রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ৩০ মে ২০২০, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৮:৪২ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ মক্কার মসজিদ ছাড়া সব মসজিদ খুলে দেওয়ার ঘোষণা ◈ আখাউড়ায় অতিরিক্ত লোডশেডিং ,ডিজিএম’র সমালোচনায় সরব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ◈ উলিপুরে আরো ৩জন করোনা রোগী সনাক্ত ◈ ধুনটে বিষাক্ত মদপা‌নে দুই যুব‌কের মৃত্যু : হোমিও চিকিৎসক গ্রেফতার ◈ কেশবপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক স্বর্গীয় তরুণ অধিকারীর ১৪ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত ◈ ছেলে বউয়ের মারধোরে শেষ বয়সে রাস্তায় মা ◈ তিতাসে অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ◈ তাড়াইলে সহকারী কমিশনার ভূমি (ম্যাজিস্ট্রেট) আবু রিয়াদ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ◈ বীর মুক্তিযোদ্ধা ঝন্টু কুমার দে এর গার্ড অব অনার প্রদান ◈ র‍্যাব ৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের উদ্দোগে মহিপুরে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

ডিমের হালি ২৪ টাকা, লোকসানের মুখে খামারিরা

প্রকাশিত : ০৬:৫৯ PM, ১৩ মে ২০২০ Wednesday ৬ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

করোনা পরিস্থিতিতে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় নাটোরের চলনবিলসহ সব উপজেলা এলাকায় হাঁসের ডিমের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। বর্তমানে এক হালি (চারটি) ডিম ২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে লোকসানের মুখে পড়ছেন এসব এলাকার কয়েকশ খামারি। তবে ডিমের দাম কম হওয়ায় খুশি সাধারণ ক্রেতারা। কারণ বাজারে মাছের দাম আকাশছোঁয়া! তাই মাছের পরিবর্তে ডিম দিয়েই চাহিদা মেটাচ্ছেন তারা। এদিকে খামারিরা জানান, চলনবিল ও হালতিবিলসহ সব উপজেলা এলাকায় উন্মুক্ত জলাশয়ে পাঁচ শতাধিক হাঁসের খামার রয়েছে। তবে চলনবিল এলাকাতেই রয়েছে দেড় শতাধিক হাঁসের খামার। এসব খামার থেকে প্রতিদিন প্রায় লক্ষাধিক পরিমান ডিম উৎপাদিত হয়। এসব ডিম আগে ৫০ টাকা হালিতে বিক্রি হয়েছে। এখন করোনার কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় তারা ডিম বাজারজাত করতে পারছেন না। আগে পাইকাররা এসে ডিম কিনে নিয়ে যেতো। আর ক্রেতার অভাবে চাহিদা মাফিক ডিম বিক্রি করতে পারছেন না খামারিরা। ফলে ডিমের দাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে পচন ঠেকাতে লোকসান দিয়ে হলেও কম দামে ডিম বিক্রি করছেন খামারিরা। সিংড়ার শহরবাড়ি গ্রামে গড়ে তোলা হাঁসের খামারি মো. রিপন ও উজ্জল হোসেন জানান, চলনবিল গেট সংলগ্ন আড়তে তারা সপ্তাহে দুইদিন ডিম বিক্রি করেন। আগে প্রতি হাটেই ৪৫ থেকে ৫০ টাকা হালিতে ডিম বিক্রি করেছেন তারা। এখন করোনার কারণে আড়তে ক্রেতাশূন্যতা দেখা দিয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে অর্ধেক দামে ডিম বিক্রি করছেন তারা। এতে তাদের খরচের টাকাই ওঠছে না। তাই যাতে পচে নষ্ট না হয়, সেজন্য কম দামেই বিক্রি করছেন এসব ডিম। ডিম ক্রেতা বালুয়া বাসুয়া মহল্লার বাসিন্দা রানা আহমেদ জানান, এত কম দামে পাওয়ায় তিনি বাড়ির জন্য ১২০টি হাসেঁর ডিম কিনেছেন। চলনবিল গেট সংলগ্ন ডিমের আড়তের মালিক রুহুল আমিন জানান, করোনার কারণে পরিবহন স্বল্পতায় পাইকাররা আসছেন না। তাছাড়া অনেক দোকানও বন্ধ রয়েছে। তাই ডিমের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। ডিম সময়মত বাজারজাত করতে না পারলে খামারিদের লোকসান গুণতে হবে। এতে খামার মালিকরা নিরুৎসাহিত হবে। তাই সরকারিভাবে ডিম বাজারজাতকরণে ব্যবস্থা করা জরুরি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT