রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বুধবার ১৬ জুন ২০২১, ২রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০১:৪১ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ বিলাইভ মিউজিক স্টেশন থেকে আগামী রবিবার আসছে রাহিব খানের ❝তুই আশিকি❞ ◈ আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন সংগঠক মোস্তফা কামাল মাহদী ◈ বিএসআরএফ দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় মোসকায়েত মাশরেককে শুভেচ্ছা ◈ ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষন মামলা আসামীকে পুলিশের সহযোগীতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ◈ ঘাটাইল লক্ষিন্দর ইউনিয়নে টাকা ছাড়া হয় না ভাতা কার্ড ◈ রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের উদ্যোগে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন ◈ জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের উদ্যোগে স্থানীয় মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন ◈ কালিহাতীতে বাড়ছে করোনা, সামাজিক সচেতনতায় ইউএনও’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ অব্যাহত ◈ মুক্তাগাছায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ জনের জেল ◈ রায়পুরায় ট্রেনের সাথে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, ঘটনার ৬ দিনপর এক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

চালকদের ডোপ টেস্ট

প্রকাশিত : ০৬:১০ AM, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ শুক্রবার ৩৬০ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মাদকাসক্ত চালকদের ধরতে ঢাকার সড়কে ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের যৌথসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর হবে।
উদ্যোগটি ভালো সন্দেহ নেই; তবে সড়ক দুর্ঘটনা যেহেতু শুধু রাজধানীতে সীমাবদ্ধ নয়, সারা দেশেই এটি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেহেতু এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে দেশের সব মহাসড়কে চালু করা উচিত বলে মনে করি আমরা।

সড়ক দুর্ঘটনার একটি বড় কারণ চালকের মাদকাসক্তি। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক খন্দকার এনায়েত উল্যাহর মতে, রাজধানীর ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বাস চালকই মাদকাসক্ত।

মাদকাসক্ত চালকদের বাস চালানো প্রতিরোধ করা জরুরি বটে। এ লক্ষ্যেই সড়কে চালকদের মূত্র পরীক্ষা বা ডোপ টেস্ট করা হবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে।
পরীক্ষায় মাদকাসক্ত প্রমাণিত হলে ওই চালকের লাইসেন্স বাতিল করা হবে এবং তাকে সরাসরি জেলে পাঠানো হবে। কাজেই চালকদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিতে মালিকদের এখনই তৎপর হতে হবে।

ডোপ টেস্টের পাশাপাশি দুর্ঘটনার অন্য কারণগুলোও দূর করা প্রয়োজন। রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনার আরেকটি বড় কারণ চুক্তিতে বাস চালানো। মালিকদের এ প্রবণতার কারণে চালকরা সবসময় ‘টার্গেটের’ চাপে থাকেন। এর ফলে সৃষ্টি হয় অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিযোগিতা।

সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে এই বেপরোয়া প্রতিযোগিতার কারণে। সরকার ইতিপূর্বে চুক্তিতে বাস চালানো বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন বাস্তবায়িত হয়নি তা আমাদের বোধগম্য নয়।

চুক্তিতে বাস চালানোর প্রবণতা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার বলে মনে করি আমরা। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে এবং সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে গত বছরের জুনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুত্বপূর্ণ ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

নির্দেশনাগুলো হল- দূরপাল্লার গাড়িতে বিকল্প চালক রাখা, একজন চালকের পাঁচ ঘণ্টার বেশি গাড়ি না চালানো, চালক ও তার সহকারীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর সড়কের পাশে সার্ভিস সেন্টার বা বিশ্রামাগার তৈরি করা, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে রাস্তা পারাপার বন্ধ করা বা সিগন্যাল মেনে পথচারী পারাপারে জেব্রা ক্রসিংয়ের ব্যবহার এবং চালক ও যাত্রীদের সিটবেল্ট বাঁধা নিশ্চিত করা। এসব নির্দেশনার বাস্তবায়নেও নিতে হবে কার্যকর পদক্ষেপ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT