রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ২৬ জুন ২০২২, ১২ই আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

১০:২৪ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ নাটোর ইয়ুথ ব্লাড ডোনার গ্রুপের হয়ে কুড়িগ্রামে বন্যার্তদের পাশে বাংলার মিঃ বিন ◈ নোয়াখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ কালিহাতীতে আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ ◈ রাজারহাটে আওয়ামী লীগের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ◈ রৌমারীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে স্প্রে মেশিন বিতরণ। ◈ বেদে সম্প্রদায়সহ বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে,মধ্যনগর থানা পুলিশ ◈ পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ডামুড্যায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। ◈ স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কালিহাতী থানা পুলিশের আতশবাজি প্রদর্শনী ◈ হাইওয়ে পুলিশের উদ্যোগে শেরপুরে বন্যার্তদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ◈ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি উপভোগ করেণ দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন

ডিমের গায়েও এক্সপায়ারি ডেট

প্রকাশিত : 04:27 AM, 15 August 2019 Thursday 590 বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

 

ওষুধের গায়ে এক্সপায়ারি ডেট লেখা থাকে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ডিমের গায়ে এক্সপায়ারি ডেট! অবাক করার মতো হলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড়ের কাশীপুর বাজারের এক মুদি দোকানকার এমন কাজ করে হইচই ফেলে দিয়েছেন।

বাজারের মুদি দোকানি আব্দুল জলিল মোল্লা ‘বেস্ট বিফোর’ লেবেল লাগিয়ে ডিম বিক্রি করছেন। ভাঙড় দুই নম্বর ব্লকের বিডিও কৌশিক কুমার মাইতি বলেন, ডিমের গায়ে তারিখের কথা এই প্রথম শুনছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।

ভাঙড়ের চড়কপোতা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবেশ পাল মিড ডে মিলের জন্য কাশীপুর বাজার থেকে ডিম কিনেছিলেন। সেই ডিমের গায়ে তারিখ দেখে অবাক হয়ে যান তিনি। প্রধান শিক্ষকের মুখ থেকেই এক্সপায়ারি ডেটের কথা ছড়িয়ে পড়ে।

ভাগাড়ের মাংস বা ফর্মালিন মেশানো মাছের মতো অভিযোগ ওঠেনি ডিমের। একবার অবশ্য প্লাস্টিকের ডিমের কথা বাজারে ছড়িয়েছিল। পরে তা গুজব বলেই জানা যায়। কিন্তু ডিম কতদিন ভালো থাকবে তা নিয়ে ক্রেতারা কিছুই বুঝতে পারেন না। বাজার থেকে যে ডিমটি কিনছেন, তা কতদিন আগে পাড়া জানার কোনো উপায়ও নেই।

অনেক ক্ষেত্রেই বাড়িতে ফিরে রান্নার সময় দেখা যায় দু-একটা ডিম পঁচা। ভাঙড়ের বাসিন্দা তৃপ্তি মণ্ডলের গলাতেও একই সুর। তৃপ্তি বললেন, স্বামী ডজনে ডিম কিনে আনেন। প্রায়ই একটা-দুটো ডিম পচা বের হয়। ডিমের গায়ে স্ট্যাম্প লাগানো শুনে তৃপ্তি জানালেন, তিনিও এবার জালিলের দোকান থেকেই ডিম কিনবেন।

গ্রামের বাজারে এক্সপায়ারি ডেট লাগানো ডিম বিক্রির বিষয়টি মাথায় এল কী করে? প্রশ্ন করা হয় জলিল। জলিল বলেন, আমি শিয়ালদহ পাইকারি বাজার থেকে কিনি। ওরাই আমাকে স্ট্যাম্প দেওয়া ডিম দিল। এখন দেখছি স্ট্যাম্প দেয়া ডিমের ভীষণই চাহিদা।

ঝাঁ চকচকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মলেও এখন ডিম বিক্রি হয়। সেখানে ডিমের গায়ে না হলেও প্যাকেটে ডেট দেয়া থাকে। কিন্তু জলিলের আনা ডিমের গায়েই লেবেল লাগানো। প্রশ্ন হল, ডেট থাকলেও, তা কতটা বিশ্বাসযোগ্য?

ডিম বিক্রেতাদের থেকে জানা গেল ডিম পাড়ার পর মোটামুটি বিশ দিনের মতো তা ঠিক থাকে। প্যাকেটে ভরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় রাখলে তিন মাসের মতো ঠিক থাকতে পারে।

এদিকে, ডিম বিক্রেতারা যাই বলুক না কেনো এমন সিদ্ধান্তে ডিম ক্রেতারা বেশ খুশি। এছাড়া তারা এ কায়দাকে অভিনব বলেও আখ্যা দিয়েছেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT