ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হবে। সেই সঙ্গে রংপুর-কাকিনা সড়ক হুমকির মুখে পড়বে।

নোহালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ টিটু বলেন, নোহালীর কচুয়ায় যে ক্যানেল খনন করা হয়েছে তা কোনো কাজে আসবে না। এর রেজাল্ট একদম জিরো। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, তিস্তায় দুই পয়েন্টে ড্রেজিংয়ের কাজ হয়েছে। একটি নোহালীর কচুয়ায় এবং অন্যটি বিনবিনা এলাকায়। এর মধ্যে বিনবিনা এলাকার ক্যানেলটি পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় কাজে আসবে না। আর নোহালীতে ড্রেজিংয়ে একটু কাজ হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT