রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ১৭ মে ২০২১, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০৩:৫০ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ লালমোহনে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ◈ মোংলায় আগুনে পুড়ে যাওয়া ছয়টি পরিবারের মাঝে পি.ডি.এম. ফাউন্ডেশন এর ঢেউটিন বিতরণ ◈ প্রজনন মৌসুমে ডিমওলা মাছ রক্ষায়,থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ◈ শ্রীনগরে ৫০০ বিঘা সরকারি জমিতে ভুট্রা চাষে রাজস্ব ফাঁকি ◈ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন তৃণমূল লীগের ◈ কাশিয়ানীতে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে শরিফুল নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা ◈ এমপি রাঙ্গার সাথে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ ◈ লকডাউনে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া মানে হয়রানি বাড়বে -ফখরুল ◈ শ্রীনগরে হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ◈ গংগাচড়ায় তিস্তা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার সময় মেশিন জব্দ

টেকনাফে বাড়ছে ড্রাগন চাষ

প্রকাশিত : ০৪:২৭ AM, ২৫ নভেম্বর ২০১৯ সোমবার ১০৪ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

কক্সবাজারের টেকনাফে ড্রাগন চাষ বাড়ছে। রোগবালাই কম এবং সহজে চাষযোগ্য হওয়ায় চাষিরা দিন দিন ড্রাগন চাষের দিকে ঝুঁকছে। টেকনাফের মাটি এবং পরিবেশ ড্রাগন চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী বলে জানা গেছে।

অনুকূল পরিবেশ এবং চাষ সহজীকরণ হওয়ায় প্রান্তিক কৃষকেরাও নতুন এই ফলের চাষ করার কথা ভাবছেন। উপজেলার হোয়াইক্যং রইক্ষ্যং এলাকার কৃষক আব্দুল বাহাদুর এবং হ্নীলার রঙ্গিখালী এলাকার দুদু মিয়া জানান, ড্রাগন ফল নাকি ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সার রোগের জন্য বেশ উপকারী। ফলের দামও বেশি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরি সহযোগিতায় কৃষক বাহাদুর এবং দুদু মিয়ার মতো অনেকে ড্রাগনের চাষ করার পরিকল্পনা করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ড্রাগন ফল পুষ্টিসমৃদ্ধ ফসল। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং ক্যালসিয়াম আছে। এটি ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সার রোগের জন্যও উপকারী ফল। মূল্য বেশি হলেও নতুন এই ফলের কদর দিন দিন বাড়ছে।

কৃষকরা জানান, শীতকাল ছাড়া সারাবছরই ড্রাগন ফলন দেয়। তবে, বর্ষাকালে ড্রাগন ফল বেশি ধরে। ড্রাগন ফল সহজে বংশ বিস্তার করে। সেচ এবং তেমন সারও প্রয়োগ করতে হয় না। নিয়মিত পরিচর্যা করলে চারা রোপণের ১ বছরের মাথায় ফলন পাওয়া যায়। সবদিক বিবেচনায় কৃষকরা উচ্চমূল্য পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ড্রাগনের চাষ করছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, বর্তমানে টেকনাফে ১২টি ড্রাগনের বাগান আছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ড্রাগন চাষে কারিগরি সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া ব্যক্তি পর্যায়ে ৫০টিরও বেশি বসতভিটায় বিচ্ছিন্নভাবে ড্রাগনের চাষ করা হচ্ছে। কৃষকরা জানান, এখনো টেকনাফে কৃষকসহ অনেকে আছেন, যারা কিনা ড্রাগন কি, কিভাবে চাষ করে—সে সম্পর্কে কিছুই জানেন না। অথচ ড্রাগন চাষের জন্য অতিরিক্ত জমিও লাগে না। অন্যান্য ফসলের মতো তেমন পরিচর্যাও করতে হয় না। বাড়ির সামনে বা পিছনে ছোট্ট জায়গায় সহজে ড্রাগন চাষ করা যায়। দীর্ঘমেয়াদি লাভবান হওয়া যায়। ড্রাগন গাছ সহজে মরে না। নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে ৪০ বছর পর্যন্ত এই গাছ থেকে ফলন পাওয়া যায়।

উপজেলার হোয়াইক্যং লম্বাঘোনা এলাকার সফল কৃষক বাবু কিং তঞ্চঙ্গা জানান, ২০১৬ সালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ২০ শতক জমিতে আমি ড্রাগন ফলের চাষ শুরু করি। পরের বছর থেকেই ১৬০টি গাছে ফলন দিতে শুরু করে। প্রতি মৌসুমে তিনি সহজে ৩০/৪০ হাজার টাকা আয় করেন বলে জানান।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শফিউল আলম জানান, এটি একটি উচ্চমূল্য-ফসল। রোগব্যাধি কম, ফলের চাহিদা বেশি হওয়ায় কৃষকরাও চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT