রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ২৬ জুন ২০২২, ১২ই আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

০৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ নোয়াখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ কালিহাতীতে আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ ◈ রাজারহাটে আওয়ামী লীগের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ◈ রৌমারীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে স্প্রে মেশিন বিতরণ। ◈ বেদে সম্প্রদায়সহ বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে,মধ্যনগর থানা পুলিশ ◈ পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ডামুড্যায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। ◈ স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কালিহাতী থানা পুলিশের আতশবাজি প্রদর্শনী ◈ হাইওয়ে পুলিশের উদ্যোগে শেরপুরে বন্যার্তদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ◈ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি উপভোগ করেণ দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন ◈ দুর্গাপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিনামূল্যে ঔষধ ও ত্রাণ বিতরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

চালকদের ডোপ টেস্ট

প্রকাশিত : 06:10 AM, 20 September 2019 Friday 526 বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মাদকাসক্ত চালকদের ধরতে ঢাকার সড়কে ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের যৌথসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর হবে।
উদ্যোগটি ভালো সন্দেহ নেই; তবে সড়ক দুর্ঘটনা যেহেতু শুধু রাজধানীতে সীমাবদ্ধ নয়, সারা দেশেই এটি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেহেতু এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে দেশের সব মহাসড়কে চালু করা উচিত বলে মনে করি আমরা।

সড়ক দুর্ঘটনার একটি বড় কারণ চালকের মাদকাসক্তি। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক খন্দকার এনায়েত উল্যাহর মতে, রাজধানীর ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বাস চালকই মাদকাসক্ত।

মাদকাসক্ত চালকদের বাস চালানো প্রতিরোধ করা জরুরি বটে। এ লক্ষ্যেই সড়কে চালকদের মূত্র পরীক্ষা বা ডোপ টেস্ট করা হবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে।
পরীক্ষায় মাদকাসক্ত প্রমাণিত হলে ওই চালকের লাইসেন্স বাতিল করা হবে এবং তাকে সরাসরি জেলে পাঠানো হবে। কাজেই চালকদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিতে মালিকদের এখনই তৎপর হতে হবে।

ডোপ টেস্টের পাশাপাশি দুর্ঘটনার অন্য কারণগুলোও দূর করা প্রয়োজন। রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনার আরেকটি বড় কারণ চুক্তিতে বাস চালানো। মালিকদের এ প্রবণতার কারণে চালকরা সবসময় ‘টার্গেটের’ চাপে থাকেন। এর ফলে সৃষ্টি হয় অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিযোগিতা।

সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে এই বেপরোয়া প্রতিযোগিতার কারণে। সরকার ইতিপূর্বে চুক্তিতে বাস চালানো বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন বাস্তবায়িত হয়নি তা আমাদের বোধগম্য নয়।

চুক্তিতে বাস চালানোর প্রবণতা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার বলে মনে করি আমরা। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে এবং সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে গত বছরের জুনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুত্বপূর্ণ ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

নির্দেশনাগুলো হল- দূরপাল্লার গাড়িতে বিকল্প চালক রাখা, একজন চালকের পাঁচ ঘণ্টার বেশি গাড়ি না চালানো, চালক ও তার সহকারীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর সড়কের পাশে সার্ভিস সেন্টার বা বিশ্রামাগার তৈরি করা, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে রাস্তা পারাপার বন্ধ করা বা সিগন্যাল মেনে পথচারী পারাপারে জেব্রা ক্রসিংয়ের ব্যবহার এবং চালক ও যাত্রীদের সিটবেল্ট বাঁধা নিশ্চিত করা। এসব নির্দেশনার বাস্তবায়নেও নিতে হবে কার্যকর পদক্ষেপ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT