রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১১:১৭ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ পত্নীতলায় মৌসুমী শাক-সবজি’র বীজ বিতরণ ◈ মুন্সিগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ ৩জন আটক ◈ বাজিতপুরে ৩ টি চোরাই মোটরসাইকেল সহ চক্রের ৩ সদস্য গ্ৰেফতার ◈ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ঘাটাইলে শেষ হলো, শারদীয় দূর্গাপুজা ◈ সন্দ্বীপের সাবেক সাংসদ মুস্তাফিজুর রহমানের স্মরণে কাতারে দোয়া মাহফিল ◈ কলেজের খেলার মাঠে ভবন নির্মাণ না করার দাবী ◈ তাড়াশে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবলীগ নেতা নিহত ◈ ধামইরহাটে দূর্গাপুজায় পুলিশের সার্বক্ষনিক টহল, পরিদর্শণে রাজনৈতিক নেতারা ◈ বগুড়ায় শর্মীকে সহায়তায় এগিয়ে আসল কারিগরি শিক্ষার ফেরিওয়ালা তৌহিদ ◈ রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যানকে দাউদপুর ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানের শু‌ভেচ্ছা

চামড়ার বাজারে ধস

প্রকাশিত : ০৪:০৬ AM, ১৫ অগাস্ট ২০১৯ Thursday ২৪৬ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

 

কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে এমন সংকট অতীতে কখনো দেখা যায়নি। বিক্রি করতে না পেরে মানুষ শত শত চামড়া ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছে, না হয় মাটিতে পুঁতে ফেলেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দেখা যায়, খুচরা ব্যবসায়ীরা পাইকারি ব্যবসায়ীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। কেউ কিনছে না। দু-এক জায়গায় এমন দাম বলা হচ্ছে, যাতে পরিবহন খরচও উঠছে না। কেউ কেউ পাঁচ থেকে ১০ টাকায়ও চামড়া বিক্রি করেছে। এমন অবস্থায় সরকার কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন ট্যানারি মালিকদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকারের সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা না হলে দেশের চামড়াশিল্পের সর্বনাশ হয়ে যাবে।

কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির অর্থ পুরোটাই গরিব-মিসকিনদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এ কারণে কোরবানির পশুর চামড়াকে ‘গরিবের হক’ বলা হয়। সেই চামড়া নিয়ে এমন তেলেসমাতি বা ‘সিন্ডিকেটবাজি’ যারা করতে পারে, তাদের কি ব্যবসায়ী বলা যাবে? তার পরও এই ব্যবসায়ীদের সরকারিভাবে প্রচুর সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, অন্যান্য বছরের মতো এবারও ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে চামড়ার সর্বনিম্ন দর নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই দামও ছিল অনেক কম। তার পরও ট্যানারি মালিকরা নানা অজুহাত দেখিয়ে চামড়া কিনতে অনীহা প্রকাশ করতে থাকেন। আড়তদারদের অভিযোগ, ট্যানারি মালিকদের কাছে তাদের শত শত কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। অন্যান্য বছর ঈদের আগে কিছু পাওনা পরিশোধ করলেও এবার তারা তা করেনি বললেই চলে। এ অবস্থায় আড়তদাররাও চামড়া কিনতে পারছে না। ফলে বিপদে পড়েছে খুচরা ব্যবসায়ীরা। তারা কিছু চামড়া কিনলেও এখন তা বিক্রি করতে পারছে না। অনেক মাদরাসা-এতিমখানায় মানুষ চামড়া দান করে। সেসব চামড়াও বিক্রি হচ্ছে না। এ অবস্থায় তারা বাধ্য হচ্ছে সেগুলো ফেলে দিতে। এতে কি দেশের চামড়াশিল্পের ক্ষতি হচ্ছে না? ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন, চামড়াশিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য কি নিজের পকেট থেকে পরিবহনের খরচ দিয়ে বিনা মূল্যে তাদের চামড়া দিয়ে আসতে হবে? সরকারি সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তাদের অভিমত, এই সিদ্ধান্ত আরো আগে আসা উচিত ছিল।

দেশে বার্ষিক চামড়ার জোগানের অর্ধেকই আসে কোরবানির সময়। এ সময় চামড়া বেচাকেনায় এমন পরিস্থিতি কেন হলো, তা অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। অনেকেই মনে করে, এর পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত সিন্ডিকেটবাজি। যদি তা-ই হয়, তাদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে আইনের মুখোমুখি করতে হবে। কাঁচা চামড়া কিংবা ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানি অব্যাহত রাখতে হবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। আমরা মনে করি, সরকার সঠিক পথেই হাঁটবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT