রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ০১ মার্চ ২০২১, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৬:২৫ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ পত্নীতলায় জনপ্রিয় হচ্ছে পরিবেশ বান্ধব পার্চিং পদ্ধতি ◈ সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যানকে কুপিয়ে হত্যা ◈ বন্দরের জায়গা উদ্ধারে লালদিয়ার চরে উচ্ছেদ অভিযান চলছে ◈ উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হলো রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা নির্বাচন, নৌকার বিজয় ◈ নওগাঁয় প্রকাশ্য দিবালোকে গৃহকর্মীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা ◈ বান্দরবানে বিভিন্ন ৯টি মামলার জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ধ্বংস ◈ পুনরায় নির্বাচিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালো ধামইরহাটের শিক্ষক নেতা বকুল-শাহজাহান ◈ ধামইরহাটে আবারও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি বকুল-সম্পাদক শাহজাহান পুনঃনির্বাচিত ◈ রায়পু‌রের নব‌নির্বা‌চিত মেয়র ধা‌নের শী‌ষের প্রতিদ্বন্ধীর সা‌থে সৌজন‌্য স্বাক্ষাত ও ফু‌লেল শু‌ভেচ্ছা বি‌নিময় ◈ খলিলপুর ইউপি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন, কমিটি গঠন

ডিমের গায়েও এক্সপায়ারি ডেট

প্রকাশিত : ০৪:২৭ AM, ১৫ অগাস্ট ২০১৯ বৃহস্পতিবার ৩৬০ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

 

ওষুধের গায়ে এক্সপায়ারি ডেট লেখা থাকে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ডিমের গায়ে এক্সপায়ারি ডেট! অবাক করার মতো হলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড়ের কাশীপুর বাজারের এক মুদি দোকানকার এমন কাজ করে হইচই ফেলে দিয়েছেন।

বাজারের মুদি দোকানি আব্দুল জলিল মোল্লা ‘বেস্ট বিফোর’ লেবেল লাগিয়ে ডিম বিক্রি করছেন। ভাঙড় দুই নম্বর ব্লকের বিডিও কৌশিক কুমার মাইতি বলেন, ডিমের গায়ে তারিখের কথা এই প্রথম শুনছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।

ভাঙড়ের চড়কপোতা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবেশ পাল মিড ডে মিলের জন্য কাশীপুর বাজার থেকে ডিম কিনেছিলেন। সেই ডিমের গায়ে তারিখ দেখে অবাক হয়ে যান তিনি। প্রধান শিক্ষকের মুখ থেকেই এক্সপায়ারি ডেটের কথা ছড়িয়ে পড়ে।

ভাগাড়ের মাংস বা ফর্মালিন মেশানো মাছের মতো অভিযোগ ওঠেনি ডিমের। একবার অবশ্য প্লাস্টিকের ডিমের কথা বাজারে ছড়িয়েছিল। পরে তা গুজব বলেই জানা যায়। কিন্তু ডিম কতদিন ভালো থাকবে তা নিয়ে ক্রেতারা কিছুই বুঝতে পারেন না। বাজার থেকে যে ডিমটি কিনছেন, তা কতদিন আগে পাড়া জানার কোনো উপায়ও নেই।

অনেক ক্ষেত্রেই বাড়িতে ফিরে রান্নার সময় দেখা যায় দু-একটা ডিম পঁচা। ভাঙড়ের বাসিন্দা তৃপ্তি মণ্ডলের গলাতেও একই সুর। তৃপ্তি বললেন, স্বামী ডজনে ডিম কিনে আনেন। প্রায়ই একটা-দুটো ডিম পচা বের হয়। ডিমের গায়ে স্ট্যাম্প লাগানো শুনে তৃপ্তি জানালেন, তিনিও এবার জালিলের দোকান থেকেই ডিম কিনবেন।

গ্রামের বাজারে এক্সপায়ারি ডেট লাগানো ডিম বিক্রির বিষয়টি মাথায় এল কী করে? প্রশ্ন করা হয় জলিল। জলিল বলেন, আমি শিয়ালদহ পাইকারি বাজার থেকে কিনি। ওরাই আমাকে স্ট্যাম্প দেওয়া ডিম দিল। এখন দেখছি স্ট্যাম্প দেয়া ডিমের ভীষণই চাহিদা।

ঝাঁ চকচকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মলেও এখন ডিম বিক্রি হয়। সেখানে ডিমের গায়ে না হলেও প্যাকেটে ডেট দেয়া থাকে। কিন্তু জলিলের আনা ডিমের গায়েই লেবেল লাগানো। প্রশ্ন হল, ডেট থাকলেও, তা কতটা বিশ্বাসযোগ্য?

ডিম বিক্রেতাদের থেকে জানা গেল ডিম পাড়ার পর মোটামুটি বিশ দিনের মতো তা ঠিক থাকে। প্যাকেটে ভরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় রাখলে তিন মাসের মতো ঠিক থাকতে পারে।

এদিকে, ডিম বিক্রেতারা যাই বলুক না কেনো এমন সিদ্ধান্তে ডিম ক্রেতারা বেশ খুশি। এছাড়া তারা এ কায়দাকে অভিনব বলেও আখ্যা দিয়েছেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT